সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার, ৩ মাস পর বনে ফিরে গেলো বানর

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় তিনমাস আগে একটি অসুস্থ বানরকে উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসা করানোর পর সুস্থ হওয়ায় প্রাণীটিকে বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

পরিবেশ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় তিনমাস আগে একটি অসুস্থ বানরকে উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসা করানোর পর সুস্থ হওয়ায় প্রাণীটিকে বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে (ফাতরার বনে) বানরটিকে অবমুক্ত করে কুয়াকাটা বন্যপ্রাণী নোঙ্গরখানা কর্তৃপক্ষ।

কুয়াকাটা বন্যপ্রাণী নোঙ্গরখানার স্বত্বাধিকারী রুমান ইমতিয়াজ তুষার জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তিনমাস আগে উপজেলার জালালপুর এলাকা থেকে অসুস্থ অবস্থায় বানরটিকে উদ্ধার করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চলছিল। আজ ফাতরার বনে বানরটি অবমুক্ত করা হয়।

বন্যপ্রাণী নিয়ে কাজ করা পরিবেশকর্মী কেএম বাচ্চু জাগো নিউজকে বলেন, এরআগে ১৯টি বন্যপ্রাণী আমরা চিকিৎসা করে বনে অবমুক্ত করেছি। শুধু বানর নয়; সাপ, কচ্ছপ, বেজি, বিভিন্ন পাখিসহ সব ধরনের বন্যপ্রাণী অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেলে আমরা নিয়ে এসে এই নোঙ্গরখানায় রাখি। পরে চিকিৎসা করে অবমুক্ত করে দেওয়া হয়।

বনবিভাগের তালতলী রেঞ্জের ফাতরার বনে দায়িত্বে থাকা আক্তারুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, নোঙ্গরখানা কর্তৃপক্ষ একটি বানর নিয়ে এলে বনবিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে এটি অবমুক্ত করা হয়। বন্যপ্রাণীর প্রতি আমাদের সবার ভালোবাসা থাকা জরুরি।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এসআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()