সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

নড়াইলে ফুটেছে আগুনরাঙা ফুল কৃষ্ণচূড়া

গ্রীষ্মের শুরুতেই নড়াইলে ফুটেছে আগুনরাঙা কৃষ্ণচূড়া। তপ্ত রোদ আর শুষ্ক আবহাওয়ার মধ্যেও প্রকৃতিতে যেন নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। কৃষ্ণচূড়ার রঙিন ছোঁয়ায় গ্রীষ্মের প্রকৃতি হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত। প্রকৃতির এই চোখজুড়ানো সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন শিক্ষার্থী, পথচারী, স্থানীয় বাসিন্দা, ফুলপ্রেমী

ফুল

গ্রীষ্মের শুরুতেই নড়াইলে ফুটেছে আগুনরাঙা কৃষ্ণচূড়া। তপ্ত রোদ আর শুষ্ক আবহাওয়ার মধ্যেও প্রকৃতিতে যেন নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। কৃষ্ণচূড়ার রঙিন ছোঁয়ায় গ্রীষ্মের প্রকৃতি হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয় ও প্রাণবন্ত। প্রকৃতির এই চোখজুড়ানো সৌন্দর্যে মুগ্ধ হচ্ছেন শিক্ষার্থী, পথচারী, স্থানীয় বাসিন্দা, ফুলপ্রেমী ও প্রকৃতিপ্রেমীরা।

জানা গেছে, কৃষ্ণচূড়া গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এটি একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। ফ্যাবেসি পরিবারের অন্তর্গত শোভাবর্ধক বৃক্ষ। এই গাছ চমৎকার পত্র-পল্লব এবং আগুনলাল ফুলের জন্য প্রসিদ্ধ। এটি আগুনচূড়া, লালচূড়া বা গুলমোহর নামেও পরিচিত। কৃষ্ণচূড়া ফুল সাধারণত উজ্জ্বল লাল বা গাঢ় লাল রঙের হয়, যা দূর থেকে আগুনের শিখার মতো দেখায়। তবে এদের মধ্যে কমলা এবং হলুদ রঙের বৈচিত্র্যের প্রজাতিও দেখতে পাওয়া যায়। এ ফুলে পাঁচটি পাপড়ি থাকে। কৃষ্ণচূড়া সাধারণত বসন্তের শেষদিকে ও গ্রীষ্মের শুরুতে প্রস্ফুটিত হয়ে প্রকৃতিকে উজ্জ্বল রঙে রাঙিয়ে তোলে।

সরেজমিনে জানা গেছে, জেলার বিভিন্ন সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বাড়ির আশপাশের কৃষ্ণচূড়া গাছজুড়ে ফুটেছে গাঢ় লাল রঙের ফুল। ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে সবুজ প্রকৃতি। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, সবুজের বুকে যেন লাল আগুন জ্বলে উঠেছে। নজরকাড়া সৌন্দর্য নিয়ে ফোটা এ ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন সব বয়সী মানুষ। ফুলের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে কেউ কেউ স্মৃতি ধরে রাখছেন। কেউবা আবার ফুলসমেত নিজেকে ক্যামেরাবন্দি করছেন। কিশোরী-তরুণীরা সৌন্দর্য বাড়াতে এ ফুল খোঁপায় ও বেনিতে ব্যবহার করছেন। শিশুদের হাতেও শোভা পাচ্ছে।

ফুলপ্রেমী মৌসুমি জাগো নিউজকে বলেন, ‌'কৃষ্ণচূড়া ফুল ফুটলে মনে হয় গ্রীষ্ম সত্যিই এসে গেছে। এই ফুলের রং আর সৌন্দর্য আমাদের মন ভালো করে দেয়। ব্যস্ততার মাঝেও কিছু সময় গাছের নিচে দাঁড়িয়ে থাকলে এক ধরনের প্রশান্তি পাওয়া যায়। এ সময়টায় বাইরে গেলেই যত্রতত্র চোখে পড়ে কৃষ্ণচূড়ার রঙিন ফুল।'

ধোপাখোলা গ্রামের বাসিন্দা মিম খাতুন বলেন, 'আমাদের এলাকায় কয়েকটি কৃষ্ণচূড়া গাছ আছে। এসব গাছে যখন ফুল ফোটে; তখন পুরো পরিবেশ যেন রঙিন হয়ে ওঠে। কৃষ্ণচূড়ার রঙিন এ দৃশ্য দেখতে খুব ভালো লাগে। বিশেষ করে শিশু ও তরুণ-তরুণীরা এ সময় গাছের নিচে ছবি তুলতে বেশি আগ্রহী হয়।'

কলেজের প্রভাষক প্রফুল্ল কুমার জাগো নিউজকে বলেন, 'কৃষ্ণচূড়া শুধু একটি ফুল নয়, এটি আমাদের আবেগের সাথে জড়িয়ে আছে। এ সময়টায় প্রতিটি কৃষ্ণচূড়া গাছ ফুলে ফুলে ভরে ওঠে। চলতি পথে এ ফুল চোখ কেড়ে নেয়, ভরিয়ে দেয় মন। যে কোনো বয়সী মানুষই এর সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হচ্ছেন। আমাদের কলেজের প্রধান ফটকের সামনেও একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ আছে। আমরা এর সৌন্দর্য উপভোগ করি।'

লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন ভয়েসের নড়াইল জেলার সহ সমন্বয়ক কামরুন্নাহার লীনা বলেন, 'শুধু সৌন্দর্য নয়, কৃষ্ণচূড়া গাছ পরিবেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এ গাছ ছায়া দেয় এবং গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরমে পথচারীদের কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়। এ ফুলের সৌন্দর্যে প্রকৃতিও সেজে উঠেছে অপরূপ সাজে।'

পরিবেশ কর্মী ও গ্রিন ভয়েসের সদস্য সোহেল রানা লাক্সমী বলেন, 'কৃষ্ণচূড়া ফুল আমার একটা প্রিয়। এর সৌন্দর্য আমাকে বিমোহিত করে। তবে প্রকৃতি থেকে দিনদিন এ গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। যা পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই নতুন করে কৃষ্ণচূড়ার চারা রোপণের উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানাই।'

পরিবেশ কর্মী ও গ্রিন ভয়েসের উপদেষ্টা সদস্য লোহাগড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম হায়াতুজ্জামান বলেন, 'কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্য সবাইকে টানছে। বিশেষ করে ফুলের ওপর রোদ পড়লে এর সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পায়। আসা-যাওয়ার পথে এ ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হই।'

লোহাগড়ার দিঘলিয়া কলেজের অধ্যক্ষ মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা জাগো নিউজকে বলেন, 'কৃষ্ণচূড়া শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, এর কিছু ঔষধি গুণাগুণও আছে। ইউনানি চিকিৎসাশাস্ত্রে কৃষ্ণচূড়া গাছের পাতা ও ফুল বিভিন্ন ভেষজ প্রস্তুতিতে ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে শরীরের প্রদাহ কমানো, ক্ষত শুকানো এবং কিছু ত্বকের সমস্যায় এর নির্যাস উপকারী বলে বিবেচিত।'

তিনি বলেন, 'প্রাকৃতিক পরিবেশে এ ধরনের গাছপালা মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কৃষ্ণচূড়াসহ বিভিন্ন দেশীয় বৃক্ষ রোপণে যার যার জায়গা থেকে সবাইকে এগিয়ে আসা উচিত।'

হাফিজুল নিলু/এসইউ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফুল

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গোল নয় তবুও কেন এর নাম ‘গোলগাছ’

গোলগাছ কিংবা গোলপাতা কোনোটিই গোল নয়। তাহলে এই গাছ ও পাতার অঙ্গে-সঙ্গে গোল শব্দটি যুক্ত হলো কীভাবে? সাধারণত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফুল অথবা ফলের নামানুসারে কোনো গাছ বা উদ্ভিদের নাম নির্ধারণ করা হয়। গোলফল যখন ছড়িয়ে থাকে তখন দেখতে ঠিক পরিপাটি গোলগাল কাঁঠাল এবং কেয়া ফলের মতো। মূলত ছড়ায়-ছড়ায় ঝুলতে থাকা চোখ-

জাগো নিউজ ২৪৩১ আগস্ট ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
ফল

বাংলাদেশের কৃষিপণ্য ও ফলে আগ্রহ চীনা ব্যবসায়ীদের

চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ের হ্যালো ওয়ার্ল্ড লিভিং মলে শুরু হয়েছে ২০২৬ মেকং-লানচাং ফল, কফি, ফুল ও বিয়ার কার্নিভাল। ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক উৎসবে মেকং অঞ্চলের দেশগুলোর ফল ও কৃষিপণ্য নিয়ে বসেছে ৯৪টি স্টল। উৎসবের শুরু থেকেই বাংলাদেশের স্টল ঘিরে স্থানীয় দর্শনার্থী

জাগো নিউজ ২৪২২ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()