সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

নওগাঁয় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

নওগাঁ কেডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের সংগঠন 'স্বপ্নের মফস্বল'-এর উদ্যোগে ২০০টি জামগাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

পরিবেশ

নওগাঁ কেডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের সংগঠন 'স্বপ্নের মফস্বল'-এর উদ্যোগে ২০০টি জামগাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) দুপুর ১২টায় নওগাঁ কেডি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এগুলো বিতরণ করা হয়।

স্বপ্নের মফস্বলের সভাপতি সুলতান শাহরিয়া শাফির সভাপতিত্বে চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী শিক্ষক মোসাদ্দেকুল হক অনিক ও আব্দুর রউফ খান। এসময় সংগঠনটির সদস্য তাসিন, নিরব সরদার, আল ওয়াসী, আবু জর গিফারী, সালমান ফারসী ও আব্দুল্লাহ আল রিয়াদ উপস্থিত ছিলেন।

স্বপ্নের মফস্বলের সভাপতি সুলতান শাহরিয়া শাফি বলেন, স্কুলের শিক্ষার্থীদের বৃক্ষপ্রেমী হিসেবে গড়ে তুলতেই আমাদের এই উদ্যোগ।

সংগঠনের উপদেষ্টা সৈয়ব আহমেদ সিয়াম বলেন, স্বপ্নের মফস্বল মূলত স্কুল শিক্ষার্থীদের হাত ধরেই ২০২২ সালের ২৩ জুলাই যাত্রা শুরু করে। সংগঠনটি প্রাথমিক চিকিৎসা, খাবার বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযানসহ শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক বিকাশে কাজ করে আসছে। আশা করি সামনে আরও ভালো কিছু হবে ইনশাআল্লাহ।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()