সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

মোংলায় ভেসে এলো গলায় রশি বাঁধা মৃত কুমির

মোংলার নারকেলতলা খাল থেকে একটি মৃত কুমির উদ্ধার করেছে বনবিভাগ। রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে খালে কুমিরটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা বনবিভাগকে খবর দেয়। পরে তারা কুমিরটি উদ্ধার করে সুন্দরবনের করমজলে মাটি চাপা দেয়।

পরিবেশ

মোংলার নারকেলতলা খাল থেকে একটি মৃত কুমির উদ্ধার করেছে বনবিভাগ। রোববার (১৯ অক্টোবর) সকালে খালে কুমিরটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা বনবিভাগকে খবর দেয়। পরে তারা কুমিরটি উদ্ধার করে সুন্দরবনের করমজলে মাটি চাপা দেয়।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির জানান, মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক নৌ ক্যানেল সংলগ্ন মোংলার নারকেলতলা খালে রোববার সকালে একটি মৃত কুমির ভাসতে দেখে স্থানীয়রা বনবিভাগকে খবর দেন। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে কুমিরটি উদ্ধার করা হয়। এরপর সন্ধ্যায় সেটিকে সুন্দরবনের করমজলে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, উদ্ধার হওয়া মৃত কুমিরটির গলায় রশি বাঁধা ছিল। এছাড়া কুমিরের সামনের ডান পা নেই। ধারণা করা হচ্ছে অন্তত ২/৩ দিন আগে কে বা কাহার কুমিরটি মেরে গলায় রশি বেঁধে টেনে নিয়ে নদীতে ফেলে দেয়। এরপর সেটি ভাসতে ভাসতে নারকেলতলা খালে চলে আসে। কুমিরটির বয়স হবে প্রায় ১৫/১৬ বছর। আর পুরুষ এ কুমিরটি লম্বা প্রায় ৯ ফুট। কুমিরটির শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে পচে যাওয়ায় কুমিরের কোন অংশই (অঙ্গপ্রত্যঙ্গ) সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি।

আজাদ কবির আরও বলেন, কে বা কাহারা কুমিরটিকে মেরেছে সে সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। তথ্য পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারণ এসব প্রাণী হত্যা করা অপরাধ। তাই অপরাধীদের শনাক্তে আমাদের ব্যাপক তৎপরতা শুরু করা হয়েছে।

আবু হোসাইন সুমন/আরএইচ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()