সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

মাধবপুরে বিরল প্রজাতির ‘লজ্জাবতী বানর’ উদ্ধার

হবিগঞ্জের মাধবপুরে একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) উপজেলার সীমান্তবর্তী কমলপুর গ্রাম থেকে এটি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের কাছে এটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

পরিবেশ

হবিগঞ্জের মাধবপুরে একটি লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) উপজেলার সীমান্তবর্তী কমলপুর গ্রাম থেকে এটি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) বন্য প্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের কাছে এটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

পাখিপ্রেমী সোসাইটির জেলা সভাপতি মোজাহিদ মসি জানান, কমলপুর গ্রামের লোকজন প্রাণীটিকে ধরে খাঁচায় আটকে রাখে। তবে রাতে এটি পালিয়ে যায়। পরে ওইদিন রাতে বৃষ্টিভেজা অবস্থায় প্রাণীটিকে আবারও ধরা হয়। এরপর বন বিভাগের লোকজনের সঙ্গে দেখা করে তাদের কাছে এটি হস্তান্তর করা হয়।

বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী বলেন, 'উদ্ধার হওয়া লজ্জাবতী বানরটি খুবই বিরল। দেখতে নিরীহ হলেও এটি মারাত্মক বিষাক্ত ও স্তন্যপায়ী ভয়ংকর প্রাণী।'

তিনি বলেন, 'বানরটি এখনো অসুস্থ। এর চিকিৎসা চলছে। সুস্থ হলে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবমুক্ত করা হবে।'

লজ্জাবতী বানরের ইংরেজি নাম 'স্লো লরিস'। এরা লরিসিডি পরিবারের একটি বানর প্রজাতি। এরা গাছের উঁচু শাখায় থাকতে পছন্দ করে। বাংলাদেশে পাহাড়ি চিরসবুজ বনে এদের কালেভাদ্রে দেখা পাওয়া যায়। তবে আর্দ্র পাতাঝরা বনেও লজ্জাবতী বানরের উপস্থিতি দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লাল তালিকায় সংকটাপন্ন প্রাণী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত লজ্জাবতী বানর বা স্লো লরিশ। বাংলাদেশের ১৯৭৪ ও ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনেও এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।

সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকন/এএএইচ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()