সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

লক্ষ্মীপুরে সার সংরক্ষণে হবে বাফার গুদাম, ব্যয় ৪৯ কোটি টাকা

লক্ষ্মীপুর জেলায় সার সংরক্ষণ ও বিতরণব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ৮১৪ টাকা।

ফসল

লক্ষ্মীপুর জেলায় সার সংরক্ষণ ও বিতরণব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি বাফার গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ৮১৪ টাকা।

বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) বাস্তবায়নাধীন 'সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার্থে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ৩৪টি বাফার গুদাম নির্মাণ (প্রথম সংশোধিত)' প্রকল্পের আওতায় এ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পটির জন্য ভ্যাট ও করসহ মোট ৪৯ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ৮১৪ টাকা ব্যয় হবে, যা সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

জানা গেছে, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে আহ্বান করা দরপত্রের বিপরীতে চারটি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব জমা পড়ে। এর মধ্যে দুটি প্রস্তাব কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। সব প্রক্রিয়া শেষে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী যৌথভাবে অংশগ্রহণকারী এমবিএল এবং আরইএল, ঢাকা সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়। তাদের কাছ থেকেই নির্ধারিত মূল্যে গুদাম নির্মাণকাজ ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, লক্ষ্মীপুরের নির্ধারিত স্থানে ১০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার সংরক্ষণের জন্য স্টিল কাঠামোর বাফার গুদাম নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি ভূমি উন্নয়ন, অফিস-কাম-অতিথিশালা, আনসার ব্যারাক, উপকেন্দ্র ও জেনারেটর কক্ষ, পৃথক শৌচাগার, ওয়াচ টাওয়ার, রিইনফোর্সড কংক্রিটের ঝড়ের পানি নিষ্কাশন নালা, পাম্প হাউস ও ভূগর্ভস্থ পানির আধার, সীমানাপ্রাচীর, প্রধান ফটক ও প্রহরী কক্ষ নির্মাণ করা হবে।

এছাড়া পুকুর খনন, ১০০ কিলোভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার উপকেন্দ্রের যন্ত্রপাতি, ৬০ কিলোভোল্ট-অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার জেনারেটর এবং সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।

প্রকল্পটির প্রথম সংশোধিত প্রস্তাব জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল অনুমোদন করে। প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।

এমএএস/এমআইএইচএস/

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে, কৃষক পর্যায়ে দাম অপরিবর্তিত

দেশে সরকার নিযুক্ত সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে। সব ধরনের সারে প্রতি কেজিতে এক টাকা কমিশন বাড়িয়ে করা হচ্ছে তিন টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()