সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

লোকালয়ে চলে আসা ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের অজগর সাপ উদ্ধার

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ডাকঘর এলাকা থেকে অক্ষত অবস্থায় অজগরটি উদ্ধার করে ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশের সদস্যরা। পরবর্তীতে বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানের আওতাধীন বাওয়াছড়া লেকের গহিন জঙ্গলে অজগরটি অবমুক্ত করা হয়।

পরিবেশ

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ডাকঘর এলাকা থেকে অক্ষত অবস্থায় অজগরটি উদ্ধার করে ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশের সদস্যরা। পরবর্তীতে বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানের আওতাধীন বাওয়াছড়া লেকের গহিন জঙ্গলে অজগরটি অবমুক্ত করা হয়।

জানা গেছে, ডাকঘর এলাকায় কৃষি জমির চারপাশে দেওয়া জালে একটি অজগর সাপ আটকে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী ও সাপ উদ্ধারকারী দলের কর্মীদের জানায়। তারা এসে সাপটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশের সদস্য মো. নাইমুল ইসলাম নিলয় বলেন, 'জালে অজগর সাপ আটকা পড়ার খবর শুনে অক্ষত অবস্থায় সাপটি উদ্ধার করি। সাপটির দৈর্ঘ্যে ১২ ফুট এবং ওজন আনুমানিক ১৫ কেজি। পরবর্তীতে সাপটি বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যানের আওতাধীন বাওয়াছড়া লেকের গহিন জঙ্গলে অবমুক্ত করা হয়।'

বড়তাকিয়া বিট কর্মকর্তা অরুন রায় বলেন, 'বন ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসা একটি অজগর সাপ রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশের সদস্য মো. নাইমুল ইসলাম নিলয় উদ্ধার করে বনে অবমুক্ত করেছে বলে আমাকে জানিয়েছে। যেহেতু এখন বর্ষাকাল ধারণা করা হচ্ছে খাবারের জন্য বন ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসছে সাপটি।

এম মাঈন উদ্দিন/এফএ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()