সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮২%বাতাস কিমি/ঘ

কুয়াকাটায় সাপুড়ের কাছ থেকে উদ্ধার সাপ বনে অবমুক্ত

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় তিন প্রজাতির পাঁচটি সাপ উদ্ধার করে অবমুক্ত করেছ অ্যানিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর সদস্যরা। রোববার (১৯ মার্চ) দুপুর ২ টার দিকে সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন লেম্বুরবনে এসব সাপ অবমুক্ত করা হয়।

পরিবেশ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় তিন প্রজাতির পাঁচটি সাপ উদ্ধার করে অবমুক্ত করেছ অ্যানিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর সদস্যরা। রোববার (১৯ মার্চ) দুপুর ২ টার দিকে সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন লেম্বুরবনে এসব সাপ অবমুক্ত করা হয়।

অবমুক্ত করা সাপগুলোর মধ্যে সাত ফুট লম্বা পদ্ম গোখরা তিনটি, ৬ ফুট লম্বা একটি ও একটি বার্মিজ অজগর। যার দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট।

আরও পড়ুন: খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে হরিণ, বনে অবমুক্ত

এসময় অ্যানিমেল লাভারস অফ কলাপাড়ার টিম লিডার রাকায়েত আহসান, বায়েজিদ ও মহিপুর বন বিভাগের কর্মীরা।

এর আগে দুপুরে কলাপাড়ার মহিপুরের পাইকবাড়ি এলাকায় এক সাপুড়ে নিয়ে খেলা দেখাচ্ছিলেন। এমন খবর পেয়ে বনবিভাগ ও অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা সেখান থেকে সাপগুলো উদ্ধার করে।

পটুয়াখালী বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক তারিকুল ইসলাম জানান, বন বিভাগ অ্যানিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর সদস্যদের সহযোগিতা সাপগুলো উদ্ধার করেছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে তৎপর রয়েছে বন বিভাগ।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/আরএইচ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()