সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

কুষ্টিয়ায় পাঁচটি বনবিড়ালের ছানা উদ্ধার

কুষ্টিয়ায় কুমারখালী উপজেলার বাগুলহাট ইউনিয়নের শালঘর মধুয়া এলাকা থেকে থেকে বিলুপ্ত প্রজাতির ৫টি বনবিড়ালের ছানা উদ্ধার হয়েছে। সোমবার (১০ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে তিন ভাই- তন্ময়, তানভির ও আনাস বনবিড়ালের ছানাগুলো উদ্ধার করে বন বিভাগের প্রতিনিধি দলের হাতে তুলে দেন।

পরিবেশ

কুষ্টিয়ায় কুমারখালী উপজেলার বাগুলহাট ইউনিয়নের শালঘর মধুয়া এলাকা থেকে থেকে বিলুপ্ত প্রজাতির ৫টি বনবিড়ালের ছানা উদ্ধার হয়েছে। সোমবার (১০ জানুয়ারি) রাত ৮টার দিকে তিন ভাই- তন্ময়, তানভির ও আনাস বনবিড়ালের ছানাগুলো উদ্ধার করে বন বিভাগের প্রতিনিধি দলের হাতে তুলে দেন।

স্থানীয়রা জানান, গত ৮ জানুয়ারি রাতে শালঘর মধুয়া গ্রামে স্থানীয়রা বনবিড়ালের ছানাগুলো দেখতে পেয়ে আটক করে। পরে ওই তিন যুবক সেগুলো উদ্ধার করে বাংলাদেশ জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের (বিবিসিএফ) কুষ্টিয়া টিমের সদস্যদের জানান।

সোমবার রাতে বন বিভাগ ও বিবিসিএফ'র যৌথ উদ্যোগে বনবিড়ালের ছানাগুলোকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে বিবিসিএফ ও বন বিভাগের সিদ্ধান্তে ৫টির মধ্যে সুস্থ দুটিকে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয় এবং আহত বনবিড়ালের তিনটি ছানাকে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় বন বিভাগ কুষ্টিয়ার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হামিদ, বাংলাদেশ জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন (বিবিসিএফ) কুষ্টিয়া টিমের সদস্য শাহাবউদ্দিন মিলন, পরিবেশকর্মী ও পাখি গবেষক এস আই সোহেল, নাব্বির আল নাফিজসহ বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

আল মামুন সাগর/এমএইচআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()