সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

কৃষকের জালে আটকা পড়লো ৮ ফুট লম্বা অজগর

খাগড়াছড়ির হাচিনসনপুরে এক কৃষকের জালে প্রায় ৮ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি অজগর আটকা পড়েছে। পরে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করে।

পরিবেশ

খাগড়াছড়ির হাচিনসনপুরে এক কৃষকের জালে প্রায় ৮ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি অজগর আটকা পড়েছে। পরে বন বিভাগের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৯ জুন) সকালে দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের হাচিনসনপুর এলাকায় কৃষিকাজের সময় একটি জালে অজগরটি আটকা পড়ে। বিশাল আকৃতির সাপটি দেখে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও কেউ সেটিকে আঘাত করেননি। পরে বিষয়টি উপজেলা মেরুং রেঞ্জ অফিসে জানানো হয়।

মেরুং রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা জাফর উল্লাহর নেতৃত্বে বন বিভাগের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপদে অজগরটি উদ্ধার করে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, উদ্ধার হওয়া অজগরটি সুস্থ রয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে সাপটিকে তার প্রাকৃতিক আবাসস্থল পাহাড়ের গহিন জঙ্গলে অবমুক্ত করার জন্য নিয়ে যাওয়া হবে।

এ সময় বন বিভাগের পক্ষ থেকে স্থানীয়দের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে এলে আতঙ্কিত না হয়ে এবং প্রাণীর ক্ষতি না করে দ্রুত বন বিভাগকে খবর দিতে হবে। এতে প্রাণী ও মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

প্রবীর সুমন/এফএ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()