সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

কৃষিকাজ কেন কোথায় কীভাবে করবেন

তনুশ্রী গাইন প্রিয়াঙ্কা

পরিবেশ

তনুশ্রী গাইন প্রিয়াঙ্কা

প্রাচীনকালে মানুষ কৃষির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল। ফলে গাছ থেকে সরাসরি খাদ্য সংগ্রহ করে প্রস্তুত করতো। আজও কৃষির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত আছেন কিছু মানুষ। তবে কৃষিকাজ করলেই হয় না। জানতে হয় কৃষিকাজের নিয়মকানুন।

ফ্রেশ খাবারের জন্য কৃষির বিকল্প নেই। ফ্রেশ খাবারের ফলে সুস্থভাবে বেঁচে থাকা যায়। তাছাড়া মানসিক স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে। ইতিবাচক থাকা যায়। প্রকৃতিকে আলিঙ্গন করার সুযোগ হয়। তাই কৃষির বিকল্প নেই।

বাড়ির পরিত্যক্ত জমি, বেলকনি অথবা ছাদে কৃষিকাজ করলে মন্দ হয় না। বরং মাটির রঙে মাটির কাছাকাছি থাকার সৌভাগ্য হয় এবং সময়কে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা যায়।

প্রথমে ঢাকনাসহ বালতি সংগ্রহ করতে হবে। তারপর ঝুরঝুরে শুকনা মাটি, শুকনো গোবর, ডিমের খোসা গুঁড়া, পরিমাণমতো পাতা পোড়া ছাই, কাঠের গুঁড়া এবং সবজির খোসা সংগ্রহ করতে হবে। বালতিতে সবজির খোসা, মাটি, শুকনো গোবর, পুনরায় মাটি, ডিমের খোসা গুঁড়া, পাতা পোড়া ছাই এবং কাঠের গুঁড়া পর্যায়ক্রমে বালতিতে রেখে একমাস ঢাকনা দিয়ে বালতির মুখ বন্ধ করে দিতে হবে। একমাস পর সবকিছু পচে ঘরোয়া পদ্ধতিতে জৈব সার তৈরি হবে। ওই জৈব সার রোদে ভালোমতো শুকিয়ে, চালনা বিশিষ্ট পাত্র দিয়ে খাঁটি জৈব সার সংগ্রহ করতে হবে।ঘরোয়া পদ্ধতিতে এই জৈব সারে সবজি গাছ লাগালে বাজারের সার ছাড়াই বেশি ফলন পাওয়া যায়।

১ লিটার বিশিষ্ট পাত্রে পরিষ্কার পানি এবং সবজির খোসা পনেরো দিন ভিজিয়ে রাখতে হবে। পাত্রের ঢাকনা অবশ্যই বন্ধ করে দিতে হবে। পনেরো দিন পর সবজির খোসা পচে তরল সার তৈরি হবে। প্রতিদিন সকালে ৫ লিটার বিশিষ্ট বালতিতে পরিষ্কার পানির সাথে ৩০০ থেকে ৫০০ মিলিমিটার তরল সার মিশিয়ে গাছে দেবেন। এতে গাছ আশানুরূপ ফলন দেবে।

কৃষিকাজের ফলাফল সব সময় ইতিবাচক। যেমন আপনি বাড়িতে বসে বেগুন, শসা, মিষ্টি কুমড়া, লাউ কিংবা পুইশাক চাষ করলে বাজারের বাড়তি খরচ থেকে মুক্তি পাবেন। কোনোরকম দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছাড়া ভেজালমুক্ত তরতাজা খাবার পাবেন। ফলে সারাজীবন রোগমুক্ত থাকতে পারবেন।

লেখক: মাস্টার্স (ব্যবস্থাপনা), সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()