সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

কক্সবাজারে আবারো বন্যহাতির মৃত্যু

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে পাহাড়ি এলাকা থেকে আবারো একটি বন্যহাতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিবেশ

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে পাহাড়ি এলাকা থেকে আবারো একটি বন্যহাতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার ইসলামবাদের গজালিয়া সংলগ্ন সাতঘরিয়া পাড়ার একটি ঝিরি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. আনোয়ার হোসেন সরকার।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সকাল ৭টার দিকে একদল কাঠুরিয়া লাকড়ি সংগ্রহ করতে যাওয়ার পথে পাহাড়ের পাদদেশের আড়াই ফুট গভীরে একটি ঝিরিতে হাতিটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। খবর পেয়ে দুপুরে মরদেহটি উদ্ধার করে বনবিভাগ।

ফুলছড়ি বিটের অধীন রাজঘাট বিট কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, মৃত হাতিটি পুরুষ এবং এটির বয়স আনুমানিক দেড় থেকে দুবছরের মতো হবে। এটি দৈর্ঘ্যে ৭ ফুট, প্রস্থ ৫ ফুট এবং শুঁড় আড়াই ফুট।

ফুলছড়ির রেঞ্জ কর্মকর্তা ফারুক আহমদ বাবুল জাগো নিউজকে বলেন, ঢাল বেয়ে নিচে নামার সময় পা পিছলে পড়ে হাতিটির মৃত্যু হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

ফুলছড়ির এসিএফ ড. প্রান্তোষ চন্দ্র রায় জাগো নিউজকে বলেন, কক্সবাজার সদর উপজেলা থেকে প্রাণি সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা এসেছেন। তারা জানান হাতিটির গায়ে ক্ষতচিহ্ন আছে। ময়নাতদন্ত শেষে হাতিটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এর আগে ১২ নভেম্বর কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের চকরিয়ায় একটি হাতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর মাস তিনেক আগে ফুলছড়ির গজালিয়া এলাকায় পাহাড় থেকে ঝিরিতে পড়ে আরও একটি হাতি মারা যায়।

সায়ীদ আলমগীর/এসজে/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()