সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বন্ধ জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়

অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। একের পর এক সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় জেলার সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে দীঘিনালা লংগদু ও দী

পরিবেশ

অব্যাহত ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। একের পর এক সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় জেলার সঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে দীঘিনালা লংগদু ও দীঘিনালা সাজেক সড়কে সরাসরি যান চলাচল বন্ধ।

সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকেরা। গত দুই দিন ধরে প্রায় ৫ শতাধিক পর্যটক সেখানে আটকা পড়ে আছেন। সাজেক সড়কের কবাখালী, সীমানাছড়া, মাচালং বাজার ও বাঘাইহাট বাজার এলাকায় সড়কের ওপর দিয়ে প্রবল স্রোতে পানি প্রবাহিত হওয়ায় কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। সড়কের পানি না নামলে আজও পর্যটকদের সাজেকেই অবস্থান করতে হবে।

স্থানীয় প্রশাসন জানায়, চেঙ্গী নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও মাইনী নদীর পানি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে দীঘিনালা উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনো জলাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

বন্যার কারণে উপজেলার ২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় তিন হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া প্রায় আট হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার পরিবার। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন জেলার বিভিন্ন স্থানে ১৩৫টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে।

এদিকে, জেলার বিভিন্ন এলাকার পাড়া-মহল্লা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হওয়ায় বহু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ এবং শিক্ষাকার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নদীর পানি বৃদ্ধি এবং পাহাড় ধসের আশঙ্কা থাকায় প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, 'চলমান বন্যা পরিস্থিতির কারণে অনেক বিদ্যালয়ে পানি উঠেছে এবং আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়াও বৈরী আবহাওয়ার কারণে জেলার সব বিদ্যালয় এক দিনের জন্য বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, 'জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নদীর পানি বৃদ্ধি এবং পাহাড় ধসের আশঙ্কা থাকায় প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার জন্য কাজ করছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন।'

প্রবীর সুমন/কেজে/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()