সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

কাঠঠোকরা পাখির অজানা কাহিনি

সানজানা রহমান যুথী

পরিবেশ

সানজানা রহমান যুথী

আমাদের প্রকৃতিতে এমনও অনেক বিস্ময়কর পাখি আছে, যারা খুব সহজেই কঠিন কাজ করে ফেলে। বলছিলাম কাঠঠোকরা পাখির কথা। এরা মিনিটে একশ বারেরও বেশি ঠোকরাতে পারে। আর দিনে প্রায় আট থেকে দশ হাজারেরও বেশি গাছ ঠোকরায়। তবে সর্বশক্তি দিয়ে কাঠ ঠোকরালেও এদের মস্তিষ্কে কোনো ক্ষতি হয় না। ক্ষতি না হওয়ার অন্যতম কারণ হলো এদের জিহ্বা। এদের জিহ্বা অবিশ্বাস্য রকমের লম্বা হয়। কখনো কখনো ঠোঁটের প্রায় দ্বিগুণ।

সবচেয়ে চমকপ্রদ তথ্য হলো, কাঠঠোকরা পাখির জিহ্বা মস্তিষ্কের পেছনের দিকে পেঁচানো থাকে। মাথার পেছন ঘুরে আবার তা সামনে চলে আসে। মূলত এই জিহ্বাই কাঠঠোকরা পাখির মাথায় সিট বেল্টের মতো কাজ করে। অর্থাৎ যখন কাঠঠোকরা পাখি গাছে আঘাত করে; তখন তাদের মাথায় বিপরীত প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। সেই প্রতিক্রিয়া কাঠঠোকরার জিহ্বা শোষণ করে নেয়। ঠোকরানোর সময় তার মস্তিষ্কের ওপর চাপ কমিয়ে দেয়।

কাঠঠোকরা পাখির কাঠ ঠোকরানোর অন্যতম কারণ হলো খাদ্য সংগ্রহ করা। এরা গাছের ভেতরে থাকা পোকা খেয়ে বেঁচে থাকে। এজন্যই কাঠঠোকরাকে গাছের ডাক্তার পাখি বলা হয়। কারণ এরা গাছের ভেতরে থাকা পোকামাকড় খেয়ে ফেলে, যা গাছের দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার জন্য সহায়ক।

আরও পড়ুনকেন হারিয়ে যাচ্ছে শকুনহাঁস কেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা পানিতে থাকে?

কাঠঠোকরা পাখি খাবারের খোঁজে গাছে ছোট ছোট করে ঠোকরায়। আর যদি বড় করে কোনো গাছে ঠোকরায়, তাহলে বুঝতে হবে এরা থাকার জন্য ঘর তৈরি করছে। মজার ব্যাপার হলো, এরা এক মৌসুমের বেশি এক বাসায় থাকে না। প্রতি মৌসুমে এরা নতুন করে ঘর তৈরি করে থাকে।

পুরাতন গাছের ঘরগুলোতে অন্য পাখি বসবাস করে। বাংলাদেশে বেশ কিছু প্রজাতির কাঠঠোকরা দেখা যায়। এদের মধ্যে বাংলা কাঠঠোকরা, বড় কাঠঠোকরা, মেটেটুপি কাঠঠোকরা, হিমালয়ী কাঠঠোকরা, হলদেচন্দি কাঠঠোকরা। কাঠঠোকরার বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আকার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। বর্ণিল দেহ, লম্বা ও শক্ত ঠোঁট আর পায়ের গড়ন—কাঠঠোকরাকে দিয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য।

শহরের কোলাহল এদের কাঠ ঠোকরানোর শব্দ তেমন শোনা না গেলেও গ্রামাঞ্চলে বেশ পরিচিত কাঠঠোকরা পাখি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, শহরের মতো গ্রামেও গাছের পরিমাণ কমে যাওয়ায় এ পাখির সংখ্যা এখন বিলুপ্তির পথে। তাই আমাদের এখনই কাঠঠোকরাসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি সংরক্ষণে বনায়ন করতে হবে। তবেই বাঁচবে পাখি, বাঁচবে প্রকৃতি।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()