সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

জাতীয় বৃক্ষমেলা কেবল সাময়িক মেলা নয়, এটি জাতীয় আন্দোলন: পরিবেশমন্ত্রী

জাতীয় বৃক্ষমেলা কেবল চারা কেনাবেচার সাময়িক মেলা নয়, এটি এক জাতীয় আন্দোলন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

পরিবেশ

জাতীয় বৃক্ষমেলা কেবল চারা কেনাবেচার সাময়িক মেলা নয়, এটি এক জাতীয় আন্দোলন বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

তিনি বলেন, 'এই মেলা কেবল চারা ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো সাময়িক মেলা ছিল না। এটি ছিল এক জাতীয় আন্দোলন, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এক নিরাপদ, সুন্দর ও সফল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার।'

রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বন ভবনে জাতীয় বৃক্ষমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম।

এবারের জাতীয় বৃক্ষমেলায় মানুষের ব্যাপক সাড়া পাওয়ার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'দেশের সর্বস্তরের জনগণের অভূতপূর্ব সাড়া আমাদের অভিভূত করেছে। এবারের মেলায় অংশগ্রহণ করেছিল মোট ৭০টি নার্সারি। মাসব্যাপী এই মেলায় ঢাকা শহরের সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সবুজপ্রেমী মানুষ প্রায় ১৬ লাখ চারা কিনেছেন।'

'এই পরিসংখ্যান ও মেলা প্রমাণ করে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ এখন পরিবেশ সচেতন। প্রায় ১৬ লাখ চারার এই বিক্রি প্রমাণ করে, আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ, ক্ষুদ্র নার্সারি উদ্যোক্তা ও তরুণ সমাজ সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রস্তুত,' যোগ করেন আবদুল আউয়াল মিন্টু।

সামাজিক বনায়নের সাফল্য তুলে ধরে তিনি জানান, সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে বন অধিদপ্তর আজ দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে এক বিপ্লব ঘটিয়েছে। এ পর্যন্ত সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে ১ লাখ ১৭ হাজার হেক্টরের বেশি ব্লক ও ৮২ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি স্ট্রিপ বাগান করা হয়েছে। এতে প্রায় আট লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ অংশীদার হয়েছেন, যার বিশাল অংশ নারী। বনায়ন থেকে অর্জিত কাঠের অর্থ সাধারণ অংশীদারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

বৃক্ষমেলা শেষ হলেও বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যার কাজ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, 'বৃক্ষমেলা ২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাবে আজ শেষ হলেও, আমাদের দায়িত্ব কিন্তু শেষ হয়ে যায়নি। বরং আসল কাজ মাত্র শুরু। আমরা আশা করি, এই মেলা থেকে আমরা যে চারা কিনে নিয়ে যাচ্ছি, তা পরম মমতায় রোপণ এবং তার নিয়মিত চর্চা ও পরিচর্যা করবো।'

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, 'দেশের প্রতিটি পরিবার, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রতিটি তরুণ ও যুব সংগঠন যদি অন্তত একটি করে বৃক্ষরোপণ এবং যথাযথভাবে পরিচর্যা করে, তাহলে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের বৃক্ষ আচ্ছাদন ২৭ শতাংশে উন্নীত করার যে লক্ষ্যমাত্রা আমরা নির্ধারণ করেছি, তা নির্ধারিত সময়ের আগেই অর্জিত হবে।'

অনুষ্ঠানে জাতীয় বৃক্ষরোপণ পুরস্কার, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিশেষ অবদান এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানান মন্ত্রী।

ইএইচটি/একিউএফ

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()