সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিতে ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল

দেশের হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি খাতকে আরও শক্তিশালী করা, রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণ বাড়াতে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রাক-অর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত এ তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবেন।

এগ্রোবিজ

দেশের হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি খাতকে আরও শক্তিশালী করা, রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনা এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণ বাড়াতে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রাক-অর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে গঠিত এ তহবিল থেকে উদ্যোক্তারা সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে পারবেন।

রোববার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা এক সার্কুলারে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারকদের দীর্ঘ সময় ধরে অর্থ আটকে থাকা, পণ্য মজুত ও সংরক্ষণে বাড়তি ব্যয়, কোল্ড-চেইন ব্যবস্থাপনার উচ্চ খরচ এবং তুলনামূলক কম সুদে অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলা করে খাতটির সক্ষমতা বাড়াতেই নতুন এ অর্থায়ন সুবিধা চালু করা হয়েছে।

তহবিলের আওতায় দেশের সব তফসিলি ব্যাংক অংশগ্রহণ করতে পারবে। সম্পূর্ণ নতুন কারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ সর্বোচ্চ সাত বছর মেয়াদে ঋণ পাবেন। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদি ঋণ দেওয়া যাবে।

তবে নতুন কারখানা স্থাপনে প্রকল্পের মোট অর্থায়নে উদ্যোক্তার নিজস্ব মূলধনের অংশ থাকতে হবে। ঋণ ও মূলধনের অনুপাত সর্বোচ্চ ৭০:৩০ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদ্যমান হিমায়িত খাদ্য কারখানার সংস্কার, সম্প্রসারণ কিংবা আধুনিকায়নের জন্য সর্বোচ্চ ২০ কোটি টাকা পর্যন্ত মেয়াদি ঋণ নেওয়া যাবে। এ ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর, যার মধ্যে এক বছর গ্রেস পিরিয়ড থাকবে।

এ ক্ষেত্রেও প্রকল্পের ঋণ ও উদ্যোক্তার নিজস্ব মূলধনের অনুপাত সর্বোচ্চ ৭০:৩০ রাখা হয়েছে।

কাঁচামাল কেনা, শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ ইউটিলিটি বিল পরিশোধের জন্য চলতি মূলধন হিসেবে সর্বোচ্চ ২০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে।

এ ঋণের মেয়াদ হবে এক বছর। তবে সন্তোষজনক লেনদেনের রেকর্ড থাকলে আরও একবার নবায়নের সুযোগ থাকবে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এ ঋণ সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত বহাল রাখা যাবে।

পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সৌর প্যানেল স্থাপনে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের জন্য অতিরিক্ত ঋণের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা অথবা মূল প্রকল্প ব্যয়ের ৩০ শতাংশ—যেটি কম, সে পরিমাণ অর্থ অতিরিক্ত ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই তহবিল থেকে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো ৪ শতাংশ সুদে প্রাক-অর্থায়ন সুবিধা পাবে। আর গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এতে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক কম খরচে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সুযোগ পাবে।

চলতি মূলধনের সংকটে যেসব হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আংশিক বা পুরোপুরি উৎপাদন বন্ধ রেখেছে, তাদের এ তহবিলের ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে বলা হয়েছে।

তবে কোনো ঋণখেলাপি উদ্যোক্তা এ সুবিধা পাবেন না। একই খাতে যারা এরই মধ্যে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) অথবা রপ্তানি সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন তহবিল (ইএফপিএফ) থেকে অর্থায়ন নিচ্ছেন, তারাও একই খাতের জন্য নতুন এ তহবিল থেকে ঋণ নিতে পারবেন না।

তহবিলের অর্থ পেতে সংশ্লিষ্ট কারখানার মৎস্য অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ প্রয়োজনীয় সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও ছাড়পত্র থাকতে হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, তহবিলের বিশেষ শর্তগুলো যথাযথভাবে পরিপালন না করলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে এ তহবিল তো বটেই, বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্য কোনো তহবিল থেকেও ঋণ সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য বিবেচিত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের আশা, নতুন এ অর্থায়ন সুবিধার মাধ্যমে হিমায়িত খাদ্য খাতে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে, নতুন বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে এবং রপ্তানি বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের পরিধি আরও বিস্তৃত হবে। পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান ও ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।

ইএআর/এমআইএইচএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

এগ্রোবিজ

সম্পর্কিত খবর

মৎস্য

বরিশালে ইলিশের সরবরাহ দ্বিগুণ, মণে কমেছে ২০ হাজার টাকা

দীর্ঘদিনের চড়া দামের পর বরিশালের বাজারে ইলিশের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত কয়েক দিনে মোকামগুলোতে ইলিশের সরবরাহও প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর প্রভাবে পাইকারি বাজারে মণপ্রতি দাম কমেছে সর্বোচ্চ প্রায় ২০ হাজার টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
মৎস্য

২ কেজির ইলিশ বিক্রি হলো ৭ হাজার টাকায়

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলে সোহরাফ গাজীর জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় আকৃতির ইলিশ। মাছটি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে নিলামে প্রতি কেজি ৩ হাজার ৬২৫ টাকা দরে মোট ৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে, কৃষক পর্যায়ে দাম অপরিবর্তিত

দেশে সরকার নিযুক্ত সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে। সব ধরনের সারে প্রতি কেজিতে এক টাকা কমিশন বাড়িয়ে করা হচ্ছে তিন টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()