সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

হাতিরঝিলে যুবলীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

হাতিরঝিলে পুলিশ প্লাজার পেছনের প্লাটিনাম পার্কে সোমবার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করেছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ। এর মধ্য দিয়ে যুবলীগের দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযানের সূচনা করা হয়েছে।

পরিবেশ

হাতিরঝিলে পুলিশ প্লাজার পেছনের প্লাটিনাম পার্কে সোমবার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি করেছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ। এর মধ্য দিয়ে যুবলীগের দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযানের সূচনা করা হয়েছে।

ওই কর্মসূচিতে আরও অংশ নেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এ কে এম রহমত উল্লাহ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন, গত ৫ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও 'জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ২০২২' উদ্বোধন করেছেন।

'সুতরাং এটা শুধু একটা কর্মসূচি নয়, এটা বৃক্ষরোপণ অভিযান। আজকের এই উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যুবলীগের নেতাকর্মীরা প্রতিটি ওয়ার্ড/ইউনিয়ন/পৌরসভা/উপজেলা/জেলা ও মহানগরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।'

তিনি বলেন, এরই মধ্যে যুবলীগের অনেক শাখা বৃক্ষরোপণ শুরু করেছে স্বপ্রণোদিত হয়ে। আমি তাদের সাধুবাদ জানাই। এখনই বৃক্ষরোপণের উপযুক্ত সময়। আগামী প্রজন্মের টেকসই বাংলাদেশ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য বৃক্ষরোপণ, তথা উন্নত প্রাকৃতিক পরিবেশের কোনো বিকল্প নেই।

পরশ জানান, গত বছর প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে আমরা প্রায় ১ কোটি বৃক্ষরোপণ করে প্রশংসার দাবিদার হয়েছিলাম। প্রথম ১৫ দিনেই আমরা প্রায় ৩ লাখ বৃক্ষরোপণ করেছিলাম। এবারও আমরা প্রতি ১৫ দিন অন্তর কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে হাল নাগাদ তথ্য নেওয়া হবে কয়টি বৃক্ষ আমরা লাগালাম।

এসইউজে/এমআরএম/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()