সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

হাওরের বর্গা চাষিরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত: বাবর

হওরের বর্গা চাষিরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

পরিবেশ

হওরের বর্গা চাষিরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

শনিবার (৯ মে) বিকেলে মদনে উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের ফাতুনিয়া হাওর পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

বাবর বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরির দায়িত্ব প্রশাসনকে দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রশাসনের করা তালিকা গ্রহণযোগ্য নয়। এতে অতিরঞ্জন রয়েছে। প্রকৃত কৃষকেরা যাতে প্রণোদনা পান, সে জন্য তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে। ঈদের আগেই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে প্রণোদনা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

বাবর বলেন, তার এলাকায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এ জন্য পাঁচ বছরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

দুই দিনের সফরে তিনি নেত্রকোনা-৪ আসনের মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরি উপজেলার বিভিন্ন হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ সরেজমিনে দেখেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মদন উপজেলা বিএনপির সভাপতি নুরল আলম তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম আকন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক ও কাইটাইল ইউপি চেয়ারম্যান আবু তাহেরসহ অন্যরা।

এইচ এম কামাল/এএইচ/এমএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()