সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৮°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮২%বাতাস কিমি/ঘ

ঢাবিতে গ্রিন নেক্সাস কর্মসূচি সমাপ্ত, দেশীয় গাছ রোপণে গুরুত্ব

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদ ও আরবরিকালচার সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী 'ঢাকা ইউনিভার্সিটি গ্রিন নেক্সাস ২০২৬' কর্মসূচি শেষ হয়েছে।

পরিবেশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদ ও আরবরিকালচার সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী 'ঢাকা ইউনিভার্সিটি গ্রিন নেক্সাস ২০২৬' কর্মসূচি শেষ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সেন্ট্রাল গ্যালারিতে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদের প্রধান উপদেষ্টা ও আরবরিকালচার সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবদুল করিম, মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ এইচ এম জুলফিকার আলী, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আসফাক আহমদ এবং প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন হাওলাদার।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী ঢাকা শহরের ক্রমবর্ধমান দূষণ মোকাবিলায় দেশীয় প্রজাতির গাছ বেশি করে রোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, গাছের যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণও নিশ্চিত করতে হবে।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখতে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও আদর্শ ক্যাম্পাসে পরিণত করা সম্ভব।

উল্লেখ্য, পরিবেশকর্মী হিসেবে দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য ১০ জন শিক্ষার্থীকে অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করা হয়।আরটি/এমএএইচ/

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()