সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে প্রাণ গেলো কিশোরের

ঝিনাইদহে সাপের কামড়ে আরাফাত হোসেন (১৪) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দিবাগত মধ্যরাতে ঘুমন্ত ওই কিশোরকে বিষধর সাপে কামড় দেয়।

পরিবেশ

ঝিনাইদহে সাপের কামড়ে আরাফাত হোসেন (১৪) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দিবাগত মধ্যরাতে ঘুমন্ত ওই কিশোরকে বিষধর সাপে কামড় দেয়।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল ও সদর থানা এই তথ্য নিশ্চিত করে।

নিহত আরাফাত হোসেন সদর উপজেলার ঘোড়শাল ইউনিয়নের তালতলা পাড়ার হান্নান মুসল্লির ছেলে। সে ঘোড়শাল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানায়, রাতে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলো আরাফাত হোসেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে বিষধর সাপে ছোবল দেয়। এ সময় বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা তাকে স্থানীয় ওঝার কাছে নিয়ে যায়। সেখান থেকে বাড়ি ফিরলে রাত ৩টার দিকে আরাফাত হোসেন আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে।

পরে পরিবারের লোকজন তাকে নিয়ে ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হলে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, এ রকম কোনো খবর আমরা পাইনি। তবে এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এ ধরনের ঘটনায় সাধারণত অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়।

এম শাহাজান/কেজে/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()