সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

গাজার মাত্র ৩ শতাংশ ফসলি জমি এখন অক্ষত ও ব্যবহারযোগ্য

এফএও ও ইউএনওস্যাটের যৌথ স্যাটেলাইট মূল্যায়নে গাজার ব্যবহারযোগ্য ফসলি জমি ৪৪৮ হেক্টর, যা ২০২৫ সালের অক্টোবরে ছিল ৬০১ হেক্টর।

ফসল

গাজা উপত্যকার মাত্র ৩ শতাংশ ফসলি জমি এখন একই সঙ্গে ব্যবহারযোগ্য ও অক্ষত রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ও জাতিসংঘ স্যাটেলাইট সেন্টারের (ইউএনওস্যাট) যৌথ ভূস্থানিক মূল্যায়ন।

২০২৬ সালের ২৪ জুন পর্যন্ত গাজার ৪ হাজার ৯১ হেক্টর—অর্থাৎ মোট ফসলি জমির ২৭ শতাংশ—ব্যবহারযোগ্য ছিল; কিন্তু এর মধ্যে অক্ষত ছিল মাত্র ৪৪৮ হেক্টর। বাকি ৩ হাজার ৬৪৩ হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত, যেগুলোতে আবার চাষ শুরুর আগে সংস্কার দরকার। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ব্যবহারযোগ্য ও অক্ষত জমি ৬০১ হেক্টর থেকে কমে ৪৪৮ হেক্টরে নেমেছে—অর্থাৎ ১৫৩ হেক্টর বা ২৫.৫ শতাংশ হ্রাস; সবচেয়ে বেশি কমেছে দেইর আল-বালাহ ও খান ইউনিসে।

মূল্যায়নটি কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট: ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর জমি কমার প্রধান কারণ নতুন করে ক্ষয়ক্ষতি নয়, বরং প্রবেশাধিকার সংকুচিত হওয়া—মূলত যুদ্ধবিরতি এলাকা ও সামরিক নিয়ন্ত্রিত এলাকার মধ্যে বিভাজনরেখা ‘ইয়েলো লাইন’ পশ্চিম দিকে সম্প্রসারিত হওয়ায়। সবচেয়ে বেশি দুর্গম রাফা—সেখানে ৯৭.২ শতাংশ ফসলি জমি ও ৯৮.৪ শতাংশ গ্রিনহাউস এলাকায় ঢোকা যায় না; আর সবচেয়ে ব্যাপক ভৌত ক্ষতি এখনো উত্তর গাজা ও গাজা গভর্নরেটে কেন্দ্রীভূত।

গ্রিনহাউসের চিত্রও একই রকম। মূল্যায়নে দেখা গেছে, গ্রিনহাউস এলাকার ২২৪ হেক্টর বা ১৬.৬ শতাংশ ব্যবহারযোগ্য ও অক্ষত—২০২৫ সালের অক্টোবরে যা ছিল ২২৬ হেক্টর বা ১৭.৩ শতাংশ; সবচেয়ে বেশি কমেছে দেইর আল-বালাহতে।

এফএওর জরুরি ও সহনশীলতা দপ্তরের পরিচালক রেইন পলসেন বলেন, “সর্বশেষ এই মূল্যায়ন গাজার কৃষি খাতের ক্রমাগত অবনতির এক কঠিন চিত্র তুলে ধরেছে। কৃষিজমিতে প্রবেশাধিকার হারানোয় কৃষকের খাদ্য উৎপাদনের জায়গা আরও সংকুচিত হচ্ছে—এমনকি যেখানে কৃষি সম্পদ ভৌতভাবে অক্ষত আছে, সেখানেও। গাজার কৃষকেরা বারবার দেখিয়েছেন, জমি ও উপকরণ পাওয়া গেলে উৎপাদন সম্ভব।”

যে জমিতে পৌঁছানো যায়, সেখানেও চাষ কঠিন। অত্যাবশ্যক কৃষি উপকরণ আমদানি ও বিতরণে বিধিনিষেধের কারণে কৃষকেরা বীজ, সার, সেচযন্ত্র, জ্বালানিসহ উৎপাদন সামগ্রীর তীব্র সংকটে আছেন। গবাদিপশু পালনকারীরা গোখাদ্য, পশুচিকিৎসা সামগ্রী ও সেবা পেতে হিমশিম খাচ্ছেন; পশুপাল রক্ষা ও পুনরায় গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও উপকরণ আনার ক্ষেত্রে এফএওর সক্ষমতাও অনিয়মিত। যেসব উপকরণ পাওয়া যায়, সেগুলোর মান প্রায়ই কমে যাচ্ছে এবং দাম কৃষক পরিবারের নাগালের বাইরে।

২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘাত তীব্র হওয়ার আগে গাজার অর্থনীতির প্রায় ১০ শতাংশ ছিল কৃষি, আর ফসল উৎপাদন, পশুপালন ও মাছ ধরার মাধ্যমে ৫ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষের জীবিকা নির্ভর করত এর ওপর।

গাজায় কৃষি উৎপাদন ফেরাতে জরুরি ও ধারাবাহিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে এফএও—কৃষকের জন্য নিজের জমিতে নিরাপদ প্রবেশাধিকার, দ্বৈত-ব্যবহারবহির্ভূত পণ্যের বাণিজ্যিক আমদানিসহ অত্যাবশ্যক কৃষি উপকরণ প্রবেশের সুযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত জমির সংস্কার। সংস্থাটির সতর্কবার্তা, এসব না হলে স্থানীয়ভাবে খাদ্য উৎপাদন ফেরানোর সুযোগ আরও সংকুচিত হতে থাকবে।

সূত্র: এফএও নিউজরুম

এফএও নিউজরুমদা এগ্রো নিউজ

ফসল

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
এগ্রোবিজ

সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে, কৃষক পর্যায়ে দাম অপরিবর্তিত

দেশে সরকার নিযুক্ত সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে। সব ধরনের সারে প্রতি কেজিতে এক টাকা কমিশন বাড়িয়ে করা হচ্ছে তিন টাকা।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()