সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮+০.০%আদা - আমদানিকৃত১৬৭+০.০%আদা - দেশী১৫৪+০.০%আমন চাল - মাঝারি৫৬+০.০%আমন চাল - মোটা৪৮+০.০%আমন চাল - সরু৭২+০.০%আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২+০.০%কাঁচা মরিচ২১৮+০.০%খামারের মুরগী১৬২+০.০%খাসী৯০০+০.০%চিনি (দেশী)১৩২+০.০%ছোলা - গোটা৮৫+০.০%ডিম ফার্ম - লাল৪৭+০.০%পেঁয়াজ - দেশী৬০+০.০%বোরো চাল - মাঝারি৫৫+০.০%বোরো চাল - মোটা৪৭+০.০%বোরো চাল - সরু৬৬+০.০%মাংসঃ– গরু৭২৯+০.০%মুগ ডাল১২২+০.০%রসুন - আমদানিকৃত১৯২+০.০%রসুন - দেশী১৭৩+০.০%সয়াবিন তেল১৬৩+০.০%
হালনাগাদ ১ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকা৩২°বৃষ্টির সম্ভাবনাআর্দ্রতা ৫৩%বাতাস ৬ কিমি/ঘবৃষ্টি ০.৬ মিমি

গাজার মাত্র ৩ শতাংশ ফসলি জমি এখন অক্ষত ও ব্যবহারযোগ্য

এফএও ও ইউএনওস্যাটের যৌথ স্যাটেলাইট মূল্যায়নে গাজার ব্যবহারযোগ্য ফসলি জমি ৪৪৮ হেক্টর, যা ২০২৫ সালের অক্টোবরে ছিল ৬০১ হেক্টর।

গাজা উপত্যকার মাত্র ৩ শতাংশ ফসলি জমি এখন একই সঙ্গে ব্যবহারযোগ্য ও অক্ষত রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ও জাতিসংঘ স্যাটেলাইট সেন্টারের (ইউএনওস্যাট) যৌথ ভূস্থানিক মূল্যায়ন।

২০২৬ সালের ২৪ জুন পর্যন্ত গাজার ৪ হাজার ৯১ হেক্টর, অর্থাৎ মোট ফসলি জমির ২৭ শতাংশ, ব্যবহারযোগ্য ছিল; কিন্তু এর মধ্যে অক্ষত ছিল মাত্র ৪৪৮ হেক্টর। বাকি ৩ হাজার ৬৪৩ হেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত, যেগুলোতে আবার চাষ শুরুর আগে সংস্কার দরকার। ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ব্যবহারযোগ্য ও অক্ষত জমি ৬০১ হেক্টর থেকে কমে ৪৪৮ হেক্টরে নেমেছে, অর্থাৎ ১৫৩ হেক্টর বা ২৫.৫ শতাংশ হ্রাস; সবচেয়ে বেশি কমেছে দেইর আল-বালাহ ও খান ইউনিসে।

মূল্যায়নটি কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট: ২০২৫ সালের অক্টোবরের পর জমি কমার প্রধান কারণ নতুন করে ক্ষয়ক্ষতি নয়, বরং প্রবেশাধিকার সংকুচিত হওয়া, মূলত যুদ্ধবিরতি এলাকা ও সামরিক নিয়ন্ত্রিত এলাকার মধ্যে বিভাজনরেখা ‘ইয়েলো লাইন’ পশ্চিম দিকে সম্প্রসারিত হওয়ায়। সবচেয়ে বেশি দুর্গম রাফা, সেখানে ৯৭.২ শতাংশ ফসলি জমি ও ৯৮.৪ শতাংশ গ্রিনহাউস এলাকায় ঢোকা যায় না; আর সবচেয়ে ব্যাপক ভৌত ক্ষতি এখনো উত্তর গাজা ও গাজা গভর্নরেটে কেন্দ্রীভূত।

গ্রিনহাউসের চিত্রও একই রকম। মূল্যায়নে দেখা গেছে, গ্রিনহাউস এলাকার ২২৪ হেক্টর বা ১৬.৬ শতাংশ ব্যবহারযোগ্য ও অক্ষত, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যা ছিল ২২৬ হেক্টর বা ১৭.৩ শতাংশ; সবচেয়ে বেশি কমেছে দেইর আল-বালাহতে।

এফএওর জরুরি ও সহনশীলতা দপ্তরের পরিচালক রেইন পলসেন বলেন, “সর্বশেষ এই মূল্যায়ন গাজার কৃষি খাতের ক্রমাগত অবনতির এক কঠিন চিত্র তুলে ধরেছে। কৃষিজমিতে প্রবেশাধিকার হারানোয় কৃষকের খাদ্য উৎপাদনের জায়গা আরও সংকুচিত হচ্ছে, এমনকি যেখানে কৃষি সম্পদ ভৌতভাবে অক্ষত আছে, সেখানেও। গাজার কৃষকেরা বারবার দেখিয়েছেন, জমি ও উপকরণ পাওয়া গেলে উৎপাদন সম্ভব।”

যে জমিতে পৌঁছানো যায়, সেখানেও চাষ কঠিন। অত্যাবশ্যক কৃষি উপকরণ আমদানি ও বিতরণে বিধিনিষেধের কারণে কৃষকেরা বীজ, সার, সেচযন্ত্র, জ্বালানিসহ উৎপাদন সামগ্রীর তীব্র সংকটে আছেন। গবাদিপশু পালনকারীরা গোখাদ্য, পশুচিকিৎসা সামগ্রী ও সেবা পেতে হিমশিম খাচ্ছেন; পশুপাল রক্ষা ও পুনরায় গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও উপকরণ আনার ক্ষেত্রে এফএওর সক্ষমতাও অনিয়মিত। যেসব উপকরণ পাওয়া যায়, সেগুলোর মান প্রায়ই কমে যাচ্ছে এবং দাম কৃষক পরিবারের নাগালের বাইরে।

২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘাত তীব্র হওয়ার আগে গাজার অর্থনীতির প্রায় ১০ শতাংশ ছিল কৃষি, আর ফসল উৎপাদন, পশুপালন ও মাছ ধরার মাধ্যমে ৫ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষের জীবিকা নির্ভর করত এর ওপর।

গাজায় কৃষি উৎপাদন ফেরাতে জরুরি ও ধারাবাহিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে এফএও, কৃষকের জন্য নিজের জমিতে নিরাপদ প্রবেশাধিকার, দ্বৈত-ব্যবহারবহির্ভূত পণ্যের বাণিজ্যিক আমদানিসহ অত্যাবশ্যক কৃষি উপকরণ প্রবেশের সুযোগ এবং ক্ষতিগ্রস্ত জমির সংস্কার। সংস্থাটির সতর্কবার্তা, এসব না হলে স্থানীয়ভাবে খাদ্য উৎপাদন ফেরানোর সুযোগ আরও সংকুচিত হতে থাকবে।

সূত্র: এফএও নিউজরুম

এফএও নিউজরুমসূত্র

ফসল

সম্পর্কিত খবর

বাংলাদেশ

AEZ-০৭: সক্রিয় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা প্লাবনভূমি, যেখানে নদী জমি গড়ে আবার কেড়েও নেয়

নদীভাঙন, নতুন চর, বালু-পলির মাটি আর অনিশ্চিত বন্যার মৌসুম। কুড়িগ্রাম থেকে মানিকগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১৯ হাজার হেক্টরের এই অঞ্চলে কৃষিকে টেকসই করতে দরকার জমিভিত্তিক তথ্য, উপগ্রহচিত্রের পর্যবেক্ষণ আর সময়মতো পরিকল্পনা।

তানিয়া চৌধুরী১ নভেম্বর ২০২৬১৩ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

বরেন্দ্রে বছরে ০.৬ মিটার পর্যন্ত নামছে পানির স্তর, সমন্বিত পানিনীতির দাবি

রাজশাহীতে নীতি সংলাপে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রতিনিধিরা ভূগর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ভূ-উপরিস্থ পানি, খাল-বিল সংস্কার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও কম পানির ফসলের ওপর জোর দিয়েছেন।

বাসস১ নভেম্বর ২০২৬২ মিনিটের পড়া
জৈব

প্রাকৃতিক কৃষিচর্চায় পাবনায় আট কৃষক ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা

নিরাপদ খাদ্য ও পরিবেশবান্ধব কৃষিতে অবদানের জন্য পাবনার আমিনপুরে বিকে ফাউন্ডেশন আটজন কৃষক ও প্রতিষ্ঠানকে অর্থ পুরস্কার ও ক্রেস্ট দিয়েছে।

এগ্রিকেয়ার২৪১ নভেম্বর ২০২৬১ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

(০)