সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

গাছ লাগানো, পানি-বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বার্তা নিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের লিফলেট

পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স।

পরিবেশ

পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেছেন ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার চত্বর থেকে এ কর্মসূচি শুরু হয়ে হাকিম চত্বর, কলা অনুষদ ভবন, ক্যাম্পাস শ্যাডো, বিজনেস ফ্যাকাল্টি, মল চত্বর, রেজিস্ট্রার বিল্ডিং এলাকা ও ভিসি চত্বর হয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ চত্বরে এসে শেষ করা হয়।

ছাত্রনেতা প্রিন্সের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচ্ছন্নতা, বৃক্ষরোপণ, শক্তি ও পানি সাশ্রয় এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার বিষয়ে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা এসব লিফলেটে, 'আমাদের বাংলাদেশ, আমরাই গড়বো'-এই প্রত্যয়ে দৈনন্দিন জীবনের ছোট-ছোট অভ্যাসের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন, সবুজ, সুন্দর ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

লিফলেটে পরিবেশ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলা, শনিবার বা সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজের বসবাসের আশপাশ পরিচ্ছন্ন করা, পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক পরিহার এবং পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি বাসা-বাড়ির বর্জ্য যথাযথভাবে পৃথকীকরণ ও ব্যবস্থাপনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

বৃক্ষরোপণ ও প্রাণ-প্রকৃতি সংরক্ষণে প্রতিটি পরিবারকে অন্তত একটি করে বৃক্ষরোপণ, রাস্তার ধারে, মাদরাসা-স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও পতিত জমিতে বৃক্ষরোপণে অংশ নেওয়া, গাছ কাটার পরিবর্তে প্রয়োজন অনুযায়ী অন্তত দুটি গাছ রোপণ এবং পোষা প্রাণী-পাখিসহ অন্যান্য জীবের প্রতি সদয় হওয়া ও উপযোগী পরিবেশ তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নদী-নালা, খাল-বিল ও জলাশয় দূষণমুক্ত রাখার বিষয়েও সচেতন করা হয়।

এছাড়া বিদ্যুৎ ও পানি সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে দিনের বেলা অপ্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার না করা, সম্ভব হলে প্রাকৃতিক আলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং অপ্রয়োজনীয় পানি অপচয় রোধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শৃঙ্খলা-সৌন্দর্য-স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলা, প্রতিবেশীর সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা, বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানো, সরকারি ও সামাজিক সম্পদ রক্ষায় সচেতন থাকা এবং প্রতিদিন অন্তত একটি ভালো কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত হবে এবং মানুষ পরিবেশ ও প্রাণ-প্রকৃতির প্রতি দায়িত্বশীল ও যত্নবান হবে। একটি সবুজ-সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; প্রত্যেক নাগরিককে নিজ-নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

কর্মসূচির আয়োজক মিনহাজ আহমেদ প্রিন্সের বিতরণ করা লিফলেটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি বাণী-'করবো কাজ, গড়বো দেশ- সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ' তুলে ধরে দেশের ও জনগণের জন্য নাগরিকদের সম্মিলিত প্রয়াসকে উৎসাহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী নেতা-কর্মীরা।

কর্মসূচিতে ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও হল শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

আরটি/এমআইএইচএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()