সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

এক মাস পর আবারও তেঁতুল গাছের মগডালে ‌সাজেদা

এক মাসের ব্যবধানে আবারেও তেঁতুল গাছের মগডালে উঠে আলোচনার এসেছেন কুড়িগ্রামের উলিপুরের বাসিন্দা সাজেদা বেগম (৫০)।

পরিবেশ

এক মাসের ব্যবধানে আবারেও তেঁতুল গাছের মগডালে উঠে আলোচনার এসেছেন কুড়িগ্রামের উলিপুরের বাসিন্দা সাজেদা বেগম (৫০)।

সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলার গোড়াই আনন্দবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটলে তাকে দেখতে জড়ো হন শত শত উৎসুক জনতা।

স্থানীয়রা জানান, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ের তেঁতুল গাছের মগডালে বসে থাকতে দেখা যায় সাজেদা বেগমকে। এসময় খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ সেখানে ভিড় করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গাছের নিচে মানুষের জটলা দেখে সাজেদা ধীরে ধীরে ডাল বেয়ে নিচে নামতে থাকেন। একপর্যায়ে গাছ থেকে নেমে সরাসরি পাশের পুকুরে লাফ দেন। বুকসমান পানি অতিক্রম করে পাড়ে উঠে স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলে যান।

পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি মাঝেমধ্যেই এমন অস্বাভাবিক আচরণ করেন। তাদের বিশ্বাস, কোনো অদৃশ্য প্রভাব বা মানসিক অস্থিরতার কারণেই তিনি এ ধরনের কাজ করেন।

স্বামী আবু সাঈদ জানান, সাজেদা দীর্ঘ‌দিন ধরেই নানা রোগে ভুগছেন। চি‌কিৎসরাও সু‌নির্দিষ্ট করে কোনো রোগ নির্ণয় করতে পারেন‌নি। গত চার বছর ধরে তিনি এমন অস্বাভা‌বিক আচরণ করছেন।

এর আগেও গত ৬ মে একই এলাকায় একদিন নিখোঁজ থাকার পর ওই তেঁতুল গাছের মগডাল থেকেই তার সন্ধান পাওয়া যায়। সেসময় খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে নিরাপদে নামিয়ে আনার চেষ্টা করেন। তবে উদ্ধারকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি নিজেই নিচে নেমে পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন।

রোকনুজ্জামান মানু/এসআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()