সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

ধানখেত থেকে অজগর উদ্ধার

মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওর থেকে একটি অজগর উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। রোববার (২ আগস্ট) সকালে সাপটি উদ্ধার করা হয়।

পরিবেশ

মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলের হাইল হাওর থেকে একটি অজগর উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। রোববার (২ আগস্ট) সকালে সাপটি উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, শ্রীমঙ্গল হাইল হাওরে ধান রোপণের জন্য জমি পরিষ্কারের সময় হঠাৎ একটি সাপ দেখতে পান স্থানীয় কৃষক। সাপটি দেখতে পেয়ে উদ্ধার করার জন্য বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কারও নম্বর না পাওয়ায় সাপটিকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন।

পরবর্তীতে মুহিবুর রহমান নামক এক ব্যক্তি সাপটিকে না মারার জন্য সবাইকে অনুরোধ করেন। এরপর বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের নম্বর সংগ্রহ করে তিনি বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশ কর্মী রাজদীপ দেব দীপ অজগরটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে সাপটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

শ্রীমঙ্গল বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাপটি বনে অবমুক্ত করা হবে।

মাহিদুল ইসলাম/কেজে/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()