সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

ঢাকার তাপমাত্রা সহনীয় রাখতে দুই লাখ গাছ লাগাবেন মেয়র আতিক

তাপমাত্রা সহনীয় রাখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় আগামী দুই বছরে দুই লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা দিয়েছেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

পরিবেশ

তাপমাত্রা সহনীয় রাখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় আগামী দুই বছরে দুই লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা দিয়েছেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গ্রামের তুলনায় ঢাকায় তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। তাই আমরা আসন্ন বর্ষা মৌসুম থেকে আগামী দুই বছরে দুই লাখ গাছ লাগাবো।

বুধবার (৩ মে) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ডিএনসিসি ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অ্যাডিয়েশন আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশনের সমঝোতা চুক্তি অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ঢাকা শহরের তাপমাত্রা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। দাবদাহের ফলে শহরের মানুষের জীবন-জীবিকা আজ হুমকিতে। মানুষের কর্মক্ষমতা কমে যাচ্ছে, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। শ্রমজীবী মানুষের কর্মঘণ্টা কমে যাওয়ায় আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। আশা করছি, ডিএনসিসি এবং আরশট-রকের যৌথ উদ্যোগ তামমাত্রা কমানোর মাধ্যমে একটি নিরাপদ ও শীতল ঢাকা গড়তে সক্ষম হবো।

তিনি বলেন, কাউন্সিলরসহ সব কমিউনিটির সহযোগিতায় এসব গাছ লাগাতে চাই। এসব গাছ বেড়ে ওঠার ক্ষেত্রে আমি নগরবাসীর সাহায্য চাই, মহল্লার সাহায্য চাই, স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, মসজিদের ইমামসহ সবার সাহায্য চাই। কারণ গাছগুলো লাগানোর পর তা যেন কেউ ভেঙে না দেয়। সেগুলোর যেন যত্ন করি, ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলি।

এমএমএ/কেএসআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()