সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো বিদেশি নটো ক্যাকটাসে ফুল

মাদারীপুরের হর্টিকালচার সেন্টারে ঢুকতেই চোখে পড়বে নানা রঙের, নানা ধরনের বিচিত্র কাঁটায় ভরা ক্যাকটাস। সেখানে গড়ে তোলা ক্যাকটাস কর্নারে ২২৫ ধরের ক্যাকটাস রয়েছে। সেই নানা ক্যাকটাসের মধ্যে সম্প্রতি নটো ক্যাকটাসে ফুল ফুলেছে, যা বাংলাদেশে এই প্রথম বলে দাবি হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালকের। থাইল্যান্ড থেক

ফুল

মাদারীপুরের হর্টিকালচার সেন্টারে ঢুকতেই চোখে পড়বে নানা রঙের, নানা ধরনের বিচিত্র কাঁটায় ভরা ক্যাকটাস। সেখানে গড়ে তোলা ক্যাকটাস কর্নারে ২২৫ ধরের ক্যাকটাস রয়েছে। সেই নানা ক্যাকটাসের মধ্যে সম্প্রতি নটো ক্যাকটাসে ফুল ফুলেছে, যা বাংলাদেশে এই প্রথম বলে দাবি হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালকের। থাইল্যান্ড থেকে সংগ্রহ করা এই নটো ক্যাকটাসের ফুল দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন গাছপ্রেমীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর বড় ব্রিজ এলাকায় অবস্থিত মাদারীপুর হর্টিকালচার সেন্টার। হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক কৃষিবিদ আশুতোষ কুমার বিশ্বাস প্রথমে তার ব্যক্তি উদ্যোগে ক্যাকটাস সংগ্রহ শুরু করেন। এরপর ক্যাকটাস প্রেমে পড়ে যান তিনি। সেই নেশা থেকেই শুরু হয় সংগ্রহের কাজ। অনলাইনে বিভিন্ন ক্যাকটাসের গাছ দেখে তা থেকে কেনা শুরু করেন। এছাড়া বিভিন্ন নার্সারি ও মানুষের বাড়ি থেকে সংগ্রহ করেন। মাত্র আড়াই বছরেই ২২৫ প্রজাতির ক্যাকটাস শোভা পাচ্ছে এই হর্টিকালচারে।

বিশাল এই সংগ্রহের মধ্যে সম্প্রতি নটো ক্যাকটাসে ফুল ফুটেছে। দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, দক্ষিণ ব্রাজিল, মেক্সিকোসহ বেশ কিছু দেশে এই নটো ক্যাকটাসটি জনপ্রিয়। এই ক্যাকটাসের সুন্দর কাঁটা ও হলুদ রঙের ফুল সহজেই সবার নজর কাড়ে। নটো ক্যাকটাস সাধারণত লম্বাটে ও গোলাকার হয়ে থাকে। মাদারীপুর হর্টিকালচারে এই নটো ক্যাকটাসে ফুল আসার খবর পেয়ে অনেকেই একনজর দেখার জন্য ভিড় করছেন।

ফুল দেখতে আসা সামিরা আক্তার সুমাইয়া বলেন, ক্যাকটাস আমার অনেক ভালো লাগে। তাই নটো ক্যাকটাসে ফুল ফোটার খবর পেয়ে আমি ও আমার আম্মু দেখতে এসেছি। ফুলটা অনেক সুন্দর। এই গাছের চারা হলে, তখন আমি এটি সংগ্রহ করবো।

ফুল দেখতে আসা আরেক গাছপ্রেমী ওহিদুজ্জামান কাজল বলেন, গাছ সবসময় আমার অনেক ভালো লাগে। আর ব্যতিক্রম গাছ হলেতো কোনো কথাই নেই। তাই নটো ক্যাকটাসে ফুল আসার কথা শুনেই একনজর দেখতে এসেছি। ফুলটি দেখতে খুব সুন্দর। বিশেষ করে কাটার মধ্যে হলুদ ফুল ফুটেছে, এক কথায় অসাধারণ।

মাদারীপুর হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক কৃষিবিদ আশুতোষ কুমার বিশ্বাস বলেন, তিন বছর আগে থাইল্যান্ড থেকে এই নটো ক্যাকটাসের চারা সংগ্রহ করা হয়। তিন বছর এর যত্ন নেওয়ার পর কয়েকদিন হলো গাছে হলুদ রঙের ফুল ফুটেছে। সম্ভবত বাংলাদেশে এই প্রথম নটো ক্যাকটাসে ফুল ফুটেছে। ফুল ফোটার পর খবর পেয়ে অনেক গাছ প্রেমীরা এই ফুল দেখতে আসছে। আবার অনেকেই এই গাছের চারাও চাচ্ছেন। এটি ৫০০ টাকা দিয়ে কেনা হয়েছিল। এখন এর মূল্য ১৫০০ টাকা। আমরা এই গাছের চারা উৎপাদনের কাজ করছি। চারা উৎপাদন হলে আমরা খুবই কম মূল্যে সবার হাতে পৌঁছে দিতে চাই।

আয়শা সিদ্দিকা আকাশী/এফএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

ফুল

সম্পর্কিত খবর

শাকসবজি

রবিশস্য হিসেবে চিয়া বীজ চাষ করবেন যেভাবে

ক্ষুদ্র দানাকৃতির চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির উৎস। চিয়া বীজের বিশেষত্ব হলো এর পুষ্টিমান। চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ দানাদার শস্য বা তেলবীজগুলোর মধ্যে সেরা। চিয়া বর্ষজীবী, ঔষধি তৈলবীজ তিল বা তিষির মতো। এক মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা প্রতিপন্ন, দন্তর। ফুল স্পাইকে সজ্জিত, নীল, বেগুনি বা সাদা রঙের হতে পারে। দুট

জাগো নিউজ ২৪১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬৩ মিনিটের পড়া
ফল

গোল নয় তবুও কেন এর নাম ‘গোলগাছ’

গোলগাছ কিংবা গোলপাতা কোনোটিই গোল নয়। তাহলে এই গাছ ও পাতার অঙ্গে-সঙ্গে গোল শব্দটি যুক্ত হলো কীভাবে? সাধারণত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফুল অথবা ফলের নামানুসারে কোনো গাছ বা উদ্ভিদের নাম নির্ধারণ করা হয়। গোলফল যখন ছড়িয়ে থাকে তখন দেখতে ঠিক পরিপাটি গোলগাল কাঁঠাল এবং কেয়া ফলের মতো। মূলত ছড়ায়-ছড়ায় ঝুলতে থাকা চোখ-

জাগো নিউজ ২৪৩১ আগস্ট ২০২৬৪ মিনিটের পড়া
ফল

বাংলাদেশের কৃষিপণ্য ও ফলে আগ্রহ চীনা ব্যবসায়ীদের

চীনের ইউনান প্রদেশের কুনমিংয়ের হ্যালো ওয়ার্ল্ড লিভিং মলে শুরু হয়েছে ২০২৬ মেকং-লানচাং ফল, কফি, ফুল ও বিয়ার কার্নিভাল। ইউনান প্রদেশের বাণিজ্য বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক উৎসবে মেকং অঞ্চলের দেশগুলোর ফল ও কৃষিপণ্য নিয়ে বসেছে ৯৪টি স্টল। উৎসবের শুরু থেকেই বাংলাদেশের স্টল ঘিরে স্থানীয় দর্শনার্থী

জাগো নিউজ ২৪২২ আগস্ট ২০২৬৩ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()