সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বিশ্বে ১০০ কোটি হেক্টরেরও বেশি কৃষিজমি অবক্ষয়িত, কপ১৭-এ জানাল এফএও

মঙ্গোলিয়ায় জাতিসংঘের মরুকরণবিরোধী সম্মেলনে চারণভূমির জন্য ১২০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি আদায়ে ভূমিকা রেখেছে এফএও এবং খাদ্য নিরাপত্তাকে ভবিষ্যৎ কৌশলে যুক্ত করিয়েছে।

পরিবেশ

মানুষের কর্মকাণ্ডে বিশ্বে যে ১৬৬ কোটি হেক্টর জমি অবক্ষয়ের শিকার, তার ৬০ শতাংশের বেশি—অর্থাৎ ১০০ কোটি হেক্টরেরও বেশি—কৃষিজমি। ‘রিস্টোরিং ল্যান্ড, রিস্টোরিং হোপ’ প্রতিপাদ্যে উলানবাটারে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ মরুকরণবিরোধী কনভেনশনের ১৭তম সম্মেলনে (ইউএনসিসিডি কপ১৭) এই তথ্যকে কেন্দ্রে রেখেই কাজ করেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।

সংস্থাটির যুক্তি, কৃষিজমি পুনরুদ্ধার না করলে ভূমি অবক্ষয় নিরপেক্ষতা, জীববৈচিত্র্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও শূন্য ক্ষুধার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। আর ইতিমধ্যে হারানো জমি ফিরিয়ে আনার মতোই গুরুত্বপূর্ণ নতুন অবক্ষয় ঠেকানো।

সম্মেলনটি হয়েছে ‘আন্তর্জাতিক চারণভূমি ও পশুপালক বর্ষ ২০২৬’ চলাকালে, তাই চারণভূমি পেয়েছে কেন্দ্রীয় গুরুত্ব। ‘র‌্যাঞ্জল্যান্ডস ফ্ল্যাগশিপ ইনিশিয়েটিভ’ চালুর মাধ্যমে ৪৫টি প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলারের প্রতিশ্রুতি আদায়ে ভূমিকা রেখেছে এফএও; এর পাঁচটি প্রকল্পের নকশা ও নেতৃত্বে রয়েছে সংস্থাটি নিজেই।

উপমহাপরিচালক বেথ বেকডল বলেন, “পুনরুদ্ধার মানে কেবল অবক্ষয়িত জমিকে আবার সবুজ করে তোলা নয়। কী জন্মাচ্ছে সেটাও গুরুত্বপূর্ণ। ঘাস, গোখাদ্য ও অন্যান্য উদ্ভিদের বৈচিত্র্য ও মান গুরুত্বপূর্ণ—গবাদিপশু, জীববৈচিত্র্য এবং এই বাস্তুতন্ত্রের দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদনশীলতা ও স্বাস্থ্যের জন্য।” অর্থায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কত টাকা এল তার চেয়ে কীভাবে তা ব্যবহার হচ্ছে সেটিও সমান জরুরি: “সরকারি ও রেয়াতি অর্থায়ন মিলিয়ে, যেখানে যুক্তিসংগত সেখানে বেসরকারি পুঁজি এনে এবং প্রতিটি বিনিয়োগ দিয়ে আরও বিনিয়োগ টেনে আমাদের সম্পদের আরও কার্যকর ব্যবহার করতে হবে।”

এফএওর সহায়তায় পরিচালিত বৈশ্বিক পরামর্শ প্রক্রিয়া থেকে তিনটি ঘোষণাপত্র এসেছে, যেগুলো উচ্চপর্যায়ের ফোরামে পশুপালক জনগোষ্ঠীর কণ্ঠ পৌঁছে দিয়েছে—‘গ্লোবাল প্যাস্টোরালিস্ট অ্যান্ড ইনডিজেনাস প্যাস্টোরালিস্টস কল ফর অ্যাকশন’, ‘গ্লোবাল ডিক্লারেশন অব ইয়াং প্যাস্টোরালিস্টস’ এবং ‘প্যাস্টোরালিস্ট উইমেন ডিক্লারেশন’।

মাটি নিয়ে এফএও ও ইউএনসিসিডি যৌথভাবে প্রকাশ করেছে ‘লিভিং সয়েলস, প্রোডাক্টিভ ল্যান্ডস, রেজিলিয়েন্ট ল্যান্ডস্কেপস’ নির্দেশিকা, সঙ্গে এসেছে ‘স্ট্যাটাস অব দ্য ওয়ার্ল্ডস সয়েল রিসোর্সেস ২০২৬’ প্রতিবেদন—যার পর মাটির বিষয়ে আরও মনোযোগের দাবি জানিয়েছে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো। এফএওর ভূমি ও পানি বিভাগের পরিচালক লিফেং লি বলেন, বালু ও ধূলিঝড়ের সমাধানের অংশ হতে পারে কৃষি; এই ঝড় ১৫০টিরও বেশি দেশকে আক্রান্ত করে এবং ফসল, গাছ ও গবাদিপশুর ক্ষতি করে বছরে শত শত কোটি ডলারের লোকসান ঘটায়।

সিদ্ধান্ত হয়েছে, কপ১৮ এবং এরপর প্রতিটি নিয়মিত অধিবেশনে খরা আলাদা আলোচ্যসূচি হিসেবেই থাকবে। ‘রিয়াদ গ্লোবাল ড্রাউট রেজিলিয়েন্স পার্টনারশিপ’ প্রায় ৭০টি ঝুঁকিপূর্ণ দেশের জন্য সর্বোচ্চ ৪০ কোটি ডলারের একটি যৌথ তহবিলের প্রস্তাব এগিয়ে নিয়েছে, যেখানে নিবন্ধিত অংশীদার হিসেবে দেশগুলোকে তহবিলে প্রবেশে সহায়তা করছে এফএও। ড্রাইল্যান্ড ও খরা ব্যবস্থাপনা নিয়ে জিইএফ-৯ সমন্বিত কর্মসূচির সহ-নেতৃত্বেও আগ্রহ দেখিয়েছে সংস্থাটি, যার প্রস্তাবিত বরাদ্দ ১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

আয়োজক দেশ মঙ্গোলিয়ার সঙ্গে অংশীদারিত্বও জোরদার হয়েছে। দেশটির প্রায় ৮০ শতাংশ ভূমি চারণভূমি এবং প্রায় ৭৭ শতাংশ অবক্ষয়ের শিকার; সরকারের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় চারণভূমি ব্যবস্থাপনা, পশুপালকদের জীবিকা ও নতুন কৃষি খাত নিয়ে কথা হয়েছে। স্থলবেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশগুলোর গোলটেবিল থেকে আফগানিস্তান, ভুটান, লাওস, মঙ্গোলিয়া ও নেপালকে নিয়ে এশীয় মন্ত্রী পর্যায়ের নেটওয়ার্ক চালু হয়েছে।

সূত্র: এফএও নিউজরুম

এফএও নিউজরুমদা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()