সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

চট্টগ্রামে বসতঘরে মিললো ১২ ফুট লম্বা অজগর

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার এক বসতঘর থেকে ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বার্মিজ প্রজাতির অজগর উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিবেশ

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার এক বসতঘর থেকে ১২ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বার্মিজ প্রজাতির অজগর উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চরণদ্বীপ ইউনিয়নের নুর বক্স কন্ট্রাক্টরের বাড়ির এক ঘরে সাপটির সন্ধান পান স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়ির বাসিন্দা মো. আজমের পরিবারের সদস্যরা রান্নার জন্য লাকড়ি আনতে ঘরে গেলে হঠাৎ অজগরটি দেখতে পান। পরে আতঙ্কিত হয়ে তারা বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানান।

আরও পড়ুন'ডোনাল্ড ট্রাম্পকে' দেখতে ছুটির শেষ দিনেও উপচেপড়া ভিড় 'ফাঁকা ঢাকায়' ফেরা শুরু, সড়কে বেড়েছে গণপরিবহন

খবর পেয়ে ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিম ইন বাংলাদেশের সদস্য আমির হোসাইন শাওন ঘটনাস্থলে গিয়ে অজগরটি উদ্ধার করেন।

আমির হোসাইন শাওন বলেন, খাদ্যের সন্ধানে সাপটি লোকালয়ে চলে এসে লাকড়ির ঘরে আশ্রয় নিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধার করা অজগরটি বার্মিজ প্রজাতির। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১২ ফুট এবং ওজন প্রায় ১২ কেজি।

উদ্ধার শেষে অজগরটিকে নিরাপদে পাহাড়ি জঙ্গলে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এমআরএএইচ/কেএসআর

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()