সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

চকরিয়ায় বাচ্চা হাতির মৃত্যু

কক্সবাজারের চকরিয়ায় অসুস্থ হয়ে দুই বছর বয়সী একটি বাচ্চা হাতি মারা গেছে। রোববার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের হাজীরঘোনা মধুশিয়া বাগানে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

পরিবেশ

কক্সবাজারের চকরিয়ায় অসুস্থ হয়ে দুই বছর বয়সী একটি বাচ্চা হাতি মারা গেছে। রোববার (৯ অক্টোবর) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের হাজীরঘোনা মধুশিয়া বাগানে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

ফুলছড়ি রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দ্বীপন দাস জানান, শুক্রবার রাতে গহীন বনের হাজীরঘোনা এলাকায় একদল বন্যহাতি আসে। ধারণা করা হচ্ছে ওই রাতে হাতিটি মারা গেছে। মধুশিয়া বাগানে দুই বছর বয়সী একটি হাতি মারা যাওয়ার খবর পেয়ে ১টার দিকে বনবিভাগ ও প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জনসহ ঘটনাস্থলে যাই। পরে ময়নাতদন্ত শেষে হাতিটি সেখানে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হাতির শরীরে কোনো গুলি বা আঘাতের চিহ্ন নেই। সেখানে বিদ্যুতের ফাঁদও নেই। অসুস্থ হয়ে হাতিটি মারা গেছে।

চকরিয়া প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের ভেটেরিনারি সার্জন মুনতাকিম বিল্লাহ মাসুম বলেন, লিভারে ইনফেকশন হওয়ায় হাতিটি মারা গেছে বলে মনে হচ্ছে। মৃত হাতিটির ওজন এক টন। দৈর্ঘ্য প্রায় ছয় ফুট। দুদিন আগে হাতিটি মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গত এক বছরে ডজনাধিক হাতি কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ঈদগাঁও-গজালিয়া, ঈদগড়, খুটাখালী, ফাঁসিয়াখালী, রামু এলাকায় মারা যায়।

সায়ীদ আলমগীর/আরএইচ/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()