সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

চা বাগান থেকে বিশাল দুই অজগর উদ্ধার

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ থেকে বিশাল আকৃতির দুটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিবেশ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ থেকে বিশাল আকৃতির দুটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলার জাগছড়া চা বাগান ও কমলগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী চা বাগান থেকে এই সাপ দুটি উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল উপজেলার জাগছড়া চা বাগানের ১৭ নম্বর সেকশনে চা শ্রমিকরা বাগানে কাজ করার সময় হঠাৎ একটি বিশাল আকৃতির অজগর দেখতে পান। সাপটি দেখে শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে কাজ বন্ধ করে দেন।

পরবর্তীতে শ্রমিকরা বিষয়টি জাগছড়া চা বাগানের বাবু সেলিম মিয়াকে অবহিত করলে তিনি বনবিভাগ ও বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেন।

খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন ও বনবিভাগের সদস্যদের যৌথ অভিযানে সাপটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত অজগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬ ফুট এবং ওজন প্রায় ৩০ কেজি ছিল।

এদিকে কমলগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী চা বাগান থেকে ১৭ ফুট লম্বা একটি অজগর উদ্ধার করেছে ক্রিয়েটিভ কনজারভেশন এলায়েন্স এর সদস্যরা। উদ্ধারকৃত অজগরটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঘনঘন অজগর উদ্ধারের বিষয়ে স্থানীয়রা বলেন, খাবারের সংকটের কারণে বন থেকে সাপগুলো লোকালয়ে চলে আসে। এ জন্য প্রায় সময় বিশেষ করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা থেকে অজগর উদ্ধার করা হয়।

শ্রীমঙ্গল বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম সাপ দুটি উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, 'অজগর সাপগুলো বনে অবমুক্ত করা হবে।'

মাহিদুল ইসলাম/কেজে/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()