সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বসতবাড়ি থেকে ৪ ফুট লম্বা পদ্ম গোখরা উদ্ধার

পটুয়াখালীর একটি বসতবাড়ি থেকে চার ফুট লম্বা পদ্ম গোখরা উদ্ধার করে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।

পরিবেশ

পটুয়াখালীর একটি বসতবাড়ি থেকে চার ফুট লম্বা পদ্ম গোখরা উদ্ধার করে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা পরিমল নামের এক কৃষকের বসতবাড়ি থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।

বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (বাওয়া) ব্যানারে উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন কুয়াকাটা (উপরা) এবং অ্যানিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালী টিমের সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন। পরে গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনাঞ্চলে সাপটিকে অবমুক্ত করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, বসতবাড়ির আঙিনায় হঠাৎ বিষধর সাপটি দেখতে পেয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্বেচ্ছাসেবীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি জীবিত উদ্ধার করেন।

বাওয়া কুয়াকাটা টিমের সদস্য কেএম বাচ্চু বলেন, লোকালয়ে কোনো বন্যপ্রাণী চলে এলে আতঙ্কিত হয়ে সেটিকে হত্যা না করে উদ্ধারকারী দল বা বন বিভাগকে খবর দেওয়া উচিত। বন্যপ্রাণী পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মহিপুর থানা রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী সাপসহ সব বন্যপ্রাণী সংরক্ষিত। তাই লোকালয়ে কোনো বন্যপ্রাণী দেখা গেলে সেটিকে না মেরে বন বিভাগ অথবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

আসাদুজ্জামান মিরাজ/এসআর/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()