সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

বন্য শূকরের উৎপাতে দিশেহারা কৃষকরা

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুতাং অঞ্চলে বন্য শূকরের উৎপাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। গত ৪-৫ মাস ধরে একের পর এক জমির পাকা ধান খেয়ে সাবাড় করছে শূকরের দল। এদের কবল থেকে রেহাই পেতে কৃষকরা রাতের বেলায় প্রতিটি জমিতে মশাল জ্বালিয়ে রাখেন।

পরিবেশ

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুতাং অঞ্চলে বন্য শূকরের উৎপাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। গত ৪-৫ মাস ধরে একের পর এক জমির পাকা ধান খেয়ে সাবাড় করছে শূকরের দল। এদের কবল থেকে রেহাই পেতে কৃষকরা রাতের বেলায় প্রতিটি জমিতে মশাল জ্বালিয়ে রাখেন।

জানা গেছে, রাত হলেই পাহাড় থেকে খাদ্যের সন্ধানে দল বেধে কখনও ধানক্ষেতে, কখনওবা গ্রামের ভেতরে ঢুকে হানা দেয় শুকররা। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার সুরাবই,পুরাসুন্দা ও লাদিয়া গ্রামে তাদের উৎপাত বেশি।

শূকরের দল পাকা ধানের পাশাপাশি বাঁশের নতুন চারা এবং বিভিন্ন ধরনের শস্য সাবাড় করছে। এই বন্যপ্রাণীর ভয়ে গ্রামের শিশুরা ভয়ে ঘর থেকে বের হতে পারে না। অনেক সময় ক্ষেত-খামারে ঢুকে খাবার না পেলে রাতের আঁধারে মানুষের ঘরে ঢোকারও চেষ্টা করে শূকরেরা।

উপজেলার সুরাবই গ্রামের আব্দুর রহিম জজুম হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, 'বন্য শুকর খুবই হিংস্র প্রাণী। এদের থেকে বাঁচার পথ দেখছি না।'

একই গ্রামের মো. তওহিদ মিয়া বলেন, 'গ্রামের পাশেই পাহাড় থাকায় এদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে। এদের জন্য আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি আমরা। আমার দুই একর জমির পাকা ধান নষ্ট করেছে। এমনকি ধানের খড়ও শেষ করে গেছে শূকরগুলো।'

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুতাং অঞ্চলে কমপক্ষে ৫০ একর পাকা ধানের ক্ষতি করেছে শুকররা। এভাবে চলতে থাকলে স্থানীয়রা অনাহারে থাকার আশঙ্কা করছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় ৮-১০ বছর আগে সুরাবই গ্রামে একবার শুকর হানা দিয়েছিল। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় গুলি করে একটি শুকর মেরে ফেলা হয়েছিল। স্থানীয় কেউ কেউ মনে করছেন, পাহাড়ে শুকরদের খাদ্যের ঘাটতি থাকায় তারা খাবারের সন্ধানে এসে গ্রামে হানা দেয়। আবার অনেকে মনে করছেন এটা তাদের অভ্যাস হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষকে আরও দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

হবিগঞ্জ বন বিভাগের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, হয়তো বনে খাদ্য কমে গেছে, তাই তারা হানা দেয়। এদেরকে ঢাক-ঢোল পিটিয়ে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দিতে হবে। এই প্রাণীগুলোকে রক্ষার জন্য সরকারের নির্দেশ রয়েছে।

তবুও সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য বিষয়টি রেঞ্জ কর্মকর্তাকে বলা হবে বলে জানান ডিএফও।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()