সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বিক্রির আশায় ৩ দিন জালে আটকে রাখা হয় অজগর

বিক্রির আশায় টানা ৩ দিন জালে আটকে রাখা হয় একটি অজগর সাপ। খবর পেয়ে রোববার (১২ জুলাই) চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের কেরানী বাজার এলাকা থেকে সাপটি উদ্ধার করে ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিমের সদস্যরা।

পরিবেশ

বিক্রির আশায় টানা ৩ দিন জালে আটকে রাখা হয় একটি অজগর সাপ। খবর পেয়ে রোববার (১২ জুলাই) চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের কেরানী বাজার এলাকা থেকে সাপটি উদ্ধার করে ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিমের সদস্যরা।

সাপটির গায়ে আঘাতের চিহ্ন থাকায় সুস্থ করার পর সাপটিকে বনে অবমুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিমের সদস্য আমীর হোসাইন শাওন।

শাওন বলেন, স্থানীয় এক যুবক বিক্রির জন্য গত তিনদিন ধরে একটি অজগর সাপ জালে আটকে রাখে। চার থেকে সাড়ে ৪ ফুট দৈর্ঘ্যের অজগর সাপটির বয়স দুই থেকে আড়াই বছর হবে। তবে ক্রেতা না পাওয়ায় সাপটি বিক্রি হয়নি। খবর পেয়ে আমি সাপটি উদ্ধার করতে যাই। তখন সাপটি আটকে রাখা এক যুবক প্রথমে বাধা দেন। ওই যুবক সাপটির জন্য টাকা দাবি করেন। পরে ওই যুবককে পরিবেশের জন্য সাপ উপকারী এবং সাপ ধরা বা হত্যা না করা আইনত অপরাধ, বিষয়গুলো বোঝাতে সক্ষম হই। বিষয়গুলো অনুধাবন করে পরে স্বেচ্ছায় অজগর সাপটি দিয়ে দেন।

তিনি বলেন, কেরানী বাজার এলাকায় গত বৃহস্পতিবার ভারী বর্ষণে ডুবে যাওয়া বিলের পানিতে বসানো জালে সাপটি আটকে পড়ে। বর্তমানে সাপটি শারীরিকভাবে অসুস্থ, গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটিকে চিকিৎসা দেওয়া হবে। সুস্থ হলে পরে বনে অবমুক্ত করা হবে জানান শাওন।

এমডিআএইচ/এমআইএইচএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()