সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ব্যতিক্রমী সামাজিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পরিবেশ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে ব্যতিক্রমী সামাজিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ফলজ বৃক্ষরোপণ, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং ওডোমস বিতরণের মাধ্যমে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতারা অংশ নেন।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির আয়োজন করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ছাত্রদলের সাবেক নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম তারিক।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মাহবুবা সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইনস্টিটিউটের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শেখ তৌহিদুল ইসলাম।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. রবিউল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. হাফিজ উদ্দিন। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন হল শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

কর্মসূচির শুরুতে ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারীরা ক্যাম্পাসে ফলজ বৃক্ষরোপণ করেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতনতামূলক লিফলেট এবং মশা প্রতিরোধে ব্যবহৃত ওডোমস ক্রিম বিতরণ করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মাহবুবা সুলতানা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়, এটি সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলারও একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। শিক্ষার্থীরা যখন সমাজের বাস্তব সমস্যা নিয়ে কাজ করে, তখন তারা কেবল নিজেদের নয়, পুরো সমাজের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তনের পথ তৈরি করে।

তিনি বলেন, বর্তমানে ডেঙ্গু দেশের অন্যতম জনস্বাস্থ্য সমস্যা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; ব্যক্তি, পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। একইভাবে পরিবেশ রক্ষা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।

বিশেষ অতিথি অধ্যাপক ড. শেখ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মকাণ্ড শিক্ষার্থীদের মানবিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পরিচ্ছন্নতা—এই তিনটি বিষয়ই বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জানতে চাইলে ছাত্রদল নেতা মো. তরিকুল ইসলাম তারিক বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা এমন একটি কর্মসূচি আয়োজন করতে চেয়েছি, যার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায়। রাজনীতি কেবল সভা-সমাবেশ বা বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; মানুষের কল্যাণে কাজ করার মধ্যেও রাজনীতির প্রকৃত সৌন্দর্য নিহিত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, সবুজায়ন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধ এখন জাতীয় প্রয়োজন। তরুণ প্রজন্মকে এসব বিষয়ে সম্পৃক্ত করতে পারলে সমাজ আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হবে। ছাত্রদল সবসময় শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বিশ্বাস করে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তারা মনে করেন, পরিচ্ছন্নতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে নিয়মিত এমন কার্যক্রম পরিচালিত হলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক দায়িত্ববোধ আরও বৃদ্ধি পাবে।

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()