সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

বিদ্যুৎ দিয়ে হাতি হত্যা করলে কঠোর ব্যবস্থা: নসরুল হামিদ

বিদ্যুতের তার দিয়ে হাতি হত্যা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। রোববার (২১ নভেম্বর) তার ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।

পরিবেশ

বিদ্যুতের তার দিয়ে হাতি হত্যা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু। রোববার (২১ নভেম্বর) তার ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, সম্প্রতি বিদ্যুতের তার দিয়ে হাতি হত্যা সংক্রান্ত কিছু খবর আমাদের নজরে পড়েছে। হাতির উপদ্রপ থেকে বাঁচতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় জিআই তার দিয়ে বেষ্টনি তৈরি করে তাতে বিদ্যুতের লাইন সংযুক্ত করা হয়েছে। এতে যখন কোনো হাতি ওই এলাকায় প্রবেশ করতে যাচ্ছে তখন বিদ্যুতের শকে মারা পড়ছে। এই প্রবণতা খুবই মারাত্মক, বন্যপ্রাণী এবং মানুষের জন্যও।

পোস্টে তিনি আরও বলেন, এভাবে কোনো প্রাণী হত্যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এমন কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। বিদ্যুতের লাইন ব্যবহার করে ভবিষ্যতে এমন কোনো অপকর্ম করলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেবো।

এমএমএ/এমএইচআর/জিকেএস

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()