সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বাসা থেকে ৫৪ কচ্ছপ উদ্ধার, বাবা-ছেলে আটক

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি বাসা থেকে ৫৪টি সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এসময় বাবা-ছেলেকে আটক করা হয়েছে।

পরিবেশ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় একটি বাসা থেকে ৫৪টি সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এসময় বাবা-ছেলেকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ২টায় উদ্ধার করা কচ্ছপ এবং আটক দুজনকে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) দিনগত রাত ২টার দিকে পৌর শহরের নতুন কাঠপট্টি এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ৫৪টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়। ওই বাসা থেকে আটক করা হয় বাবা তোতা মিয়া (৪৮) ও ছেলে রুবেলকে (২৬)। আটক দুই ব্যক্তিকে উপজেলা বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তাহসিন রহমান জানান, আটকরা দীর্ঘদিন ধরে কচ্ছপ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলা বন সংরক্ষক আবদুস সালাম মিয়া জানান, এ ঘটনায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধার করা কচ্ছপ আন্ধারমানিক নদীতে অবমুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

এফআরএম/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()