সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

বাসা বাড়িতে দেখা মিলল বিষধর শঙ্খিনী সাপের

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে একটি শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে শ্রীমঙ্গল শহরের পূর্বাশা আবাসিক এলাকা থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।

পরিবেশ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে একটি শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে শ্রীমঙ্গল শহরের পূর্বাশা আবাসিক এলাকা থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, শ্রীমঙ্গল শহরের পূর্বাশা আবাসিক এলাকার গোপাল গোস্বামীর বাসায় একটি সাপ দেখতে পেয়ে বাসার সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের মধ্যে জানাজানি হলে নাহিদ নামের একজন ব্যক্তি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেন।

খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, সাপটি একটি শঙ্খিনী বা শাঁখামুটি (Banded Krait) প্রজাতির, যা অত্যন্ত বিষধর। পরবর্তীতে সাপটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়।

উদ্ধারকৃত শঙ্খিনী সাপটি পরবর্তীতে শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীমঙ্গল বনরেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, সাপটি বনে অবমুক্ত করা হবে।

মূলত এ প্রজাতির সাপকে আইইউসিএন (আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ) বাংলাদেশে বিপন্ন এবং বিশ্বে বিপদমুক্ত বলে বিবেচনা করে।

মাহিদুল ইসলাম/এফএ/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()