সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

বাড়ির সীমানা জালে ধরা পড়লো শঙ্খিনী সাপ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

পরিবেশ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিষধর শঙ্খিনী সাপ উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বৌলাশী এলাকার বাসিন্দা সঞ্জয় চক্রবর্তীর বাড়ির সীমানা জাল থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় বৌলাশী এলাকার বাসিন্দা সঞ্জয় চক্রবর্তীর বাড়ির সীমানা জালে একটি সাপ আটকে থাকতে দেখে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে বাড়ির মালিক সঞ্জয় চক্রবর্তী বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে অবহিত করেন।খবর পেয়ে ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল এবং পরিবেশ কর্মী রাজদীপ দেব দীপ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাপটি শনাক্ত করেন। তারা জানান, এটি ছিল শঙ্খিনী সাপ, যা বাংলাদেশের অন্যতম বিষধর সাপ হিসেবে পরিচিত।

উদ্ধারকারীরা জানান, সাপটির শারীরিক অবস্থা এবং জালে আটকে থাকার ধরন দেখে ধারণা করা হচ্ছে, এটি প্রায় এক সপ্তাহ ধরে জালে আটকে ছিল। দীর্ঘ সময় আটকে থাকার কারণে সাপটি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল। পরবর্তীতে প্রায় ২০ মিনিটের চেষ্টায় জালের একটি অংশ সতর্কতার সঙ্গে কেটে সাপটিকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার শেষে সাপটিকে প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণের জন্য শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ের রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শ্রীমঙ্গল রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাপটিকে সুস্থ করে বনে অবমুক্ত করা হবে।

মাহিদুল ইসলাম/এসআর

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()