সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

বাড়ির আমগাছে মিললো ১০ ফুটের বার্মিজ অজগর

কক্সবাজারের উখিয়ায় বসতবাড়ির আমগাছে পাওয়া গেছে ২৫ কেজি ওজনের ১০ ফুট লম্বা বার্মিজ অজগর।

পরিবেশ

কক্সবাজারের উখিয়ায় বসতবাড়ির আমগাছে পাওয়া গেছে ২৫ কেজি ওজনের ১০ ফুট লম্বা বার্মিজ অজগর।

শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে রাজাপালং ইউনিয়নের নাপিতপাড়া এলাকায় এক বসতবাড়ির গাছ থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় সাপটি উদ্ধার করে বনবিভাগ।

বনবিভাগের দৌছড়ি বিট কর্মকর্তা ইমদাদুল হাসান রনি এ তথ্য জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অজগরটি উখিয়া রেঞ্জের দোছড়ি বিটের নাপিতপাড়া এলাকার আব্দুর রহিমের বাড়ির একটি আম গাছের ডালে হয়ে পেঁচিয়ে ছিল। এক নারী প্রথমে সাপটিকে দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি বনবিভাগকে জানালে দৌছড়ি বিট কর্মকর্তা ইমদাদুল হাসান রনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে অজগরটি নিরাপদে উদ্ধারের ব্যবস্থা করেন।

বিট কর্মকর্তা ইমদাদুল হাসান রনি বলেন, স্থানীয়দের ফোন পেয়ে আমরা দ্রুত সেখানে পৌঁছে অজগরটি উদ্ধার করি। এটি একটি বার্মিজ প্রজাতির অজগর। যার ওজন প্রায় ২৫ কেজি ও দৈর্ঘ্য প্রায় ১০ ফুট। সাপটি সুস্থ রয়েছে ও বনবিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রাকৃতিক বনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

উখিয়া রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, এ ধরনের অজগর বনের পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই উদ্ধার করার পর আমরা সাধারণত সেগুলোকে নিরাপদ বনে অবমুক্ত করি। এটাকেও সেভাবে করা হয়েছে।

সায়ীদ আলমগীর/এমএন/জেআইএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()