সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°পরিষ্কার আকাশআর্দ্রতা ৮৯%বাতাস কিমি/ঘ

আগামী চার বছরে পরিবেশের দৃশ্যমান উন্নতি হবে: পরিবেশমন্ত্রী

আগামী চার বছরে দেশের পরিবেশের দৃশ্যমান উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

পরিবেশ

আগামী চার বছরে দেশের পরিবেশের দৃশ্যমান উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ উপলক্ষে বুধবার (৮ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন পরিবেশমন্ত্রী।

বুড়িগঙ্গাসহ রাজধানীর আশপাশের নদীগুলোর দূষণের উৎস চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে পানি, বায়ু ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ৭০ থেকে ৮০টি সূচক (ইন্ডিকেটর) নির্ধারণ করে নিয়মিত অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে বলেও জানিয়েছেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক বুড়িগঙ্গা নদী পুনরুদ্ধারে সরকারের মেয়াদকালে কোনো বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, শুধু বুড়িগঙ্গা নয়, তুরাগ, বালু ও ধলেশ্বরীসহ আশপাশের সব নদীর অবস্থাই প্রায় একই রকম। এসব নদীতে কীভাবে দূষণ ছড়াচ্ছে, তার উৎস এখন চিহ্নিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, নদীদূষণের প্রধান দুটি উৎস হলো টেক্সটাইল ডাইং কারখানা ও চামড়া শিল্প। অনেক প্রতিষ্ঠানে বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি/এসটিপি) থাকলেও সেগুলো সবসময় চালু রাখা হয় না। পরিদর্শক গেলে চালু রাখা হলেও পরে বন্ধ করে দেওয়া হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে গোপন পাইপের মাধ্যমে নদীতে বর্জ্য ফেলে দেওয়া হয়। এসব বিষয় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, এক বছরের মধ্যে হয়তো বড় পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে না। তবে আগামী চার বছরে পরিবেশের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে বলে তিনি আশাবাদী।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পানি, বায়ু ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণসহ পরিবেশের সার্বিক মানোন্নয়নে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রায় ৭০ থেকে ৮০টি সূচক নির্ধারণ করা হচ্ছে। এসব সূচকের ভিত্তিতে দেশের বর্তমান অবস্থার একটি বেসলাইন তৈরি করা হবে এবং প্রতি বছর অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, পরিবেশের বিভিন্ন সূচকে কী ধরনের অগ্রগতি হচ্ছে, তা নিয়মিতভাবে গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হবে এবং এ বিষয়ে সাংবাদিকদেরও অবহিত করা হবে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী বলেন, ঢাকার পরিবেশগত সংকট একদিনে দূর করা সম্ভব নয়। বায়ু, শব্দ ও পানি দূষণ কমানোর পাশাপাশি উপজেলা থেকে মহানগর পর্যন্ত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

যেখানে সম্ভব সেখানে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জৈব সার উৎপাদনের ব্যবস্থা করা হবে। এ লক্ষ্যে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার ভিত্তিতে আগামী পাঁচ বছরে পরিবেশ খাতের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা হবে। এর আওতায় নেট ২৫ কোটি গাছ নিশ্চিত করতে ৩২ কোটি বৃক্ষরোপণ, বিজ্ঞানভিত্তিক বৃক্ষরোপণ, গাছ পর্যবেক্ষণে অ্যাপ চালু, চর ও দ্বীপাঞ্চলে সবুজায়ন, গ্রিন বিল্ডিং নীতিমালা প্রণয়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং ধান চাষে পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বর্তমানে মাত্র তিনজন ভেটেরিনারি চিকিৎসক থাকার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এ সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। প্রয়োজনের তুলনায় এটি অনেক কম এবং ভবিষ্যতে কীভাবে জনবল বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে একটি প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখন বাস্তবায়নের পর্যায়ে যাওয়া হবে। অধিক শব্দপ্রবণ এলাকায় ডেসিবেল মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হবে এবং দূষণের উৎসগুলোর ওপর নজরদারি বাড়িয়ে শব্দ দূষণ কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অবৈধ ইটভাটা ও পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ইটভাটা শুধু বায়ুদূষণই নয়, কৃষিজমির উর্বর মাটিও নষ্ট করছে। তাই ধাপে ধাপে ইটের পরিবর্তে ব্লকের ব্যবহার বাড়ানো হবে। তবে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করেই এই রূপান্তর করা হবে।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী জানান, ব্লক শিল্পের বিকাশে ভ্যাট কাঠামো, সরকারি ক্রয়ে অগ্রাধিকার এবং বাজার সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। ব্লক প্রস্তুতকারকদের সুপারিশ পাওয়ার পর সেগুলো পর্যালোচনা করে ব্লককে আরও সাশ্রয়ী ও জনপ্রিয় করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরএমএম/এমএএইচ/

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()