সরাসরিবাজারদর
আটা (প্যাকেটজাত)৫৮আদা - আমদানিকৃত১৬৭আদা - দেশী১৫৪আমন চাল - মাঝারি৫৬আমন চাল - মোটা৪৮আমন চাল - সরু৭২আয়োডিনযুক্ত লবণ (প্যাকেটজাত)৩২কাঁচা মরিচ২১৮খামারের মুরগী১৬২খাসী৯০০চিনি (দেশী)১৩২ছোলা - গোটা৮৫ডিম ফার্ম - লাল৪৭পেঁয়াজ - দেশী৬০বোরো চাল - মাঝারি৫৫বোরো চাল - মোটা৪৭বোরো চাল - সরু৬৬মাংসঃ– গরু৭২৯মুগ ডাল১২২রসুন - আমদানিকৃত১৯২রসুন - দেশী১৭৩সয়াবিন তেল১৬৩
হালনাগাদ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা২৭°মূলত পরিষ্কারআর্দ্রতা ৮৭%বাতাস কিমি/ঘ

৬ মাসের চিকিৎসা শেষে সুন্দরবনে ফিরলো সেই বাঘিনী

চোরা শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকে গুরুতর আহত হয়েছিল সুন্দরবনের একটি রয়েল বেঙ্গল বাঘিনী। প্রায় ছয় মাসের চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যায় সুস্থ হয়ে ওঠার পর অবশেষে তাকে আবারও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে তার প্রাকৃতিক আবাস সুন্দরবনে।

পরিবেশ

চোরা শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকে গুরুতর আহত হয়েছিল সুন্দরবনের একটি রয়েল বেঙ্গল বাঘিনী। প্রায় ছয় মাসের চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যায় সুস্থ হয়ে ওঠার পর অবশেষে তাকে আবারও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে তার প্রাকৃতিক আবাস সুন্দরবনে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের আন্ধারমানিক এলাকার গভীর বনে বাঘিনীটিকে অবমুক্ত করা হয়। এসময় বাঘিনীটির নিরাপদ বিচরণ ও অভিযোজন পর্যবেক্ষণে বন বিভাগ ২০টি ইনফ্রারেড ক্যামেরাও স্থাপন করেছে।

বনবিভাগ জানায়, গত ৪ জানুয়ারি, মোংলার সুন্দরবনের বৈদ্যমারী ফরেস্ট ক্যাম্প সংলগ্ন শড়কির খাল এলাকা থেকে বাঘটি উদ্ধার করা হয়েছিল। উদ্ধারের ৪/৫ দিন আগে চোরা শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকে ছিলো বাঘিনীটি। ফাঁদে আটকে পড়ায় বাঘটির সামনের বাম পায়ে মারাত্মক ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছিল। এতে বাঘটি অসুস্থ ও দুর্বল হয়ে পড়ে। পরে ঢাকা থেকে বনবিভাগের বিশেষজ্ঞ দল এসে ট্যাংকুলাইজারের মাধ্যমে বাঘটিকে অচেতন করে উদ্ধারের পর খুলনায় নিয়ে যায়। খুলনায় বনবিভাগের বন্যপ্রাণী উদ্ধার কেন্দ্রে ৬ মাস রেখে বাঘটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের দেওয়া চিকিৎসায় পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠার পর বাঘিনীটিকে ৬ মাস এক সপ্তাহের মাথায় রোববার সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, বাঘিনীটিকে যে এলাকায় অবমুক্ত করা হয়েছে সেখানে আগে থেকেই ১৯টি ইনফ্রারেড ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া যেখান থেকে আহত অবস্থায় বাঘিনীটিকে উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখানে আরও একটি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে স্থাপন করা এসব ক্যামেরার মাধ্যমে বাঘিনীটির চলাফেরা, আচরণ ও অভিযোজন পর্যবেক্ষণ করা হবে। ক্যামেরাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১০ সেকেন্ডের ভিডিও এবং পরবর্তী ১০ সেকেন্ডের স্থিরচিত্র ধারণ করবে।

রেজাউল করিম চৌধুরী আরও জানান, একটি পূর্ণবয়স্ক রয়েল বেঙ্গল টাইগার সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বিচরণ করে। তাই বাঘিনীটি আগের এলাকায় ফিরে আসে কি না, সেটিও পর্যবেক্ষণের আওতায় রাখা হয়েছে। যেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখান থেকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরের বনে বাঘিনীটিকে অবমুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রায় ৯ থেকে ১০ বছর বয়সী এবং প্রায় আট ফুট দীর্ঘ এই বাঘিনীকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করে পুনরায় সুন্দরবনে অবমুক্ত করার ঘটনা দেশে প্রথম। এটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বন বিভাগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধান বন সংরক্ষক (সিসিএফ) মো. আমির হোসাইন চৌধুরী, বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ অঞ্চলের বন সংরক্ষক (সিএফ) সানাউল্লাহ পাটোয়ারী, খুলনা সার্কেলের বন সংরক্ষক (সিএফ) ইমরান আহমেদ, সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) এজেডএম হাসানুর রহমানসহ বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আবু হোসাইন সুমন/কেএইচকে/এএসএম

জাগো নিউজ ২৪দা এগ্রো নিউজ

পরিবেশ

সম্পর্কিত খবর

পরিবেশ

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর

সাপ মানেই সেটি বিষধর- এমন ধারণা আমাদের অনেকের মধ্যে রয়েছে। বাড়ির উঠান, ঝোপঝাড়, কৃষিজমি কিংবা জলাশয়ের পাশে সাপের দেখা গেলে আতঙ্কিত হয় আমরা। অনেকে সাপটি চেনার আগেই সেটিকে মেরে ফেলে। অথচ বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা যায় এমন সাপের একটি বড় অংশই বিষধর নয়।

জাগো নিউজ ২৪১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬৮ মিনিটের পড়া
পরিবেশ

সঙ্গী হারালে একাকী জীবন, বংশবৃদ্ধি থমকে হারিয়ে যাচ্ছে শকুন

একসময় ভাগাড়ে তাকালেই দেখা মিলতো শকুনের। মৃত প্রাণী খেয়ে জীবন ধারণ করে বলে ‌'প্রকৃতির ঝাড়ুদার' বলা হয় এই প্রাণীকে। তবে দিন দিন কমছে শকুনের সংখ্যা। বলতে গেলে বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি।

জাগো নিউজ ২৪১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬৫ মিনিটের পড়া

মন্তব্য

()