আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
Advertisement
মন্তব্য করুন

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

মৎস্য

মাছ চাষে স্মার্ট প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বাংলাদেশি তরুণের সাফল্য

প্রকাশিত

হয়েছে

মাছ চাষের জন্য স্মার্ট প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতে নিয়েছে বাংলাদেশি তরুণ সফটওয়্যার প্রকৌশলী শফিউল আলম। দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ার বৃহৎ উদ্ভাবন প্রদর্শনীতে তুলে ধরা হয়েছে ওই প্রকল্প। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন উদ্ভাবিত ওই প্রকল্প মাছ উৎপাদন খাতে রাখবে অনন্য অবদান।

মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্যের পেছনে রয়েছে অগণিত চাষের পুকুর আর ক্ষুদ্র খামারির নিরন্তর প্রয়াস। সনাতন পদ্ধতি আর আধুনিক কিছু প্রযুক্তির সঙ্গেই অগ্রসর হয়েছে এই শিল্প। এর মধ্যেই চাষী লাভবান যেমন হয়েছেন, ব্যবস্থাপনার ত্রুটির কারণে গুনতে হয়েছে লোকসানও। ঠিক এই লোকসান থেকে মাছ চাষ শিল্পকে বাঁচাতেই তরুণ সফটওয়্যার প্রকৌশলী শফিউলের সফল প্রয়াস।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

এবার মাটি ছাড়াই ঘাস

প্রকাশিত

হয়েছে

এবার মাটি ছাড়াই ঘাস

সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে ঘাস উৎপাদনে শহর-নগরের খামারিদের উদ্বুদ্ধ করছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ। ইতোমধ্যেই এক্ষেত্রে এসেছে দারুণ সাফল্য। তারা বলছে, ভরপুর আমিষ সমৃদ্ধ পুষ্টিকর ঘাসের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরই উৎকৃষ্ট ক্ষেত্র।

এক কেজি গম বীজ থেকে চব্বিশ ঘণ্টায় অঙ্কুর, আর আট দিনে পাঁচ কেজি ঘাস। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে পুরোপুরি হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে চাষ। মাটিবিহীন এই চাষকে বলা হচ্ছে আগামীর কৃষি।

সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে সেন্টার ফর টেকলজি ট্রান্সফার এন্ড ইনোভেশন প্রকল্পের আওতায় গড়ে তোলা হয়েছে সারা বছর স্বয়ংক্রিয় মেশিনে ঘাস উৎপাদনের এই কক্ষ। তারা বলছেন, ৮ লাখ টাকা ব্যয়সাপেক্ষ একটি চেম্বারে প্রতিদিন উৎপাদন করা সম্ভব ৭’শ ৮৪ কেজি ঘাস। যা ৫৩টি গরুর প্রতিদিনের চাহিদামাফিক কাঁচা ঘাস। এই হিসেবে ৪ লাখ টাকাতেও গড়া সম্ভব এর অর্ধেক ক্ষমতাসম্পন্ন একটি চেম্বার।

আনুষ্ঠানিকভাবে রাজধানীর দুগ্ধ খামারিদের মাঝে তুলে ধরা হয়েছে পুষ্টিকর ঘাস উৎপাদনের সর্বাধুনিক এই ব্যবস্থা। ইতোমধ্যে দৃষ্টি কেঁড়েছে অনেকের।

অাগামীর কৃষিভিত্তিক উৎপাদন ব্যবস্থার প্রশ্নে প্রযুক্তি অনুসরনের কোনো বিকল্প নেই, বলছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রীও।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

মৎস্য

ক্ষেতজুড়ে ভূট্টার সোনালি আভা, সবার মুখেই লাভের গল্প

প্রকাশিত

হয়েছে

ক্ষেতজুড়ে ভূট্টার সোনালি আভা, সবার মুখেই লাভের গল্প

দেশে পাঁচ-ছয় বছরে ভূট্টার আবাদ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুন। পশ্চিমাঞ্চলের পর এবার প্রথম উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলিতে কৃষকের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসলে পরিনত হয়েছে ভূট্টা। তারা বলছেন, উন্নত বীজ ও বাজার নিশ্চিত করা গেলে ভূট্টা আবাদ করে আরো আর্থিক সাফল্য আনা সম্ভব।

২০১০-২০১১ অর্থবছরে দেশে ভূট্টার আবাদ ছিলো ১৫ দশমিক ৫২ লাখ টন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই আবাদ বেড়ে পৌঁছে ২৭ দশমিক ৫৯ লাখ টন। তবে এবার কৃষি বিভাগ ৩৫ লাখ টন ভূট্টা উৎপাদনের আশা করছে।

কম উপকরণ ব্যয় আর ঝামেলা মুক্ত কৃষির বিবেচনায় এখন ধান, কলাসহ অন্য যেকোন ফসলের তুলনায় ভূট্টার চাষ গুরুত্ব পাচ্ছে কৃষকের কাছে।

পঞ্চগড়, ‍ঠাকুরগাঁ ও দিনাজপুরসহ রংপুর অঞ্চলের বড় একটি অংশ এখন ক্ষেতজুড়ে ভূট্টার সোনালি আভা। কৃষকের ব্যস্ততা ভূট্টা তোলা ও মাড়াই ও শুকানোর কাজে। সবার মুখেই  লাভের গল্প।

তবে কৃষকের চাওয়া সরকার ধান চালের মতো নির্ধারিত মূল্যে ভূট্টা সংগ্রহ করলে লাভবান হবেন তারা। এদিকে বিভিন্ন কোম্পানির নিম্নমানের বীজের কারণে প্রতারিত হচ্ছেন অনেক ভূট্টা চাষী বলে অভিযোগ করেন কৃষকরা।

তবে কৃষি বিভাগ দাবি করেন, অভিযোগ পেলে বীজ কোম্পানির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। সবকিছু মিলিয়ে কৃষকদের একটাই চাওয়া বীজ কোম্পানির দায়িত্বহীন বাণিজ্যিক তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আসুক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

নির্বাচিত

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০১৯
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com