আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

জৈব

আম ভাঙার বিভ্রান্তি নিরসন জরুরি

প্রকাশিত

on

আম ভাঙার বিভ্রান্তি নিরসন জরুরি

এবারই প্রথম গাছ থেকে আম ভাঙার তারিখ নির্ধারণ করে দেয় প্রশাসন। কিন্তু বিষয়টি সুপরিকল্পিত নয় বলে অভিযোগ রয়েছে চাষী ও বাগান মালিকদের। আবার কারো কারো মতে, বাগানমালিকদের ঢালাও অভিযোগও গ্রহণযোগ্য নয়। কিন্তু তারিখ নিয়েও রয়েছে নানা রকম বিভ্রান্তি যা কাটিয়ে তোলা দরকার বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শখ আর স্বাদ গ্রহণের সীমানা পেরিয়ে আম যখন বিশাল বাণিজ্য ও অর্থের যোগানদার তখন এই ফলটি নিয়ে হেলাফেলা করা নয়। ভোক্তার কাছে শুদ্ধ ফল পৌঁছে দেওয়ার তাগিদেই এবার প্রথম এসেছে গাছ থেকে আম ভাঙ্গার তারিখ। কিন্তু কোন জেলার জন্য কোন তারিখ, কোন আমের পরিপক্ক হওয়ার দিনটাই বা কবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

আমের জেলা রাজশাহীর বাঘার কাছে হিসাবটি এক রকম। চাপাই নবাবগঞ্জের অন্যরকম।এই হিসাবটি শুধু এবারের জন্য নয়, আগামী উৎপাদন মৌসুমের শুরুতেই ব্যাপক প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা চাষী, বাগানমালিক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সবার জন্যেই রাখবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। রাজশাহীর একজন আম চাষী অভিযোগ করে বলেন, আমরা এবার বাজারেই যেতে পারি নাই। আমগুলো সব নষ্ট হয়ে গেছে। আম ভাঙার তারিখ ১৫ দিন পিছিয়ে দেওয়ায় এখন আমাদের ১০ টাকা কেজি আম বিক্রি করতে হচ্ছে।

কিন্তু কিছুটা আলাদা কথা বলেন চাপাইনবাবগঞ্জের চাষী ও ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, সরকার আমাদের একটা নিয়ম করে দিয়ে গেছে, ৫ তারিখের আগে আম ভাঙা যাবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরফউদ্দিন বলেন, জুনের ১ তারিখ থেকে আম সংগ্রহের তারিখ নির্ধারণ ছিলো। রাজশাহীতে জুনের ৫ তারিখ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর কবির বলেন, কিছু আম জুনের প্রথমে এবং বাকিগুলো ১৫ তারিখের আগে পাড়া যাবে না। চুয়াডাঙ্গার হিসাব আবার আলাদা।

একজন চাষী বলেন, উপজেলা অফিসারের সঙ্গে একটা কনফারেন্স হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, আম পরিপক্ক হবে তারপর আম ভাঙবে।

এই অবস্থায় চাষীরা কোন দিকে যাবে? কয়েকজন কৃষকের অভিযোগ, সরকারের এমন সিদ্ধান্তে চাষী-ব্যবসায়ী সব ধ্বংস। অন্যরা আবার বলেন, সরকারের সিদ্ধান্তকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই কৃষকদের থাকতে হবে।

দ্বিধা দূর করতে রাজশাহীর আম গবেষক মাহবুব সিদ্দিকি একটি আম ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করেছেন।তিনি বলেন, গোপালভোগটা মে মাসের ২৫ তারিখের আগে কেনা যাবে না, খাওয়াও যাবে না। এরপর আসবে হিমসাগর ও ল্যাংড়া।

সূত্র – চ্যানেল আই অনলাইন

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
Advertisement
মন্তব্য করুন

You must be logged in to post a comment Login

Leave a Reply

জৈব

মাটির সুরক্ষায় প্রয়োজন জৈবসার, প্রয়োজন জৈব উদ্যোগ

প্রকাশিত

হয়েছে

মাটির সুরক্ষায় প্রয়োজন জৈবসার, প্রয়োজন জৈব উদ্যোগ

কবি কাজী নজরুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘খাঁটি সোনার চেয়েও খাঁটি আমার দেশের মাটি’। সত্যি, আমার দেশের মাটি সোনার চেয়ে খাঁটি। এ মাটির উর্বরতা বিশে^র বিস্ময় ছিল। নদীবিধৌত পলি জমা উর্বর মাটিতে সহজেই ফলত সোনার ফসল। কিন্তু আমরাই দিন দিন মাটিকে দূষিত করে তুলেছি, নষ্ট করে ফেলেছি এর উর্বরতা। বর্ধিত জনসংখ্যার মুখে খাদ্য তুলে দিতে অধিক ফসল ফলানোর জন্য জমিতে প্রয়োগ করতে হচ্ছে রাসায়নিক সার। অন্যদিকে অধিক কর্ষণে মাটি হারিয়েছে তার উর্বরতা, নষ্ট হয়েছে জৈবগুণ। সময়ের সঙ্গে বেড়েছে ফসল-বৈচিত্র্য। কিন্তু কোন জমিতে কোন ফসল চাষ করলে কী পরিমাণ সার প্রয়োগ করতে হবে, সে সম্পর্কে কৃষকের তেমন জানাবোঝা নেই। সত্যি বলতে সরকারের কৃষি বিভাগের লোকজনও এ বিষয়ে সচেতন ছিল না। গত কয়েক বছর ধরেই ‘কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট’-এর অনুষ্ঠানগুলোয় আমি কৃষকের কাছে জানতে চেয়েছি তারা মাটি পরীক্ষা করে কিনা। এক শতাংশেরও কম কৃষক বলেছেন তারা মাটি পরীক্ষা করেন। সবচেয়ে হতাশার বিষয়, মাটি পরীক্ষার বিষয়টি সম্পর্কে ধারণা রাখেন এমন কৃষকের সংখ্যা শতকরা পাঁচজনও পাইনি। অথচ এ মানুষগুলোরই জানা দরকার ছিল জৈব পদার্থই হলো মাটির প্রাণ। শস্য উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা রক্ষার্থে প্রয়োজন মাটিতে শতকরা পাঁচ ভাগ জৈবসার থাকা। এই না জানার কারণে তারা বছরের পর বছর ধরে অতিরিক্ত সার আর কীটনাশক ব্যবহার করেছেন। এতে অধিকাংশ এলাকার মাটির জৈব পদার্থ নেমে এসেছে শতকরা এক ভাগের নিচে, যা ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে এক বিরাট হুমকিস্বরূপ। আমি আশাবাদী মানুষ, আমি জানি আর সব সংকটের মতো এ সংকট থেকেও আমাদের কৃষক ক্রমে বের হয়ে আসবেন। এর জন্য চাই উদ্যোগ। যারা এ সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে ভিতরে ভিতরে কাজ করছেন তাদের আমরা ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’-এর নিয়মিত অভিযান গ্রো-গ্রিনে অনেকবার তুলে ধরেছি; যা দেশের বহু কৃষক, কৃষি উদ্যোক্তা, তরুণকে অনুপ্রাণিত করেছে। তাদের বুঝতে শিখিয়েছে, আজকের দিনে উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন কৃষিচর্চার বিকল্প নেই। উপায় নেই মাটিকে বাঁচানোর চিন্তা থেকে দূরে সরে আসার। টেলিভিশনের কৃষিবিষয়ক অনুষ্ঠানগুলো অনুপ্রাণিত করেছে অসংখ্য তরুণকে। তারা কৃষির পরিবর্তনে নিয়েছে নানা উদ্যোগ।

পাঠক! এমন এক উদ্যোগের কথাই আপনাদের বলতে চাই। উদ্যোক্তার নাম কামরুল হাসান রিপন। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানি গ্রামের শিক্ষিত এ তরুণ নিয়েছেন ব্যতিক্রমধর্মী এক উদ্যোগ। তিনি তার একদল বন্ধুকে নিয়ে একদিকে যেমন কৃষককে সচেতন করছেন মাটি পরীক্ষা করে চাষাবাদের জন্য, অন্যদিকে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারে সহায়তা দিয়ে তৈরি করেছেন ভিন্নরকম সংগঠন; যা ধীরে ধীরে রূপ নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানে। আপনাদের সে গল্পই শোনাতে চাই।এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে, নাটোরে কৃষি বাজেট কৃষকের বাজেট অনুষ্ঠান ধারণের পরদিন। নাটোর থেকে ভোরে রওনা হলাম রাজশাহীর দিকে। উদ্দেশ্য, কামরুল হাসান রিপনের গ্রিন লাইট প্রকল্প দেখা। রাস্তায় চলতে চলতে চোখ যাচ্ছিল ফসলের মাঠের দিকে। এ অঞ্চলে এখন নানারকম ফসলের সম্ভার। একদিকে যেমন উচ্চমূল্যের ফল-ফসল ড্রাগন, পেয়ারা, মাল্টা চাষ করছেন কৃষক, অন্যদিকে বিদেশি সবজির পাশাপাশি চাষ করছেন ভুট্টা, ধান, পেঁপে, করলা থেকে শুরু করে লাউ-কুমড়াও। গাছে গাছে কাঁচা আম ঝুলে আছে। আর আছে সুপার ফুড শজনে। এখন শজনের ভর মৌসুম। শুধু গাছেই নয়, পথের ধারের বাজারেও চোখে পড়ল আঁটিবাঁধা শজনের।

আড়ানি পৌঁছাতে পৌঁছাতে সকাল হলো। কিন্তু মেঘলা আকাশ, সূর্যের দেখা নেই। দেখা হলো রিপনের সঙ্গে। সুদর্শন উদ্যমী এক তরুণ। বিস্তারিত জানতে চাই তার কার্যক্রম সম্পর্কে। ফসলের মাঠের আল ধরে হাঁটতে হাঁটতে শুনছিলাম তার জীবনের গল্প। বলছিলেন, কৃষি নিয়ে কাজ করার বীজ তার ভিতর বপিত হয়েছে সেই বিটিভির মাটি ও মানুষ দেখে। তারপর চ্যানেল আইয়ের ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’-এ সবসময়ই চোখ রেখেছেন, খোঁজ রেখেছেন কৃষিতে কোথায় কী হচ্ছে? নতুন কিছু করার সম্ভাবনাটা কোথায় বোঝার চেষ্টা করেছেন তিনি। বিশ^বিদ্যালয়ের পাট চুকিয়ে চাকরি নেন। চাকরি করতে করতেই চিন্তা করলেন নিজে কিছু করার। কৃষির প্রতি তার টান আশৈশব। চাকরি ছেড়ে ২০১৬ সালে শুরু করেছিলেন সবুজের এক অভিযান। সঙ্গে যুক্ত করেছেন এলাকার আরও কয়েকজন কৃষি-অন্তপ্রাণ শিক্ষিত তরুণকে। যাদের সমন্বিত উদ্যোগে গড়ে উঠেছে ‘গ্রিন লাইট মৃত্তিকা উন্নয়ন লিমিটেড’ নামে জৈব কৃষি সংগঠন। যারা এখন এলাকার মাটির জৈব উন্নয়নসহ কৃষিকে এগিয়ে নিতে কাজ করছে।

বর্তমানে তাদের এ কর্মপরিধি বিস্তার লাভ করেছে রাজশাহী জেলার আটটি উপজেলায়। গ্রামে গ্রামে মানুষকে একত্রিত করে ধারণা প্রদান করছেন জৈব কৃষি সম্পর্কে। গ্রামের মানুষকে বোঝাচ্ছেন মাটির সুস্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনতে হবে; যা করতে দরকারি তথ্য ও কৌশল সম্পর্কে ধারণা দিচ্ছেন বায়োস্কোপে ভিডিও প্রদর্শন করে। এভাবেই ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে শুরু করেছে জৈব কৃষির তাগিদ। এলাকার কৃষির চিত্র বদলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রতিদিন এ তরুণ দল ছুটে চলে গ্রাম থেকে গ্রামে। অল্প টাকার বিনিময়ে আবাদি জমির মাটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অধিক ও মানসম্মত ফসল উৎপাদনের প্রেসক্রিপশন দেন তারা। এ দলটিকে নিয়ে যাই কৃষকের মাঠে। কৃষকের কাছ থেকেই জানতে চাই কী ভূমিকা রাখছে ‘গ্রিন লাইট?’ পেয়ারা চাষি আমিনুল ইসলাম বলেন, তিন বিঘা জমি লিজ নিয়ে তিনি পেয়ারা চাষ করছেন তিন বছর ধরে। প্রথম বছর বেশ ভালো ফলন হয়। কিন্তু দ্বিতীয় বছরে এসে ফলন কমে যায়। গত বছর রিপনের দল এসে মাটি পরীক্ষা করে জৈবসার প্রয়োগ করার পরামর্শ দেয়। জৈবসার ব্যবহার করে এ বছর তার ফলন ভালো হয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা তার উৎপাদন খরচ কমে গেছে। পেয়ারার আকারও বড় হয়েছে। আগে একটা পেয়ারার আকার হতো ৩০০-৪০০ গ্রাম। এ বছর পাচ্ছেন ৬০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের পেয়ারা। আমিনুলের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ‘উৎপাদন খরচ কীভাবে কমল?’ উত্তরে জানালেন, জৈবসার ব্যবহার করার ফলে রাসায়নিক সার কম দিতে হয়। জৈবসারের খরচ ৬০০ টাকা হলে টিএসপিতে খরচ হতো ১ হাজার ২০০ টাকা। পাশেই ছিলেন পেয়ারা চাষি আতাউর রহমান। তিনি জানান, সাড়ে চার বিঘা জমিতে এ বছর পেয়ারা উৎপাদনে তিনি খরচ করেছেন ৩ লাখ টাকা, আর পেয়ারা বিক্রি করেছেন ১০ লাখ টাকার। জৈবসার ব্যবহারের ফলেই তার পেয়ারার ফলন এ বছর ভালো হয়েছে। পিয়াজ চাষি হিমেল শোনালেন তার লাভের গল্প। তিনি বলেন, জৈবসার ব্যবহারে রাসায়নিক সার যেমন কম প্রয়োগ করতে হয় তেমনি সেচও কম লাগে। এক বিঘা জমিতে পিয়াজ চাষে গত বছর খরচ হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা। পিয়াজ পেয়েছিলেন ৭০ মণ। এ বছর জৈবসার ব্যবহারের ফলে খরচ হয়েছে ২২ হাজার টাকা। পিয়াজ পেয়েছেন ১২০ মণ।

কৃষকের সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেল তারা জানেন, ফলন ঠিক রেখে উৎপাদন ধরে রাখতে হলে দরকার মাটি পরীক্ষা করে মাটিতে দরকারি জৈব উপাদান নিশ্চিত করা। আর বিরাট পরিবর্তনটিই নিয়ে এসেছেন রিপন ও তার দল। তবে তরুণ এই কৃষি সংগঠকদের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর্থিক জোগান ধরে রাখা। তারা বলছিলেন, আর্থিক সহযোগিতা পেলে তারা এ কার্যক্রমটিকে আরও দ্রুত ছড়িয়ে দিতে পারতেন। এগিয়ে যেতে পারতেন স্বপ্ন পূরণে বহুদূর।

এই কামরুল হাসান রিপনের মতো শিক্ষিত ও সৃজনশীল তরুণরাই আগামীতে কৃষির হাল ধরবেন। দেশকে নিয়ে যাবেন আরও উন্নত ও সমৃদ্ধির দিকে। কেননা আগামীর কৃষি মানে উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন কৃষি। সেই সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে মুক্তবাজার অর্থনীতি আর বৈরী জলবায়ুর। আর এজন্যই রিপনদের মতো শিক্ষিত উদ্যোক্তাদের এমন উদ্যোগ আরও বেশি প্রয়োজন। হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানে এর আগেও দেশের বহু তরুণকে দেখিয়েছি, যাদের একেকজন কৃষিকে আঁকড়ে নতুন নতুন স্বপ্ন দেখছেন। নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে তারা সাফল্যের দিকে এগিয়ে গেছেন। আমার বিশ্বাস, রিপন ও তার দল তাদের স্বপ্ন নিয়ে আরও বহুদূর অগ্রসর হবেন। সব কৃষক মাটি পরীক্ষা করে ফসল ফলাবেন। আর জৈবসার ব্যবহারে মাটিকে ফিরিয়ে দেবেন তার জৈবগুণ। মাটি পাবে আগের উর্বরতা। কৃষকের কণ্ঠে সুর উঠবে- ‘ও ভাই, খাঁটি সোনার চেয়েও খাঁটি আমার দেশের মাটি’।

শাইখ সিরাজ

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

জৈব

কৃষির প্রতি ভালোবাসা চিত্রনায়িকা ববিতার

প্রকাশিত

হয়েছে

কৃষির প্রতি ভালোবাসা চিত্রনায়িকা ববিতার

গাছপালা আর পাখপাখালির ভালোবাসায় নিজের জীবনকে জড়িয়ে রেখেছেন প্রিয়দর্শিনী চিত্রনায়িকা ববিতা। ঘরে বাইরে সবখানে শৌখিন কৃষির সঙ্গেই বসবাস তার। বলেছেন, এর মধ্যেই তিনি খুঁজে পেয়েছেন প্রকৃত ভালোবাসা আর জীবনের স্বাদ।

প্রাসাদতুল্য বাড়ি, কিন্তু মাটি থেকে বিচ্ছিন্ন নয়। বাড়ির লিভিং এরিয়া গিয়ে মিশেছে আকাশে। আর উর্ধ্বমুখি বনস্পতির নীচে সবুজের স্তর। এই নিয়ে সংসার সত্তর, আশি আর নব্বই দশক কাঁপানো প্রিয়দর্শিনী চিত্রনায়িকা ববিতার।

বাসার সবখানেই গাছের সৌন্দর্য। বারান্দাগুলোয় সতেজ ফুল আর পাতাবাহারের সৌন্দর্য। ফরিদা আখতার ববিতা বললেন, কৃষির প্রতি অদম্য এই টান তার বাল্যবেলা থেকেই।

ছাদে অন্য এক পরিবেশ। এখানেও রয়েছে ফল ফসল আর সৌন্দর্যময় গাছের সমাবেশ। বললেন, এই অনুরাগের পেছনের আরেক সূত্র টেলিভিশন অনুষ্ঠান। চিত্রনায়িকার স্বপ্ন এই নগর সেজে উঠুক সবুজে, সৌরভে।

সূত্রচ্যানেল আই অনলাইন

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

জৈব

সাভারের আশুলিয়ায় রাজিয়া সুলতানার ব্যতিক্রমী কৃষি উদ্যোগ

প্রকাশিত

হয়েছে

সাভারের আশুলিয়ায় রাজিয়া সুলতানার ব্যতিক্রমী কৃষি উদ্যোগ

সাভারের আশুলিয়ায় ব্যতিক্রমী কৃষি উদ্যোগ নিয়ে সাড়া ফেলেছেন রাজিয়া সুলতানা নামের এক তরুণী গৃহবধু। ১৮ বিঘা জমিতে তিনি গড়ে তুলেছেন বিদেশি সবজির খামার। কৃষি বিনিয়োগে লাভ নিশ্চিত করতে চুলচেরা হিসাবের নজিরও গড়েছেন তিনি।

আবাদি ক্ষেতের মধ্যেই আবাসিক প্লটের আয়োজন। সেখানেই টুকরো টুকরো ক্ষেতে তরতরিয়ে বেড়ে উঠছে বিদেশি সবজি। বাংলাদেশের মাটি ঠিকই চিনে নিয়েছে বকলি, ক্যাপসিকাম, চেরি টমেটো, রেডবিট, সেলেরি, চাইনিজ ক্যাবেজের মতো সবজিকে। কয়েকটি খণ্ডে ১৮ বিঘার এই ফসলি সংসার গড়েছেন রাজিয়া সুলতানা।

ভোক্তা চাহিদা, উৎপাদনমূল্য আর লাভের হিসাব করেই রাজিয়া একের পর এক নতুন সবজি যুক্ত করছেন তার এই খামারে।

শিক্ষাজীবন শেষে সংসার জীবনে এসে কৃষিকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন রাজিয়া। মাত্র তিন বছরের অভিজ্ঞতা তাকে দিয়েছে বহুদূর এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন।

এই তরুণী কৃষক এখন পাল্টে দিয়েছেন অন্য কৃষকের চিন্তা-ভাবনাও।

সূত্রচ্যানেল আই অনলাইন

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
দৈনন্দিন3 weeks ago

শেক্সপিয়ারের মৃত্যুর চারশ বছর

মৎস্য3 weeks ago

রশি হেঁটে নদী পার | কৃষকের ঈদ আনন্দ |

দৈনন্দিন4 weeks ago

ক্ষেতজুড়ে ভূট্টার সোনালি আভা

মৎস্য4 weeks ago

মাছ চাষে স্মার্ট প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বাংলাদেশি তরুণের সাফল্য

মৎস্য1 month ago

এবার মাটি ছাড়াই ঘাস

অন্যান্য1 month ago

রাজশাহীতে স্বপ্নের মতো করে সাজানো এক দম্পতির ছাদকৃষি

ফল1 month ago

আবু নাসের মোহাম্মদ রফিকের ছাদ কৃষি

মৎস্য1 month ago

ক্ষেতজুড়ে ভূট্টার সোনালি আভা, সবার মুখেই লাভের গল্প

মৎস্য1 month ago

নেক ব্লাস্ট: বোরোর জন্য আরেক বিপর্যয়

অন্যান্য1 month ago

রাজধানীর সিপাহীবাগে ব্যাংক কর্মকর্তার ছাদ কৃষি

অন্যান্য1 month ago

কৃষিতে এক প্রাণপুরুষের জীবনাবসান

মৎস্য1 month ago

উগান্ডায় প্রবাসী বাংলাদেশির উদ্যোগে মাছ চাষ

অন্যান্য1 month ago

ফসল ফলছে জাদুর মতন

অন্যান্য1 month ago

জিআই পণ্য হিসেবে বাংলাদেশের ইলিশের স্বীকৃতি লাভ, দ্বার খুলে গেছে নতুন সম্ভাবনার

এগ্রোবিজ1 month ago

মাটি ছাড়াই উৎপাদন হচ্ছে বিষমুক্ত ফসল

জৈব2 months ago

আম ভাঙার বিভ্রান্তি নিরসন জরুরি

জৈব2 months ago

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে দুই তরুণের বায়োফ্লক প্রকল্প

মৎস্য4 weeks ago

মাছ চাষে স্মার্ট প্রযুক্তি উদ্ভাবন, বাংলাদেশি তরুণের সাফল্য

জৈব2 months ago

আম চাষে সরকারি প্রস্তুতি না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত চাষী

দৈনন্দিন3 weeks ago

শেক্সপিয়ারের মৃত্যুর চারশ বছর

মৎস্য1 month ago

এবার মাটি ছাড়াই ঘাস

ফল1 month ago

আবু নাসের মোহাম্মদ রফিকের ছাদ কৃষি

দৈনন্দিন4 weeks ago

ক্ষেতজুড়ে ভূট্টার সোনালি আভা

অন্যান্য1 month ago

রুক্ষ ভূমিতে ড্রাইভার মতিউরের মাল্টা চাষে চমকপ্রদ সাফল্য

জৈব2 months ago

মাছ চাষের আধুনিক ঘরোয়া পদ্ধতি ‘রাস’ নিয়ে অগ্রসর চীন

এগ্রোটেক1 month ago

আন্তর্জাতিক কৃষি যন্ত্রপাতির প্রদর্শনীতে প্রযুক্তির উৎকর্ষ

মৎস্য1 month ago

উগান্ডায় প্রবাসী বাংলাদেশির উদ্যোগে মাছ চাষ

জৈব2 months ago

ঘরোয়া মাছ চাষের নতুন প্রযুক্তি ‘বায়োফ্লক’

জৈব2 months ago

কৃষির প্রতি ভালোবাসা চিত্রনায়িকা ববিতার

অন্যান্য1 month ago

রাজশাহীতে স্বপ্নের মতো করে সাজানো এক দম্পতির ছাদকৃষি

নির্বাচিত

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০১৯
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com