আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

৪ নদীতে ৩০ হাজার টন প্লাস্টিক

ওয়েস্ট কনসার্ন-এর জরিপের তথ্য। মানুষের ব্যবহার করা মাস্ক ও গ্লাভসের ৯২ শতাংশ খাল-বিল-নালা হয়ে নদীতে পড়ছে।

শিল্পকারখানা আর শহরের পয়োনিষ্কাশনের সব বর্জ্য নিয়ে ফেলা হচ্ছে নদীতে। বুড়িগঙ্গা–কর্ণফুলীর মতো একসময়ের টলটলে পানির নদীগুলো এ কারণে এখন মারাত্মক দূষণের শিকার। দেশের অন্য নদীগুলোরও দূষণের চিত্র প্রায় একই। সাম্প্রতিক কিছু গবেষণা এর চেয়েও ভয়াবহ বিপদের কথা উঠে এসেছে। আর তা হচ্ছে প্লাস্টিকের দূষণ। শুধু রাজধানীর চারপাশের চারটি নদীতে ৩০ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য পাওয়া গেছে। এর অর্ধেকই রয়েছে বুড়িগঙ্গায়।

বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বেসরকারি সংস্থা ওয়েস্ট কনসার্ন–এর এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। এর আগে ২০১৮ সালে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক ও জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ইউএনইপির হিসাবে বুড়িগঙ্গা বিশ্বের অন্যতম দূষিত নদীর তালিকায় নাম লিখিয়েছিল। আর ২০২০ সালে বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যানুসারে, প্লাস্টিক দূষণের দিক থেকে গঙ্গা, পদ্মা, যমুনা যৌথভাবে বিশ্বের দ্বিতীয় দূষিত অববাহিকা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল।

এ ব্যাপারে ওয়েস্ট কনসার্নের নির্বাহী পরিচালক মাকসুদ সিনহা প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর মতো দেশের অন্য বড় শহরের নদীগুলোয়ও প্লাস্টিকের দূষণ তীব্র হয়েছে। আমরা ওই চার নদীর জরিপ করতে গিয়ে দেখেছি, সেখানে প্লাস্টিকসহ অন্য ময়লা ফেলার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। এই নদীগুলোকে ভাগাড়ে পরিণত করা হয়েছে।’

করোনাকালে প্লাস্টিক দূষণ বাড়ছে

করোনাভাইরাসের মহামারির এ সময় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের বায়ুও আগের চেয়ে নির্মল হয়েছে। কার্বন নিঃসরণ ৪ শতাংশ কমেছে। প্রকৃতিতেও ফিরেছে নানা বৈচিত্র্য। কিন্তু এর মধ্যেও হতাশার চিত্র নিয়ে এসেছে নদীতে প্লাস্টিক দূষণ। করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে মানুষের ব্যবহার করা মাস্ক ও গ্লাভসের ৯২ শতাংশ খাল–বিল–নালা হয়ে নদীতে পড়ছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, সামগ্রিকভাবে প্লাস্টিক দূষণের দিক থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া গঙ্গা, পদ্মা ও যমুনা নদী বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

বিশ্ব বন্য প্রাণী তহবিলের গত আগস্টের হিসাবে, বিশ্বে গত এপ্রিল থেকে প্রতি মাসে ১২ হাজার ৯০০ কোটি মাস্ক ও ৬ হাজার ৬০০ গ্লাভস নদী হয়ে সাগরে পড়ছে। এর আগে বিশ্বে বছরে ৮০ কোটি টন প্লাস্টিক নদী হয়ে সাগরে জমা হতো, যা বছরে ১০ লাখ সামুদ্রিক পাখি ও ১ লাখ মাছের মৃত্যু ডেকে আনে।

বঙ্গোপসাগরে ৩০০ ধরনের প্লাস্টিক

পরিবেশবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের প্লাস্টিক দূষণ নিয়ে করা ‘উৎস থেকে সাগরে’ শীর্ষক চলমান এক গবেষণায় আরও ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পরিবেশবিষয়ক নারী বিজ্ঞানীদের নিয়ে গড়ে ওঠা ওই দলের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, পদ্মা থেকে ৩০০ ধরনের প্লাস্টিক পণ্য বঙ্গোপসাগরে পড়ছে। কোমল পানীয়র বোতল থেকে শুরু করে থালা, প্রসাধনসামগ্রীর মোড়ক এবং নিত্যব্যবহার্য থালা ও জগ—সবই ছিল ওই তালিকায়। ব্যবহার করার পর তা বিভিন্ন জলাশয়ে ফেলে দেওয়া হয়। পরে তা নদী হয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ে। গবেষণাটি কয়েকটি ধাপে করা হচ্ছে। এর মধ্যে গত বছর দুটি ধাপ সম্পন্ন হয়েছে।

অধিক জনসংখ্যা আর অর্থনৈতিক কারণে বাংলাদেশের মানুষ প্লাস্টিকের ব্যবহার বেশি করে। ফলে একই সঙ্গে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে সস্তা পরিবেশবান্ধব পণ্য উদ্ভাবন করতে হবে।

গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধূরী, সহকারী অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম রফিক আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে তা সংগ্রহ করে নিরাপদ স্থানে ফেলতে হবে। যেসব দেশ প্লাস্টিক তৈরি করছে, তাদেরও এই দূষণের দায় নিতে হবে। ফলে সব মিলিয়ে প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণে আমরা কাজ করছি। আর পলিথিনের কারখানা ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে অভিযানও চালাচ্ছি।’

গত জুনে জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ইউএনইপি ‘বিশ্বের প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিস্থিতি’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, প্রতিদিন প্রায় ৭৩ হাজার টন প্লাস্টিক বর্জ্য বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ছে। পরিমাণের দিক থেকে এটি বিশ্বে পঞ্চম। এই বর্জ্যের উৎস গঙ্গা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার দেশ চীন, ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশ। বাংলাদেশের পদ্মা, মেঘনা, যমুনা হয়ে এগুলো সাগরে যায়।

বেসরকারি সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এসডিও) ২০১৯ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের জলে-স্থলে বর্তমানে ৬৫ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য জমা হয়েছে। প্রতিদিন এর সঙ্গে ৩ হাজার টন করে যোগ হচ্ছে। সংস্থাটি দেশের পরিবেশের জন্য অন্যতম প্রধান হুমকি হিসেবে প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যাগকে চিহ্নিত করেছে। তারা বলছে, দেশে যেখানে জৈব বর্জ্য বৃদ্ধির হার ৫ দশমিক ২ শতাংশ, সেখানে প্লাস্টিক বর্জ্য বৃদ্ধির হার সাড়ে ৭ শতাংশ। পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক জেনেও দেশের ৬১ শতাংশ মানুষ পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করছে।

জানতে চাইলে ‘উৎস থেকে সাগরে’ শীর্ষক গবেষণা দলের অন্যতম সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধূরী প্রথম আলোকে বলেন, অধিক জনসংখ্যা আর অর্থনৈতিক কারণে বাংলাদেশের মানুষ প্লাস্টিকের ব্যবহার বেশি করে। ফলে একই সঙ্গে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে সস্তা পরিবেশবান্ধব পণ্য উদ্ভাবন করতে হবে। যাঁরা প্লাস্টিকের ব্যবহার করছেন, তাঁদের সচেতন করতে হবে। যাতে তাঁরা যত্রতত্র প্লাস্টিকসামগ্রী না ফেলে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

গোলাপের মাঝে কুণ্ডলী পাকিয়ে ভয়ঙ্কর নীল সাপ! (ভিডিও)

গোলাপের মাঝে কুণ্ডলী পাকিয়ে ভয়ঙ্কর নীল সাপ! (ভিডিও)

লাল গোলাপের মাঝে কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে থাকা একটি নীল সাপের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে কেউ একজন সেই গোলাপের বোটা ধরে ভিডিও করছেন। লাইফ অন আর্থ নামের একটি টুইটার থেকে এমন একটি ভয়ংকর সুন্দর ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তবে ঠিক কোথায় বসে সাপটির ভিডিও করা হয়েছে, সে বিষয়ে টুইটারে কোনো ধারণা দেয়া হয়নি। 

১২ সেকেন্ডের ক্লিপটির ক্যাপশনে লেখা, ‘অবিশ্বাস্য সুন্দর নীল পিট ভাইপার।’ বিরল প্রজাতির এই সাপ সাধারণত ইন্দোনেশিয়া এবং পূর্ব তিমুরে দেখা যায়। সাপটি দেখতে সুন্দর হলেও এরা বেশ বিপজ্জনক। মজার ব্যাপার হল এই প্রজাতির সাপেরা অনেক সময় সবুজ বাচ্চাও জন্ম দিয়ে থাকে। দেখুন সেই ভিডিওটি-

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

দেখা মিলল বিরল দু’মুখো সাপের, ভিডিও ভাইরাল

দেখা মিলল বিরল দু’মুখো সাপের, ভিডিও ভাইরাল

সাপের সাধারণত একটি মাথা থাকে। তবে এবার দুই মাথাওয়ালা সাপের দেখা মিলেছে। আমেরিকার নর্থ কারোলিনার বাসিন্দা জেনি উইলসন প্রথম দেখেছেন এই সাপ। এরপর তিনি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করেন, যা এখন ভাইরাল।

জেনি উইলসন সাপ দেখার পর নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে ফোন করে নিজের স্বামীকে ডাকেন। তবে তিনি সাপটিকে মারা তো দূরের কথা, আঘাতও করেননি। বরং প্রথমে ভিডিও করেন এবং তার পরে একটি জারে ঢুকিয়ে ফেলেন দু-মাথা ওয়ালা সাপটিকে।জেনি বলেন, প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম। তারপরে দুটি মাথা দেখে অবাক হয়ে যাই। কিন্তু আমি সাপটাকে মেরে ফেলতে চাইনি। তাই জারে ভরে ফেলি। ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করার সময়ে জেনি ঘরের মধ্যে মেলা দুই মুখওয়ালা সাপের নাম দিয়েছেন, ‘ডবল ট্রাবল’।

পরে কাটাওবা সায়েন্স সেন্টার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাপটিকে ওই সংস্থার হাতে তুলে দিয়েছেন জেনি। ওই বিজ্ঞান সংস্থাটি জানিয়েছে, সাপটি মোটেও বিষধর নয়। ব়্যাট স্নেক প্রজাতির সাপটির বয়স চার মাসের মতো। তবে একটা সাপের দুটি মুখ হওয়াটা খুবই বিরল। সাধারণত এক লাখের মধ্যে এমন সাপ একটি হয়। কাটাওবা সায়েন্স সেন্টার জানিয়েছে, এই বিরল সাপটিকে স্কুল পড়ুয়াদের দেখানোর জন্য রাখা হবে। দেখুন সেই ভিডিওটি-

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

সন্ধান মিলল ১৩ হাজার বছর আগের মানুষের পায়ের ছাপের!

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকোর হোয়াইট স্যান্ডস ন্যাশনাল পার্কের শুকিয়ে যাওয়া এক নদীখাত থেকে ১৩ হাজার বছর আগের আদিম মানুষের জীবাশ্মে পরিণত হয়ে যাওয়া পায়ের ছাপ উদ্ধার হয়েছে। 

অনেকগুলি পায়ের ছাপের জীবাশ্ম পেয়েছেন নৃতত্ত্ববিদরা। তবে তারা জানান, সবক’টি পায়ের ছাপই পরস্পরের সঙ্গে মিলে যায়। এবং পরীক্ষা করে তারা বুঝতে পেরেছেন, ওই সব জীবাশ্মের মধ্যে রয়েছে পূর্ণবয়স্ক এক পুরুষ, প্রাপ্তবয়স্কা এক নারী এবং এক শিশুর পদচিহ্ন। নৃতত্ত্ববিদরা বলছেন, ওই মানুষগুলি খুব তাড়াহুড়ার মধ্যে ছিলেন। কী করে জানলেন বিজ্ঞানীরা? তারা দেখেছেন, আদিম পুরুষ এবং নারীর প্রতি সেকেন্ডে পদক্ষেপের গতি ছিল ১.৭ মিটার। ধীরে হাঁটলে যা হওয়ার কথা প্রতি সেকেন্ডে ১.২ মিটার বা বড়জোর ১.৫ মিটার। 

নৃতত্ত্ববিদরা আরও জানান, এই দম্পতির পায়ের ছাপের মাঝে আচমকাই এক শিশুর পায়ের ছাপও দেখা গেছে। এ থেকে তাদের অনুমান- হয়তো মা ক্লান্ত হয়ে শিশুটিকে কিছুক্ষণের জন্য কোল থেকে নামিয়েছিলেন। নৃতত্ত্ববিদদের দাবি, ফেরার পথে আর শিশুটির পায়ের ছাপ দেখা যায়নি। কেন?

বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, সেই সময়ে  অসংখ্য ভয়ঙ্কর সব প্রাণীরা ছিল। হয়তো তাদের থেকে সুরক্ষার জন্য শিশুটিকে নিরাপদ কোনও আশ্রয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন বাবা-মা। আদিম ওই বাবা-মা শিশুটিকে হয়তো নিরাপদ কোনও জায়গায় লুকিয়ে রেখে আবার আগের জায়গায় ফিরে গিয়েছিলেন। তাই ফেরার পথে আর শিশুটির পায়ের ছাপ দেখা যায়নি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

রহস্যে মোড়া আড়াই হাজার বছর পুরনো ১০০ কফিন উদ্ধার

১০০টি কফিন উদ্ধার করা হয়েছে মিশরের রাজধানী কায়রোর দক্ষিণে সাক্কারা নেক্রোপলিসের কবরস্থান থেকে। এই কফিনগুলো আড়াই হাজার বছর পুরনো, যা উদ্ধার করেছে স্থানীয় পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। কফিনগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটিতে অক্ষত মমি পাওয়া গেছে। অন্তত ৪০টি কফিনে সোনার প্রলেপও দেওয়া রয়েছে। বেশ কয়েকটি কফিনের ভেতর সোনার মূর্তিও রয়েছে বলে গেছে।

উদ্ধার হওয়া একশোটি কফিন পলিমেইক শাসনকালের বলে জানিয়েছেন মিশরের পর্যটন ও প্রত্নতত্ত্ব মন্ত্রী খালেদ এল-আনানি। ৩২০ থেকে ৩৩০ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত প্রায় ৩০০ বছর ছিল পলিমেইকেকর শাসনকাল। উদ্ধার হওয়া মমি ও কফিনগুলো কায়রোর তিনটি জাদুঘরে প্রদর্শন করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। গ্র্যান্ড মিশরীয় যাদুঘরেও এগুলো প্রদর্শন করা হবে। যাদুঘরটি বর্তমানে গিজা পিরামিডগুলোর কাছে নির্মিত হচ্ছে। তবে সবার আগে এই কফিন ও মমিগুলোর সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছে মিশরের প্রশাসন। এমন তথ্য জানা গেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে। সাক্কারা নেক্রোপলিসের কবরস্থানে আরো একটি রহস্যে মোড়া কফিন উদ্ধার হয়েছে। তবে সেই কফিন সম্পর্কে এখনই কিছু খোলসা করেনি প্রশাসন। আভাস দেওয়া হয়েছে, বছরের শেষ দিকে সেই কফিন সম্পর্কে জানানো হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

চীনের আকাশে এবার দেখা গেল একসঙ্গে ৩ সূর্য!‌

আকাশে একই সঙ্গে তিনটি সূর্য। অবিশ্বাস্য মনে হলেও এমন ঘটনাই ঘটল চীনে। গত রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকালে ঘুম থেকে উঠে চমকে উঠলেন চীনের মোহে শহরের বাসিন্দারা। একই সঙ্গে তিনটি সূর্য আকাশে দেখতে পেলেন তারা। 

স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ছ’‌টা থেকে সাড়ে ন’‌টা পর্যন্ত এই বিরল মহাজাগতিক ঘটনাটি ঘটল মোহেতে। এই ঘটনাটি কিন্তু বিজ্ঞানের কাছে অপরিচিত নয়। এর নাম সান ডগস, এটি আদতে একটি দৃষ্টিভ্রম। সূর্যের প্রতিফলন মাত্র। আসল সূর্যটির দু’‌পাশে দুটি উজ্জ্বল বিন্দু দেখা যায়। যেগুলির নাম ফ্যান্টম সানস। সাধারণ চোখে মনে হয় তিনটি সূর্য। স্বাভাবিকভাবেই তিনটি সূর্যের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। সাম্প্রতিক সময়ে এমন দীর্ঘ সময় ধরে এত উজ্জ্বল সান ডগস আগে দেখা যায়নি। সিরাস মেঘের বরফের চাঙড়ের মধ্য দিয়ে যখন সূর্যরশ্মি বের হয়, তখন এমন ঘটনা ঘটে। সূর্য যে উচ্চতায় রয়েছে, সেখানেই দেখা যায় এই উজ্জ্বল বিন্দুগুলি। পৃথিবীর যে কোনও জায়গাতেই দেখানো যেতে পারে। 

এর আগে, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তর চীনের একটি জায়গায় একসঙ্গে পাঁচটি সূর্য দেখা গিয়েছিল। রাশিয়ার চেলিয়াবিনস্কে ২০১৫ সালে দেখা গিয়েছিল তিনটি সূর্যের সূর্যোদয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com