আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বাংলাদেশ

২৫ দেশে লতির যোগান দিয়ে কৃষকের লাভ পাঁচগুণ

পাঁচবিবি, জয়পুরহাট থেকে: বিশ্বের ২৫টিরও বেশি দেশে হাজার হাজার টন কচুর লতি সারা বছরই যোগান দিয়ে যাচ্ছে উত্তরের জনপদ জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা। এখানকার বটতলির লতিহাটিতে প্রতিদিনই দেশ-বিদেশের পাইকারি ব্যবসায়ীরা ছুটে আসেন লতি কিনতে।

বর্তমানে উপজেলার প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে লাভজনক লতিরাজ জাতের কচুর চাষ করছেন কৃষকেরা।

এক সময় এখানকার প্রায় সব জমিতেই জয়পুরহাট চিনিকলের জন্য আখের চাষ করা হতো।

কালের পরিক্রমায় আখের স্থানে জায়গা করে নিয়েছে কচুরলতি। অতি লাভজনক ও ধারাবাহিক ফসল হওয়ায় কচু চাষেই কৃষকের আগ্রহ বেশি।

উপজেলার প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে লাভজনক লতিরাজ কচুর চাষ হচ্ছে।  ছবি: বাংলানিউজকৃষকরা জানান, এক বিঘা জমিতে অন্য ফসল ফলিয়ে যেখানে ১০ হাজার টাকা মুনাফা করা কঠিন, সেখানে লতিতে লাভ পাঁচগুন। প্রায় কোনো যত্ন ছাড়াই সারা বছর আয় হতে থাকে লতি থেকে। শেষ পর্যায়ে কচু বিক্রিতে লাভ অনেক। আবার অনেকেই বেশি দুধ পেতে কচুর কাণ্ড সিদ্ধ করে গরুকে খাওয়ান।

পাটা বকুরা গ্রামের ভূমিহীন কৃষক আমির আলী উদ্ভাবন করেছিলেন লতিরাজ নামের সাদা জাতের এই বিশেষ ধরনের কচু। লম্বা সাইজের মোটা মোটা লতির অল্প কয়েকটিতেই কেজি হয়ে যায়। স্বাদে ও পুষ্টিতেও সেরা হওয়ায় দ্রুতই বাজারে শোরগোল ফেলে। আমিরের কাছ থেকে প্রথমে দুই/চারজন, পরে সারা উপজেলা হয়ে এখন গোটা বাংলাদেশেই লতিরাজের চাহিদা।

আমির আলী গত হয়েছেন অনেক আগেই। কিন্তু তার উদ্ভাবিত লতিরাজ অর্থনৈতিক মুক্তির দিশা দেখিয়েছে দারিদ্র্যপীড়িত সীমান্তঘেঁষা এ জনপদে।

বটতলি হাটে গিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীর কেনা কচুর লতির স্তুপ থেকে নিয়ে একটি একটি করে লতি বেছে রাখছেন সুশান্ত দাস। রফতানির উদ্দেশ্যে লতিগুলোকে যত্নের সঙ্গে পরিষ্কার করছেন আরো একশ’র মতো মানুষ। লতি বাছাই, পরিষ্কার, পানি ঢালা, গোড়া কেটে সাইজ করা ও কলা গাছের খোলা দিয়ে প্যাকিং করছেন তারা।

হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে লতিকে কেন্দ্র করে।  ছবি: বাংলানিউজএকাধিক চাষি জানান, এক বিঘা জমিতে লতিরাজ জাতের কচু চাষ করতে খরচ হয় ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা। আর সারা বছর এখান থেকে আয় হয় ৭৫ থেকে ৮০ হাজার টাকা। অতিবৃষ্টি, বন্যা বা খরায় যেমন কচু গাছের কোনো ক্ষতি হয় না, তেমনি নেই রোগ-বালাইয়েরও কোনো আক্রমণ।

প্রতিদিন সারা দেশের ২৫ থেকে ৩০ জন পাইকারি ব্যবসায়ী ছুটে আসেন বটতলির পাইকারি লতিহাটে। এ হাটে দিনে ১০০ টনের মতো লতির আমদানি হয়।

কিন্তু বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় ন্যায্যমূল্য থেকে সব সময়ই বঞ্চিত হন কৃষকরা। কেবলমাত্র একটি স্থায়ী বাজারের অভাবেই পাইকারি ব্যবসায়ী ও ফঁড়িয়ারা ঠকাচ্ছেন তাদের। ১২ কিলোমিটার দূরের জয়পুরহাট শহরে যখন প্রতি কেজি লতি ৩০ টাকা ও বগুড়া বা ঢাকায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, তখন বটতলির হাটে কৃষকের কাছ থেকে লতি কেনা হচ্ছে ৭/৮ টাকা দরে। অন্যদিকে বিদেশে রফতানিযোগ্য ছোট সাইজের লতির সর্বোচ্চ দর প্রতি কেজি ১৪/১৫ টাকা।

বিভিন্ন পরিবহনে পাঠানো হচ্ছে লতি।  ছবি: বাংলানিউজপাইকারি ব্যবসায়ী শাহিন রহমান জানান, প্রতিদিন টন টন কচুর লতি রফতানি হচ্ছে বিদেশে। মালদ্বীপ, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সব দেশেই যাচ্ছে পাঁচবিবির উন্নতমানের এই লতিরাজ জাতের কচুর লতি। আর সম্পূর্ণ এ কার্যক্রম চলছে কেবলমাত্র মানুষের ব্যক্তিগত উদ্যোগে, সরকারের কোনো ধরনের সহায়তা ছাড়াই।

চাষিদের দাবি, চাষাবাদ ছাড়াও এখানকার হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে লতিকে কেন্দ্র করেই। পরিবহন, বাছাই, ব্যবসাসহ নানা কাজে জড়িত তারা। এখন প্রয়োজন প্রশাসনের মাধ্যমে স্থায়ী বাজার প্রতিষ্ঠা করা। যেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা কৃষকের ওপর মানসিক চাপ তৈরি করে সস্তায় পণ্য কিনতে না পারেন।

দৈনন্দিন

করোনা হলে কখন উপুর করে শোয়াতে হবে

করোনা হলেও মানুষ খুব বেশি হাসপাতালে যাওয়ার চিন্তা করছেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতেই চলছে করোনা রোগীর চিকিৎসা।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, করোনাভাইরাস যেহেতু শ্বাসনালীর মাধমে ফুসফুসকে আক্রান্ত করে থাকে, তাই শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়ে থাকে। যখন স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিয়ে সমস্যা হয়, তখন রোগীকে উপুড় করে শোয়ানো হলে কষ্ট কিছুটা কমে।  

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শ্বাসকষ্টের সমস্যা তীব্র হলে এভাবে শোয়ানো হয় রোগীকে।  কারণ উপুর হয়ে শোয়া অবস্থায় ফুসফুসের অক্সিজেন সরবরাহ বাড়ে। করোনা আক্রান্ত রোগীর ফুসফুসে সংক্রমণ হলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। শরীর থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড অপসারণের কাজটাও সঠিকভাবে হয় না। ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দুর্বল ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্যই রোগীকে উপুড় করে শোয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।  

এছাড়াও উপুড় হয়ে শোয়ার ফলে শ্বাস-প্রশ্বাস বাড়ে ও ইনফেকশনের প্রবণতাও কমে।

মনে রাখতে হবে করোনা আক্রান্ত রোগীকে উপুড় করে শোয়াতে সমস্যা হলে ডান বা বাঁ পাশে কাত করে শোয়াতে হবে। কখনোই চিত করে শোয়ানো যাবে না।  

তবে ঘুমানোর সময় একটানা উপুড় করে শোয়ানো ঠিক না। জেগে থেকে বিশ্রাম নেওয়ার সময় এভাবে শোয়ালে উপকার পাওয়া যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

তারকা রেস্টুরেন্টের শর্মা এবার বাড়িতেই

মহামারি করোনার কারণে বাইরে থেকে খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে এসেছে আমাদের। কিন্তু মাঝে মাঝে তো কিছু স্পেশাল খাবার খেতে ইচ্ছে করতেই পারে।

এই যেমন অনেক দিন হয়তো শর্মা খাওয়া হচ্ছে না।  
এবার হবে, তাও আবার ঘরের তৈরি। কে তৈরি করবে? কেন, আপনি। বেশ সহজ জেনে নিন রেসিপি: 

উপকরণ 
পুরের জন্য: যেকোনো মাংস কিমা অথবা ছোট টুকরো করে কাটা ৫০০ গ্রাম, দই এক কাপ, ভিনেগার দুই টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বাটা ও পেঁয়াজ কুচি দুই টেবিল চামচ করে, রসুন এক চা চামচ, ধনে গুঁড়া দেড় চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ৩-৪টা এলাচ-দারুচিনি, লবণ পরিমাণমতো, লেবু একটি।

প্রস্তুত প্রণালী: সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ঢেকে ফ্রিজে একঘণ্টা রাখুন।


পাত্রে অল্প তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি ছাড়ুন। পেঁয়াজ ভাজা হলে মিশ্রণটি দিয়ে রান্না করে নিন।
সসের জন্য: রসুন চারটি, লবণ স্বাদমতো, তেল এক কাপ, ডিমের সাদা অংশ দু’টি, লেবুর রস এক চা চামচ।

প্রণালী: রসুন, লবণ আর তেল একসাথে ব্লেন্ড করে তারপর ডিমের সাদা অংশটা ঢেলে দিন তেল একটু লেবুর রস ব্লেন্ডার চলতে থাকা অবস্থায় ঢেলে দিন। হয়ে গেল গার্লিক সস।

রুটির জন্য: ময়দা দুই কাপ, ইস্ট দুই চা চামচ, গরম পানি আধা কাপ।

লবণ পরিমাণ মতো। চিনি এক চা চামচ।

প্রণালী:  ইস্ট ১/২ কাপ পানিতে মিশিয়ে চিনি দিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। একটি পাত্রে ময়দা ও লবণ মিশিয়ে এতে ইস্ট ও পানি দিয়ে মিশিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন।  এবার খামির একটু গরম জায়গায় আধাঘণ্টা রেখে দিন, ফুলে উঠবে। ওভেনে ১৮০ ডিগ্রিতে ১০ মিনিট প্রি-হিট দিয়ে মোটা রুটি বানিয়ে ৪ মিনিট বেক করুন। চাইলে চুলায় ফ্রাইপ্যানেও একটু সময় নিয়ে রুটি তৈরি করে নিতে পারেন।

সবশেষে শসা, টমেটো, পেঁয়াজ ও ধনে পাতা কুচি রুটির ওপর কিমা দিন, এরপর গার্লিক সস দিন। এবার রুটি রোল করে পরিবেশন করতে পারেন। অথবা রুটির মাঝে কেটে পকেটের মতো তৈরি করে কিমার মিশ্রণ ভেতরেও দিয়ে দিতে পারেন।  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

বটিয়াঘাটায় উদ্ধার ৫৩ সন্ধি কচ্ছপ ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত

বটিয়াঘাটায় উদ্ধার ৫৩ সন্ধি কচ্ছপ ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত

বাগেরহাট: খুলনার বটিয়াঘাটা থেকে উদ্ধার করা ৫৩টি সন্ধি কচ্ছপ বাগেরহাটের বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ সংলগ্ন ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।  

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে ঘোড়াদিঘীর ঘাটে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক আনম ফয়জুল হক কচ্ছপগুলো অবমুক্ত করেন।

এসময় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (বন্যপ্রাণী) নির্মল কুমার পাল, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার মৎস্য বিশেষজ্ঞ মফিজুর রহমান চৌধুরী, বাগেরহাট প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার পরিদর্শক রাজু আহমেদসহ বন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  

বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (বন্যপ্রাণী) নির্মল কুমার পাল বলেন, বটিয়াঘাটা থেকে উদ্ধার করা কচ্ছোপগুলোকে ষাটগম্বুজ মসজিদ সংলগ্ন ঘোড়াদিঘীতে অবমুক্ত করা হয়েছে। দিঘীতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করতে পারবে। তবে এগুলোকে সংরক্ষণের জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। 

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আনম ফয়জুল হক বলেন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জেলা প্রশাসন সব সময় সোচ্চার। ভবিষ্যতেও আমরা সোচ্চার থাকব। এর অংশ হিসেবে কচ্ছপগুলো অবমুক্ত করা হলো। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, বন বিভাগসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একযোগে কাজ করে এ অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করবো।

মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বটিয়াঘাটা উপজেলার বাজারমাছ থেকে কচ্ছপগুলো উদ্ধার করেন বণ্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, খুলনার সদস্যরা। আহরণ নিষিদ্ধ কচ্ছপ বিক্রির দায়ে নিরাপদ সরকার নামে এক ব্যবসায়ীকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নজরুল ইসলাম।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

তীব্র শীতে নষ্ট হচ্ছে রসুন ও পেঁয়াজের ক্ষেত

নীলফামারী: এবারের শীতে মানুষ, গবাদি পশু কষ্টে পড়েছে। তীব্র শীতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের হাড় ভাঙা পরিশ্রমে বোনা ফসল।

বিশেষ করে আলু, রসুন ও পেঁয়াজের ক্ষতি কৃষকরা পুষিয়ে নিতে পারবেন না। শীত ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের কারণে মাঠের পর মাঠের পেঁয়াজ আর রসুনের পাতার আগা বাদামী হয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে (স্টেমফাইলিয়াম লিফ ব্লাইট রোগ)

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ি, কামারপুকুর, পার্শ্ববর্তী খানসামার প্ল্যান বাজার, দুহশুহ, ফতেজংপুর,  মারগাঁও চিরিবন্দর বিভিন্ন  এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়। সেখানকার কৃষক ফয়েজ উদ্দিন, আবু তালেব, রতন মিয়া জানান, আলু, রসুন ও পেঁয়াজ বোনার পর পরই শুরু হয় তীব্র শীত ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। 

শীতের তীব্রতা সহ্য করতে না পেয়ে আলু ক্ষেতে দেখা দেয় ছত্রাক জনিত পচন রোগ। কৃষকরা বালাইনাশক ওষুধ স্প্রে করলেও খুব কাজ একটা হয়নি তাতে। বিশেষ করে রসুন ও পেঁয়াজের পাতাগুলো কুঁকড়ে গেছে। ফলে এ বছর উৎপাদনে টান পড়তে পারে বলে জানান তারা।  

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, রসুন ও পেঁয়াজের উৎপাদন কম হলেই দাম বাড়বে। ফলে কৃত্রিম সংকটও সৃষ্টি হতে পারে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

শত্রুতার জেরে পুকুরে বিষ, ভেসে উঠলো লক্ষাধিক টাকার মাছ

রাজবাড়ী: রাজবাড়ী সদর উপজেলার মূলঘর ইউনিয়নের রশোরা গ্রামে একটি মৎস্য খামারে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলা হয়েছে।

শনিবার (১৩ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে ইতালী প্রবাসী মো. ইখতেখায়রুল আলম তুহিনের মৎস্য খামারে এ ঘটনা ঘটেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পুকুরে অনেক মাছ মরে ভেসে উঠেছে।  
খামারের কেয়ারটেকার মো. ওমর আলী তুহিন জানান, খামারের মালিক ইতালীতে থাকেন। মৎস্য খামার তিনি দেখাশোনা করেন। বেশ কিছুদিন ধরে এলাকার মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত আবুল বাসার শেখ বিভিন্ন ভাবে তাদের খামারের পুকুর থেকে মাছ চুরি করে আসছিলো। এ ব্যাপারে তাকে নিষেধ করা হলো সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ৮/১০ দিনের ব্যবধানে দুটি পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ মেরে ফেলে। এতে লাখ লাখ টাকার মাছ মরে গেছে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনার সঙ্গে তাদের বাসার ৪/৫ জন জড়িত আছে।
এ ব্যাপারে মোবাইল ফোনে মো. ইখতেখায়রুল আলম তুহিনের সঙ্গে কথা বল্লে তিনি জানান, বাসার ও তার সাঙ্গোপাঙ্গোরা এলাকায় চুরির সঙ্গে জড়িত। তারা মাদকসেবী হিসেবেও পরিচিত। বাসারের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রয়েছে। সে তার পুকুরের মাছ চুরি করে বাজারে বেচে মাদক সেবন করে বলে জানা আছে। তিনি এর প্রতিকার চান।

চিলতি মাসের ৯ তারিখে মো. ইখতেখায়রুল আলম তুহিনের স্ত্রী ফারজানা নাসরিন রাজবাড়ী সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেন। এতে উল্লেখ করেন, আবুল বাসার ও এলাকার বেশ কয়েক জন ছেলে তাদের মৎস্য খামার থেকে জাল দিয়ে মাছ চুরি করে নিয়ে যায়। পরে তাদের নিষেধ করলে জীবননাশের হুমকি দেয়।  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com