আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে
গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

আবহাওয়া অধিদফতর ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করে ২০০৭ সাল থেকে। এর আগে একটা সময় ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের নামকরণ হতো না। তাই ২০০৭ সালের নভেম্বরে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ের নাম রাখা হয় ‘সিডর’। তারপর থেকে গত ১ যুগে বেশ কয়েকটি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে বাংলাদেশে। এতে প্রাণহানিসহ মালামালের ক্ষতিও হয় ব্যাপক। জেনে নেই সেসব ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে—

গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে
গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

সিডর: ২০০৭ সালের ৯ নভেম্বর একটি দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া সৃষ্টি হয়। ১১ নভেম্বর সামান্য দুর্যোগের আভাস পাওয়া যায়। এর পরের দিনই এটি ঘূর্ণিঝড় সিডরে পরিণত হয়। ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টার পর বাংলাদেশের পাথরঘাটায় বালেশ্বর নদীর কাছে উপকূল অতিক্রম করে। ঝড়ের তাণ্ডবে উপকূলীয় জেলাসমূহে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ঝড়ো হাওয়াসহ বিপুল পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়। বাংলাদেশের প্রায় ৬ লাখ টন ধান নষ্ট হয়। বিপুলসংখ্যক মানুষ ও বিভিন্ন প্রাণির মৃত্যু হয়। প্রায় ৯ লাখ ৬৮ হাজার ঘর-বাড়ি ধ্বংস এবং ২১ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়। এতে প্রায় ২ লাখ ৪২ হাজার গৃহপালিত পশু ও হাঁস-মুরগি মারা যায়।

গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে
গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

নার্গিস: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে একটি হলো নার্গিস। ২০০৮ সালের মে মাসে এটি মিয়ানমারে আঘাত হানে। এতে প্রাণ হারায় ১ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ। ৪ লাখ ৫০ হাজার ঘর-বাড়ি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হয়। এর প্রভাব বাংলাদেশে পড়লেও তেমন বেশি ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি।

গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে
গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

আইলা: ২০০৯ সালে উত্তর ভারত মহাসাগরে জন্ম নেওয়া দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড় আইলা। ঘূর্ণিঝড়টি জন্ম নেয় ২১ মে ভারতের কলকাতা থেকে ৯৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে। আঘাত হানে ২৫ মে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ ও ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাংশে। এর ব্যাস ছিলো প্রায় ৩০০ কিলোমিটার, যা ঘূর্ণিঝড় সিডরের থেকে ৫০ কিলোমিটার বেশি। সিডরের মতোই আইলা প্রায় ১০ ঘণ্টা সময় নিয়ে উপকূল অতিক্রম করে। তবে পরে বাতাসের বেগ ৮০-১০০ কিলোমিটার হয়ে যাওয়ায় ক্ষয়-ক্ষতি সিডর থেকে তুলনামূলক কম হয়েছে।

মহাসেন: ২০১৩ সালের মে মাসের শুরুর দিকে বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণাংশে নিম্নচাপজনিত কারণে উৎপত্তি ঘটে মহাসেনের। কার্যত স্থির থাকলেও ১০ মে তারিখে ঘণিভূত অবস্থায় চলে যায়। পরবর্তীতে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় হিসেবে রূপান্তরিত হয়। ১৪ মে এটি উত্তর-পূর্বাংশের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। এতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। কার্যত জনজীবন অচল হয়ে পড়ে।

গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে
গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

কোমেন: ২০১৫ সালের ৩০ জুলাই চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে ৫-৭ ফুট উচ্চতার ঘূর্ণিঝড় কোমেন আঘাত হানে। এটি এমন একটি অস্বাভাবিক গ্রীষ্মপ্রধান ঝড়; যেটি বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলে উৎপন্ন হয়েছিল। এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তরে প্রবাহিত হওয়ার সময় একই দেশকে আঘাত করে চলে গিয়েছিল। ২০১৫ সালে এ তান্ডবের সময় কোমেন মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও ভারতে প্রচুর পরিমাণে বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছিল।

রোয়ানু: ২০১৬ সালের ২১ মে বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূলে ৪-৫ ফুট উচ্চতার ঘূর্ণিঝড় রোয়ানু আঘাত হানে। রোয়ানু একটি ছোট ঘূর্ণিঝড়, যা ২১ মে বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলে এবং ভারতে আংশিক আঘাত হানে। পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ১৩৫ কিলোমিটার দূরে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর উৎপত্তিস্থল। ধারণা করা হয়, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর ব্যাপ্তি ছিল দুটি বাংলাদেশের সমান আকৃতির।

মোরা: ২০১৭ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার উপকূলে প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোরা আঘাত হানে। ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাতে কক্সবাজার উপকূলের শতাধিক বাড়ি-ঘর বিধ্বস্ত হয়। বেশ কিছু গাছপালা উপড়ে পড়ে। ঘূর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে উত্তাল হয় সাগর। ঘূর্ণিঝড়টি সোমবার থেকে শুরু হয়ে মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার উপকূল ছুঁয়ে চট্টগ্রাম, হাতিয়া ও সন্দ্বীপের দিকে অগ্রসর হয়। আক্রান্ত জেলাসমূহে হাজার হাজার কাঁচা ঘর-বাড়ি ধ্বংস হয়। কক্সবাজারে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়। টেকনাফের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। জমির ফসল এবং চাষিদের জমাকৃত লবণ নষ্ট হয়ে যায়। দু’জন নারীসহ তিন জন এবং রাঙামাটিতে দু’জন মারা যায়।

গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে6
গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে6

ফণী: ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র নাম দেয় বাংলাদেশ। এর অর্থ সাপ (ফণা আছে যার)। ফণী ২০১৯ সালের ২৬ এপ্রিল ভারতীয় মহাসাগরে সুমাত্রার পশ্চিমে গঠিত একটি ক্রান্তীয় নিম্নচাপ থেকে সৃষ্টি হয়। ৩০ এপ্রিল তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়। ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশে মোট ৮৯ জনের মৃত্যু হয়।ভারত ও বাংলাদেশ মিলিয়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়, যার বেশিরভাগই হয় উড়িষ্যায়।

বুলবুল: ২০১৯ সালের নভেম্বরে পশ্চিমবঙ্গের উপকূল ঘেঁষে প্রথম আঘাত হানার পর বুলবুল প্রায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসে। কিন্তু বুলবুলের পূর্ব এবং পশ্চিম দু’দিকেই তিন কোণার মতো অবস্থানে ছিল সুন্দরবন। সুন্দরবনের গাছপালার কারণে বুলবুল বেশ দুর্বল হয়ে যায়।

  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

    গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

    গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

    গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

    গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

    গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে

  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে6

    গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে6

  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে
  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে
  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে
  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে
  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে
  • গত ১ যুগে যে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে6
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

পরিবেশ

এবার মোদির গুজরাটে পঙ্গপালের আক্রমন, গ্রামের পর গ্রাম ফসল নষ্ট

পঙ্গপালের হানায় উত্তরপূর্ব ভারতে হাজার হাজার হেক্টর জমির ফসল ধ্বংস হয়ে গেছে। গত ২৫ বছরের মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ উপদ্রব বলে দাবি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।কীটনাশক দিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপালের এই উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দেশটির কর্মকর্তারা। ফসলনাশক এই পতঙ্গ তাড়িয়ে দিতে ঢাক ব্যবহার করতে দেখা গেছে কৃষকদের।-খবর এএফপির

ভিডিওতে দেখা গেছে, স্কুলছাত্রীরা স্টিলের প্লেট পিটিয়ে পঙ্গপাল তাড়ানোর চেষ্টা করছেন। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই উপদ্রব তাড়াতে বিকট শব্দ সহায়ক ভূমিকা রাখে।উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটে পঙ্গপালের হানায় অর্ধডজনের বেশি জেলায় ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা পুনামচান্দ পারমার এমন দাবি করেছেন।

তিনি বলেন, একটি জেলায়ই বারো হাজার একরের ফসলে বিপর্যয় ঘটেছে। তবে কীটনাশক দিয়ে ২৫ শতাংশ পঙ্গপাল ধ্বংস করা হয়েছে।

এসব কীট পুরোপুরি ধ্বংস করতে আরও চার থেকে পাঁচদিন লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।তিনি দাবি করেন, পঙ্গপালের প্রাথমিক উড়াল পথ ছিল পাকিস্তান। কিন্তু বাতাসের দিক পরিবর্তন ও আর্দ্রতার কারণে সেগুলো উত্তর গুজরাটে হানা দিয়েছে।গুজরাটের আনন্দ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পতঙ্গতত্ত্ব বিভাগের প্রধান পি. কে. বোরাদ বলেন, গত দুই দশকের মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভয়াবহ পঙ্গপাল আক্রমণ। এর আগে ১৯৯৪ এমন ব্যাপক বিধ্বংসী দৃশ্য দেখা গিয়েছিল।

রাজ্য কৃষি মন্ত্রী আর. সি. ফালদু বলেন, শুক্রবার থেকে কীটনাশক বহনকারী ১০০ ট্র্যাকটর আক্রান্ত গ্রামগুলোতে পাঠানো হয়েছে।ফসলধ্বংসকারী এই পতঙ্গের কবল থেকে মুক্তি পেতে কৃষকরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা ক্ষেতের চারপাশে হেঁটে বেড়াচ্ছেন, ঢাক পিটিয়ে তাদের তাড়াতে চেষ্টা করছেন। এক ব্যক্তি বলেন, আমরা গ্রামের সবকিছু হারিয়ে ফেলেছি।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

করোনাভাইরাস ‘হয়তো কখনোই নির্মূল হবে না’- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

মায়ামি অঙ্গরাজ্যে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করেছে যে পৃথিবী থেকে নভেল করোনাভাইরাস ‘হয়তো কখনোই নির্মূল হবে না।’

এই ভাইরাস কবে নির্মূল হবে, বুধবার সেবিষয়ে ধারণা প্রকাশ করার ব্যাপারেও সতর্ক করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইমার্জেন্সি বিষয়ের পরিচালক ডা. মাইক রায়ান।

তিনি বলেছেন যে প্রতিষেধক যদি পাওয়াও যায়, তবুও এই ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ‘ব্যাপক প্রচেষ্টা’ চালাতে হবে।

এখন পর্যন্ত সারাবিশ্বে ৪৩ লাখের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং প্রায় তিন লাখ মানুষ মারা গেছে।

জেনেভার ভার্চুয়াল প্রেস কনফারেন্সে ডা. রায়ান বলেন, “এই ভাইরাসটি আমাদের জাতিগত রোগ হিসেবে আমাদের সাথেই থাকতে পারে এবং হয়তো কখনোই শতভাগ নির্মূল হবে না।”

“এইচআইভি’ও নির্মূল হয়নি। কিন্তু আমরা ঐ ভাইরাসের সাথে সহাবস্থান অজর্ন করতে পেরেছি।”

ডা রায়ান আরো বলেন যে ‘এই ভাইরাস কবে নির্মূল হবে’ সেই ধারণা যে কেউ করতে পারে – তাও বিশ্বাস করতে চান না তিনি।

বর্তমানে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য প্রতিষেধক তৈরির অন্তত ১০০ টি প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে প্রতিষেধক আবিষ্কারই যে ভাইরাসের বিলুপ্তি নিশ্চিত করে না, তা মনে করিয়ে দেন ডা রায়ান।

লকডাউনের কড়াকড়ি কমিয়ে আনার ব্যাপারে সতর্ক করেছেন ডা রায়ান ও ডা টেড্রোস

তিনি উল্লেখ করেন যে হামের টিকা বহুদিন আগে আবিষ্কার হলেও হাম এখনও বিলুপ্ত হয়নি পৃথিবী থেকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাসচিব টেড্রোস ঘেব্রেয়েসাস অবশ্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

“এর গতিপথ আমাদের হাতে এবং এটি আমাদের সবার মাথাব্যাথা। এই মহামারি থামাতে আমাদের সবার অবদান গুরুত্বপূর্ণ।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রোগতত্ববিদ মারিয়া ভ্যান কারখোভ ব্রিফিংয়ে বলেন: “এই মহামারি পরিস্থিতি থেকে বের হতে আমাদের সময় লাগবে, আমাদের মানসিকভাবে এর জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত।”

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তারার এমন সময় এই মন্তব্য করলেন যখন বিভিন্ন দেশ পর্যায়ক্রমে তাদের লকডাউনের কড়াকড়িতে শৈথিল্য আনছে এবং আরো অনেক দেশের নেতাই তাদের নিজ নজি অর্থনীতি উন্মুক্ত করে দেয়ার চিন্তা করছে।

ডা. টেড্রোস সতর্ক করেছেন যে চলাফেরায় নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নিলে দ্বিতীয় দফা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকেই যায়।

“অনেক দেশই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ শিথিল করতে চাইবে। কিন্তু আমাদের সুপারিশ, এখনও যে কোনো দেশকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকা উচিত।”

ডা. রায়ান সতর্ক করেছেন: “অনেকেই চিন্তা করছেন লকডাউন শতভাগ কার্যকর ছিল এবং লকডাউন উঠিয়ে নিলে পরিস্থিতি ভাল হবে। এই দুইটি ধারণাই ভীষণ ঝুঁকিপূর্ণ।”

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

হেনা জীবনের রঙ দেখায়

হেনা জীবনের রঙ দেখায়

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

হালদা নদীতে ব্রুডফিশস হ্রাস পেয়েছে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

এগ্রোবিজ

উত্তরের কৃষকরা বন্যার বিরুদ্ধে লড়াই করে

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com