আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

দৈনন্দিন

যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না
যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

সংক্রমণের ভয়ে আমরা প্রায় সবাই ঘন ঘন হাত ধোয়া এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজারে অভ্যাস্ত হয়ে উঠেছি। যদিও হাতের জীবাণু দূর করতে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বেশ কার্যকরী, তবে এর অত্যধিক ব্যবহার ক্ষতির কারণ হতে পারে।

অতিরিক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করলে তা ভালো ব্যাকটেরিয়াগুলোকে মেরে ফেলতে পারে যা আমাদের ত্বক এবং শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

আমাদের সুস্থ রাখতে ভালো মাইক্রোবায়োমগুলো প্রধান ভূমিকা পালন করে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রচুর মাইক্রোবায়োমকে মেরে ফেলে। যদিও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ক্ষেত্রে কতখানি হলে তাকে অতিরিক্ত বলা যাবে তা নির্ধারণ করা কঠিন, এটি হিসাব করা যাবে যখন আপনি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার এড়াতে পারবেন।

হিতে বিপরীত যাতে না হয় সেজন্য হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের আগে জেনে নিন কখন এটি ব্যবহার করা জরুরি নয়-

সাবান-পানির ব্যবস্থা থাকলে
আপনার যদি সাবান-পানিতে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকে, তবে তাই করা উচিত। হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রয়োজন যখন সেই ব্যবস্থা না থাকে। ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এর মতে, জীবাণু থেকে মুক্তি পাওয়ার সর্বোত্তম উপায় হলো সাবান এবং পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ডের জন্য হাত ধুয়ে ফেলা। সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ফলে জীবাণু দূর হয়। সম্ভব হলে সব পরিস্থিতিতে আপনার হাত পরিষ্কার করার জন্য সাবান এবং পানি প্রথম পছন্দ হওয়া উচিত।

যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না
যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

আপনার হাত দৃশ্যমান নোংরা হলে
আপনি যদি স্যানিটাইজার দিয়ে ময়লা হাত পরিষ্কার করার চেষ্টা করে থাকেন তবে জেনে রাখুন এটি কেবল ঝামেলাই বাড়ায়। অ্যালকোহল ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ময়লা অপসারণ করে না। হাত ময়লা থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়া মারার ক্ষেত্রে কম কার্যকর হবে। ময়লা হাত পরিষ্কার করার জন্য সাবান এবং পানি ব্যবহার করুন। উদাহরণস্বরূপ, বাগান করা, খেলাধুলা, বাইরে খেলা করার পরে আপনাকে অবশ্যই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার এড়াতে হবে।

যখন কেউ আপনার পাশে হাঁচি দেয়
সত্যি বলুন, আপনার পাশে বসে কেউ হাঁচি দিলে আপনি কতবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেছেন? অনেক বার, তাই না? আসল বিষয়টি হলো কেউ যখন আপনার কাছাকাছি কাশি করে বা হাঁচি দেয়, আপনি শ্বাস নেয়ার সময় বাতাসের ফোঁটা থেকে সংক্রমণটি ধরবেন। দূষিত হাত সংক্রমণ ধরার একমাত্র উপায় নয়। আপনার কাছে যখন কেউ কাশি বা হাঁচি দিচ্ছেন তখন বারবার আপনার হাত স্যানিটাইজ করবেন না।

যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না
যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

আপনি কাউকে বা কিছুই স্পর্শ করেনি
আমাদের মধ্যে অনেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন অভ্যাসের বাইরে। তবে একটি নতুন গবেষণা বলছে, ঘন ঘন এর ব্যবহার প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া তৈরি করতে পারে। ব্যাকটেরিয়া হ্যান্ড স্যানিটাইজারের অতিরিক্ত ব্যবহারের সাথে সাথে প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। আমরা যত বেশি হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করি ততই অ্যালকোহল সহ্য করতে পারা জীবাণু হওয়ার সম্ভাবনা বাড়তে থাকে। সুতরাং, স্যানিটাইজার কেবল প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্যই সংরক্ষণ করুন।

আপনি মাত্র ৫ মিনিট আগে স্যানিটাইজ করেছেন
আপনার হ্যান্ড ক্রিম কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছে? যত লোশনই মাখেন না কেন, হাত শুষ্কই থাকছে? এর জন্য দায়ী হ্যান্ড স্যানিটাইজার। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের অতিরিক্ত ব্যবহার ত্বকের জ্বালা এবং শুকনো হাতের কারণ হতে পারে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার সব সময় ব্যবহার না করে শুধুমাত্র প্রয়োজনে ব্যবহার করা ভালো। ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এর মতে, হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রয়োগের সঠিক উপায় হলো প্রায় ২০ সেকেন্ডের জন্য উভয় হাতেই এপিঠ-ওপিঠ এটি ঘষতে থাকা।

যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না
যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

যখন শিশুদের আশেপাশে থাকেন
হ্যান্ড স্যানিটাইজার শিশুদের জন্য ব্যবহার করা নিরাপদ কারণ স্যানিটাইজারের ফলে শরীরে অ্যালকোহলের কোনো উল্লেখযোগ্য শোষণ হয় না। তবে অ্যালকোহল-ভিত্তিক স্যানিটাইজারের ইনজেশন বা শ্বাস গ্রহণের ফলে আঘাত বা বিষক্রিয়া হতে পারে। ২০১১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত, মার্কিন বিষ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রগুলো শিশুদের মধ্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এক্সপোজার সম্পর্কে প্রায় ৮৫,০০০ কল পেয়েছিল।

ফ্লু হলে
ধরুন আপনার ফ্লু হয়ে গেল, যদিও আপনি নাক ঝাড়ার পরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন। তার মানে এই নয় যে আপনি বাইরে যাওয়াই ভালো। হ্যান্ড স্যানিটাইজার অনেক সংক্রমণ প্রতিরোধের একটি প্রয়োজনীয় উপায়। তবে আপনার ফ্লু হলে বাড়িতেই থাকাই ভালো।

  • যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

    যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

  • যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

    যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

  • যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

    যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

  • যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

    যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না

  • যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না
  • যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না
  • যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না
  • যে ৭ অবস্থায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করবেন না
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

দৈনন্দিন

নিপাহ্‌ ভাইরাসঃ খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়

নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
নিপাহ্‌ ভাইরাস খেজুরের রস খাওয়ার আগে সতর্ক থাকতে যা করণীয়
খেজুরের রস সংগ্রহের প্রক্রিয়া।

শীতকাল এলেই বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে খেজুরের রস খাওয়ার চল বেড়ে যায়। অনেকে গাছ থেকে খেজুরের কলসি নামিয়ে সরাসরি কাঁচা রস খেয়ে থাকেন।

আবার অনেকে এই রস চুলায় ফুটিয়ে সিরাপ, পায়েস বা ক্ষীর বানিয়ে খান। এছাড়া রসের তৈরি ঝোলা গুড়, পাটালি গুড়, নলেন গুড়, ভেলি গুড়, বালুয়া গুড়, মিছরি গুড়সহ নানা ধরণের পিঠার বেশ সুখ্যাতি রয়েছে।

নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক

খেজুর আরব দেশের প্রচলিত ফল হলেও ওইসব দেশে খেজুর, মূলত ফল উৎপাদননির্ভর, যেখানে কিনা বাংলাদেশের খেজুর গাছ রস উৎপাদননির্ভর।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের মতে, বাংলাদেশে সাধারণত কার্তিক থেকে মাঘ অর্থাৎ অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত খেজুরের রস সংগ্রহ হয়ে থাকে।

দেশটির সবচেয়ে বেশি রস সংগ্রহ হয় যশোর, কুষ্টিয়া ও ফরিদপুর অঞ্চল থেকে।

মূলত খেজুর গাছের ডালপালা পরিষ্কার করে, ডগার দিকের কাণ্ড চেঁছে তাতে একটা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে তৈরি চোঙ বসিয়ে দেয়া হয়। চোঙের শেষ প্রান্তে ঝুলিয়ে দেয়া হয় একটি মাটির হাড়ি বা কলসি।

সেই চোঙ দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা রস এসে জমা হতে থাকে মাটির হাড়ি বা কলসিতে। এভাবে একটি গাছ থেকে দৈনিক গড়ে পাঁচ থেকে ছয় লিটার রস সংগ্রহ করা যায় বলে কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানা গিয়েছে।

কিন্তু গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই খেজুরের রস খাওয়ার ক্ষেত্রে নিপাহ্‌ ভাইরাস আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি – দা এগ্রো নিউজ

কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি
কই মাছে বাঁধাকপির ছেঁচকি

উপকরণ: বাঁধাকপির কুচি ৪ কাপ, কই মাছের টুকরো ৬টি, তেজপাতা ১টি, শুকনো মরিচ ২টি, মেথি অল্প পরিমাণ, মরিচবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, নারকেল কোরানো স্বল্প পরিমাণে, হলুদ পরিমাণমতো ও সরিষার তেল পরিমাণমতো।

প্রণালি: তেলে শুকনো মরিচ ও মেথি ফোড়ন দিতে হবে। ফোড়ন হয়ে এলে হালকা করে ভেজে উঠিয়ে রাখতে হবে। ওই তেলেই বাঁধাকপির কুচি ও পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে কষে নিতে হবে। তারপর লবণ, মরিচ ও হলুদবাটা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ বসাতে হবে। সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভাজা মাছগুলো দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। পানি শুকিয়ে গেলে এবং মাছ সেদ্ধ হয়ে এলে অল্প পরিমাণ নারকেল কোরানো দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ – দা এগ্রো নিউজ

ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ
ধনেপাতা ও টমেটোয় শোল মাছ

উপকরণ: বড় শোল মাছ ৫০০ গ্রাম, টমেটো টুকরো আধা কাপ, সরিষার তেল ৩ টেবিল চামচ, টমেটোবাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেপাতা আধা কাপ, শুকনো মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদ অনুসারে ও কাঁচা মরিচ ৭-৮টি (চেরা)।

প্রণালি: শোল মাছ লবণ, হলুদ ও সরিষার তেল মাখিয়ে ভেজে তুলে রাখতে হবে। আর ওই তেলেই পেঁয়াজ কুচি দিতে হবে। পেঁয়াজ বাদামি রং হলে রসুন, আদা, মরিচের গুঁড়া, হলুদ ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে কষাতে হবে। টমেটোবাটা দিতে হবে, কিছুক্ষণ কষানোর পর প্রয়োজনমতো গরম পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে ভেজে রাখা মাছগুলো দিতে হবে। ঝোল মাখা-মাখা হলে টমেটোর টুকরো আর ধনেপাতা দিয়ে কিছুক্ষণ পর নামিয়ে ফেলতে হবে। নামানোর আগে কাঁচা মরিচ দিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

লাউ টাকি – দা এগ্রো নিউজ

লাউ-টাকি
লাউ-টাকি

উপকরণ: ছোট টুকরো করে কাটা টাকি মাছ ২ কাপ, ডুমো ডুমো করে কাটা লাউ ৪ কাপ, হলুদ সিকি চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ ১ কাপ, ধনেপাতা কুচি পরিমাণমতো, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ১০-১২টি, আদাবাটা আধা চা-চামচ ও রাঁধুনি বাটা সিকি চা-চামচ।

প্রণালি: তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা করে ভেজে নিতে হবে। তারপর একে একে রসুনবাটা, আদাবাটা ও রাধুনি (গুঁড়া সজ) বাটা ও হলুদের গুঁড়া দিয়ে ভালো করে কষাতে হবে। কষানো হলে লাউ দিতে হবে। লাউ দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে অল্প পরিমাণে পানি দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে আগে থেকে হালকা করে ভেজে রাখা টাকি মাছ দিতে হবে। পানি শুকিয়ে এলে কাঁচা মরিচের ফালি ও সবশেষে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি – দা এগ্রো নিউজ

বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি
বাঁধাকপির পাতায় চিংড়ি

উপকরণ: চিংড়ি মাছ ২০০ গ্রাম, সয়াবিন তেল পরিমাণমতো, বাঁধাকপি কুচি ১ কাপ, ক্যাপসিকাম কুচি ১ কাপ, টমেটো কুচি আধা কাপ, পেঁয়াজপাতা কুচি ১ কাপ, কাঁচা মরিচবাটা ১ চা-চামচ, ধনেপাতাবাটা ১ চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া পরিমাণমতো, চিলি সস ২ চা-চামচ, টমেটো সস ২ চা-চামচ, বাঁধাকপির ভেতরের পাতা ৪টি, ভিনেগার ২ চা-চামচ, রসুন ১ চা-চামচ ও লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: বাঁধাকপির শক্ত অংশ ফেলে দিন। পাতার ভেতরের অংশ একটু ভাপিয়ে রাখুন। মাছ ধুয়ে ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন। এবার কড়াইয়ে সয়াবিন তেল গরম হলে তাতে রসুন কুচি দিয়ে মাছগুলো দিন। একে একে কোঁচানো বাঁধাকপি, ক্যাপসিকাম, টমেটো ও পেঁয়াজপাতা দিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। এরপর কাঁচা মরিচবাটা, ধনেপাতাবাটা, চিলি সস ও টমেটো সস দিয়ে নেড়ে নিন। পানি শুকিয়ে এলে নামিয়ে বাঁধাকপির পাতায় অল্প করে চিংড়ি মাছ সুতা দিয়ে বেঁধে স্টিমারে ভাপিয়ে নিন। সুতো কেটে পাতা খুলে পরিবেশন করুন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com