আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

বিশ্ব

হিন্দি ভাষা দিবস উদযাপনের বিরুদ্ধে খোদ ভারতেরই নানা জায়গায় কেন বিরোধিতা?

মুম্বাইয়ের রাস্তায় হিন্দিতে গ্রাফিতি
মুম্বাইয়ের রাস্তায় হিন্দিতে গ্রাফিতি

ভারতে হিন্দি ভাষার প্রচার ও প্রসারের জন্য আজকের দিনটিকে সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার হিন্দি দিবস হিসেবে পালন করছে।

১৯৪৯ সালে ভারতের কনস্টিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি বা সংবিধান সভা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, প্রতি বছর ১৪ সেপ্টেম্বর দিনটি ‘রাজভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে – আর সেই রাজভাষাটি হবে হিন্দি।

সেই ধারাবাহিকতায় সত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে এই দিনটিতে রাজভাষা দিবস বা হিন্দি দিবস উদযাপিত হচ্ছে ঠিকই – কিন্তু বিশেষ করে দক্ষিণ ও পূর্ব ভারতে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলনও অব্যাহত।

ভারতে প্রায় সব কেন্দ্রীয় সরকারই আগাগোড়া যুক্তি দিয়ে এসেছে বহুভাষাভাষী ওই দেশে ‘লিঙ্ক ল্যাঙ্গুয়েজ’ হিসেবে হিন্দি অপরিহার্য।

কিন্তু হিন্দি ভাষাভাষী নয় এমন বহু রাজ্যই পাল্টা দাবি করে থাকে হিন্দিকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে তাদের ভাষাগুলো বঞ্চনার শিকার হচ্ছে।

তিন বছর আগে দিল্লিতে হিন্দি দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তিন বছর আগে দিল্লিতে হিন্দি দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের জনসংখ্যার প্রায় ৪৩ শতাংশ হিন্দি বা তার বিভিন্ন ডায়ালেক্ট বা উপভাষায় কথা বলেন, আর এই ভাষাটিকে সারা দেশের প্রধান সরকারি ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার তাগিদ চলছে সেই স্বাধীনতার পর থেকেই।

আর ‘হিন্দি, হিন্দু, হিন্দুস্তান’ যে বিজেপির ঘোষিত রাজনৈতিক এজেন্ডা, তাদের আমলে সেই উদ্যোগ আরও গতি পেয়েছে সহজবোধ্য কারণেই।

এবছরের হিন্দি দিবসের ভাষণেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, “হিন্দিই হল সেই ভাষা যা সমগ্র ভারতকে একতার সূত্রে বেঁধে রেখেছে।”

ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের পেছনে হিন্দি ছাড়া আরও সব ভাষার ভূমিকাকেও স্বীকৃতি দিয়েছেন তিনি, কিন্তু সারা দেশে সরকারি কাজকর্ম যে স্থানীয় ভাষার পাশাপাশি হিন্দিতেই হওয়া বাঞ্ছনীয় – সরকারের সেই অভিপ্রায়ও গোপন করেননি।

কিন্তু সব সরকারি দফতর, অফিস-আদালত কিংবা ব্যাঙ্কে হিন্দিকে সরকার মূল ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলেও এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি প্রতিরোধ তৈরি হয়েছে দক্ষিণ ভারতে।

যেমন তামিলনাডুর রাজনীতির একটা প্রধান ভিত্তিই হল হিন্দি-বিরোধিতা।

হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধিতায় সরব ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি
হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধিতায় সরব ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি

তামিল রাজনীতিবিদ ও এমপি কানিমোঝি মাসখানেক আগেই চেন্নাই এয়ারপোর্টে একজন নিরাপত্তাকর্মীর হিন্দি কথা বুঝতে না-পারায় তার অবাক প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন, “ভারতীয় হয়েও কীভাবে আপনি হিন্দি বুঝতে পারেন না?”

সেই অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করে কানিমোঝি বলছিলেন, “একটা বিশেষ ভাষা না-জানলেই যে একজন কম ভারতীয় হয়ে যান না, সেই বোধটাই আসলে দেশের একটা বড় অংশে তৈরি হয়নি!”

হিন্দি যে কেন্দ্রীয় সরকারের বেশি ‘প্রশ্রয়’ পাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে যথেষ্ঠ ক্ষোভ আছে পূর্ব ভারতেও। বাংলা ভাষার সুপরিচিত কবি ও ভাষাবিদ সুবোধ সরকার বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, এটাও আসলে এক ধরনের বঞ্চনা।

সুবোধ সরকারের কথায়, “ভারতের অন্য সব ভাষার প্রতি আমার যতটা ভালবাসা, হিন্দির প্রতিও সেই সমান ভালবাসা আছে – এক চুলও কম নেই।”

“তবে কথা হল, ভারতের চব্বিশটা প্রধান ভাষাকেই কিন্তু অষ্টম তফসিলে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে – ফলে সংবিধানের চোখে, সাহিত্য অ্যাকাডেমির চোখে তাদের প্রতিটারই সমান মর্যাদা। তাহলে বাংলা ভাষা দিবস নয় কেন, তামিল ভাষা দিবস নয় কেন?”

“আসলে হিন্দিকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে বা হিন্দিকে নানা ক্ষেত্রে ছড়িয়ে দিতে গিয়ে বহু বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার যে বিপুল অর্থ খরচ করে আসছে, অন্য ভাষাগুলোর ক্ষেত্রে কিন্তু তার ভগ্নাংশও করা হয়নি।”

কবি সুবোধ সরকার
কবি সুবোধ সরকার

“এ কারণেই আমার মনে হয় এ ক্ষেত্রে একটা ভাষা প্রবঞ্চনা তৈরি হচ্ছে”, বিবিসিকে বলছিলেন সুবোধ সরকার।

তবে হিন্দির সমর্থকরা অনেকেই যুক্তি দিয়ে থাকেন, এখানে প্রশ্নটা অবহেলা বা বঞ্চনার নয় – ভারতের মতো বহু ভাষার দেশে একটা অভিন্ন যোগসূত্র দরকার সেটা বাস্তবতা, আর তার প্রধান দাবিদার হিন্দিই।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ গীতা ভাট যেমন বলছিলেন, “ঔপনিবেশিক ধ্যানধারণা আমাদের মধ্যে এমনভাবে শিকড় গেড়েছে যে স্বাধীনতার পরও আমরা বিশ্বাস করে গেছি একমাত্র ইংরেজিই হতে পারে এদেশের অভিন্ন যোগসূত্র।”

“প্রশ্ন হল, একটা স্বদেশি ভারতীয় ভাষা কেন সেই জায়গাটা নিতে পারবে না?”

হিন্দিকে সেই জায়গাটা দেওয়ার জন্যই দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকার চেষ্টা চালাচ্ছে গত সাত দশক ধরে, আর তামিলনাডু-পশ্চিমবঙ্গ-অন্ধ্র বা কর্নাটকের অনেকেই ভাবছেন তাহলে আমাদের তামিল-বাংলা-তেলুগু-কন্নড়ই বা কী দোষ করল?

  • কবি সুবোধ সরকার

    কবি সুবোধ সরকার

  • হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধিতায় সরব ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি

    হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধিতায় সরব ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি

  • তিন বছর আগে দিল্লিতে হিন্দি দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তিন বছর আগে দিল্লিতে হিন্দি দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • মুম্বাইয়ের রাস্তায় হিন্দিতে গ্রাফিতি

    মুম্বাইয়ের রাস্তায় হিন্দিতে গ্রাফিতি

  • কবি সুবোধ সরকার
  • হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার বিরোধিতায় সরব ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি
  • তিন বছর আগে দিল্লিতে হিন্দি দিবস উদযাপনের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • মুম্বাইয়ের রাস্তায় হিন্দিতে গ্রাফিতি
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

Leave a Reply

ফল

বাংলার মাটিতে বাড়ছে বিদেশি ফলের চাষ

ঢাকা: বাংলাদেশের মাটিতে দিন দিন বাড়ছে বিদেশি ফলের চাষ। অনুকূল আবহাওয়া, কৃষি মন্ত্রণালয়ের পর্যাপ্ত সেবা ও স্থানীয় উদ্যোক্তা-চাষিদের উদ্যোগে এগিয়ে যাচ্ছে এই খাত। সব প্রতিবন্ধকতা জয় করে উল্টো বিদেশি ফল বিদেশে রপ্তানির কথা ভাবছে সরকার।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বেশ কয়েকজন বিদেশি ফলচাষির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর আগে ড্রাগন ফল চাষের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে শুরু হয় বিদেশি ফলের চাষ। বর্তমানে ড্রাগন ফলের পাশাপাশি স্ট্রবেরি, রাম্বুটান, অ্যাভোকাডো, পার্সিমন, টক আতা, প্যাসন ফলসহ নাশপাতি, আলু বোখারা ও পিচের মতো বিদেশি ফল চাষ হচ্ছে দেশে।


দেশের প্রায় সব অঞ্চলেই চাষ করা যায় এসব ফলের কোনো না কোনোটি। উত্তরবঙ্গ ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন এলাকায় চাষ হচ্ছে ড্রাগন ফল। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে চাষ হচ্ছে রাম্বুটান। রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা, নাটোরের মতো জেলাগুলোতে ব্যাপক চাষ ও ফলন হচ্ছে স্ট্রবেরির। আর সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঢাকার উঁচু এলাকাগুলোতে ভালো ফলন হয় অ্যাভোকাডোর।

বিদেশি ফল চাষ করে সফলতাও পাচ্ছেন দেশি চাষি ও উদ্যোক্তারা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত তরুণরাও আগ্রহী হচ্ছেন এ খাতে ক্যারিয়ার গড়তে। তেমনই দুই উদ্যোক্তা গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মামা-ভাগ্নে আতাউর রহমান ও আবদুল আজিজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাট চুকিয়ে চাকরি-বাকরির বদলে দু’জনে মিলে শুরু করেন বিদেশি ফলের চাষ। পরামর্শ নেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কৃষি বিশেষজ্ঞের। ২০১৩ সালে স্ট্রবেরির চাষ শুরু করে সেবছরই আয় করেন ১১ লাখ টাকা।
ড্রাগন ফল।  ছবি: ডিএইচ বাদল নিজেদের উদ্যোগ সম্পর্কে আতাউর রহমান বলেন, বাবা কৃষক ছিলেন্। ছোটবেলায় তার সঙ্গে কাজ করতে করতে কৃষি নিয়ে আগ্রহ জন্মায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পর ভাগ্নে আজিজকে নিয়ে শুরু করলাম এই বিদেশি ফলের চাষ। প্রথমে কিছুটা সন্দিহান ছিলাম তবে বাজারে যখন এর চাহিদা দেখলাম তখন আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। বছর ঘুরতেই যখন ভালো অংকের লাভ আসা শুরু করলো তখন এটা নিয়ে দ্বিতীয়বার আর ভাবিনি। এই খাতেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।

এদিকে দেশি ফল চাষের পাশাপাশি বিদেশি ফলের চাষ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ। সৌদি আরব, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশে রপ্তানি হচ্ছে দেশীয় ফলমূল। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশি ফল বিদেশেই রপ্তানি করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে অধিদপ্তরের। আর সেকারণেই চাষিদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান কৃষিতথ্য সেবা বিভাগের পরিচালক ও কৃষিবিদ ড. মো. নুরুল ইসলাম।


বাংলানিউজকে নুরুল ইসলাম বলেন, ফলের জন্য প্রথমত দরকার আবহাওয়া। আবহাওয়া যদি ম্যাচ না করে তাহলে হবে না। আমাদের জন্য সৌভাগ্য যে, আমাদের দেশের আবহাওয়া বেশ কয়েকটি সুস্বাদু ও চাহিদাসম্পন্ন বিদেশি ফলের চাষের জন্য সহায়ক।


কৃষিতথ্য সেবা দপ্তর বলছে, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে উৎপাদিত ফলের পরিমাণ ছিল ১২১ দশমিক ১৩ লাখ মেট্রিক টন। সঠিক হিসাব না থাকলেও, এর মধ্যে প্রায় দুই শতাংশ বিদেশি ফল রয়েছে। এই সংখ্যা আরও বাড়াতে ইতোমধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে ‘ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন’ শীর্ষক এক প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ১৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০১৫ সালে শুরু হওয়া এ প্রকল্প শেষ হবে ২০২০ সালে। প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় লাখ কৃষককে বিদেশি ফল চাষে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। কৃষি বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ২০২০ সালে এসে এই প্রকল্প থেকে দারুণ ইতিবাচক ও সম্ভাবনাময় ফলাফল মিলবে।


অন্যদিকে ‘সারা বছর ফল উৎপাদন’ শীর্ষক আরেকটি প্রকল্প চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। চালুর পর ২০২৬ সালে গিয়ে শেষ হবে এ প্রকল্প। এ বিষয়ে কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, বিদেশি ফল চাষের দু’টি বড় উপকারিতা রয়েছে। এক, পুষ্টিগুণসম্পন্ন বিদেশি ফল কম দামেই দেশে উৎপাদন করা যাচ্ছে। ফলে লাভবান হচ্ছে দেশের জনগণ। দুই, বিদেশি ফল চাষে আলাদা গুরুত্ব পাচ্ছে অর্থনৈতিক দিকগুলো।  

‘একদিকে যেমন কর্মসংস্থান বাড়ছে অন্যদিকে পরিকল্পনা করে এগোলে বিদেশেই বিদেশি ফল রপ্তানির আরেকটি বড় সুযোগ তৈরি হতে পারে। আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে নতুন কিছু করে দেখানোর আগ্রহ রয়েছে। অনেকেই আছেন যারা তরুণ ও এই খাতে কাজ করছেন বা করতে আগ্রহী। তাদের মধ্যে দারুণ কিছু করে দেখানোর তাগিদ রয়েছে। আমরা সেটিকে যতটা সম্ভব সাহায্য করতে চাই।  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

ফল

মাল্টা চাষে স্বাবলম্বী ঘোড়াঘাটের আবু সায়াদ

দিনাজপুর: পাহাড়ি ফল হিসেবে পরিচিত মাল্টা। তবে সমতল ভূমিতেও এ ফলের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বরেন্দ্র অঞ্চলের ‘শস্য ভান্ডার’খ্যাত দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে মাল্টার। ‘মাটির গুণাগুণ ঠিক থাকলে সমতল এলাকাতেও মাল্টা চাষ করে লাভবান হতে পারেন যে কেউ-ই’-এমনটিই জানিয়েছেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার সফল মাল্টাচাষি কাজী আবু সায়াদ চৌধুরী।

বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক জনপ্রিয় ও সহজলভ্য একটি ফল হচ্ছে মাল্টা। এ ফলটি সারা বছরই পাওয়া যায়।

তাছাড়া দামেও বেশ সস্তা। পাশাপাশি বিভিন্ন ভিটামিনসহ মাল্টার অনেক পুষ্টিগুণও রয়েছে।  

মাল্টা চাষ করে সফল হয়ে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ঘোড়াঘাট উপজেলার গোপালপুর গ্রামের বাসিন্দা কাজী আবু সায়াদ চৌধুরী। তার বাগানে থাকা প্রত্যেক গাছেই ঝুলছে থোকা থোকা মাল্টা।  

সায়াদ চৌধুরীর বাগানে শতাধিক মাল্টা গাছ রয়েছে। শুধু তাই নয়, মাল্টার পাশাপাশি তার বাগানে আরও রয়েছে লেবু, পেঁপে ও লিচু গাছ। কাজী আবু সায়াদের সফলতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে এলাকার বেকার যুবকরাও ঝুঁকছেন মাল্টা বাগান গড়ে তোলার দিকে।

২০১৭ সালে আগস্টে ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় উপজেলার পালশা ইউনিয়নের বিলপাড়া গ্রামে পৈত্রিক দেড় একর পরিমাণ পরিত্যক্ত পুকুর পাড়ের পশ্চিম পাশের দুই বিঘা জমিতে মাল্টা গাছের (বারি-১) চারা রোপণ করেন কাজী আবু সায়াদ চৌধুরী। প্রায় দুই বছরেই মাল্টা গাছে ফল ধরেছে। বাগানে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন সাইজের মাল্টা। সবুজ পাতার আড়ালে কিংবা পাতা ঝরা ডালেও ঝুলছে থোকা থোকা মাল্টা।  

মাল্টাচাষি কাজী আবু সায়াদ চৌধুরীর সঙ্গে কথা হয় বাংলানিউজের। তিনি জানান, প্রথম গাছে মাল্টা ধরার পর থেকে ফল চাষের মাধ্যমে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের স্বপ্ন জাগে তার। এখন চলছে স্বপ্ন পূরণের পালা। স্থানীয় কৃষকরা এসব ফলমূল চাষে এগিয়ে এলে মাল্টাসহ বিভিন্ন ফলের চাহিদা মেটানো সম্ভব। ফলগুলো সুমিষ্ট হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, গত বছরের চেয়ে চলতি মৌসুমে মাল্টা ফলন ভালো হয়েছে। প্রতি কেজি মাল্টা ১১০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এখলাস হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, ঘোড়াঘাটসহ দিনাজপুর জেলায় ধান চাষের পাশাপাশি মাল্টা চাষের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ধান উৎপাদনের চেয়ে মাল্টা চাষে ১০ গুণ বেশি লাভবান হতে পারে এ অঞ্চলের কৃষক।  

‘কম খরচে ফলজ বাগান তৈরি করে এখানকার কৃষকেরা আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে,’ যোগ করেন তিনি।  

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

মাটি খুঁড়ে মিলছে ‘হিরা’, গুঞ্জনে গ্রামে তোলপাড়

উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্য নাগাল্যান্ডের প্রত্যন্ত গ্রামে হঠাৎ গুঞ্জন উঠল ‌‘হীরক ভাণ্ডারের’ সন্ধান মিলেছে। মাটি খুঁড়লেই উঠে আসছে হিরের টুকরো। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন খবর ছড়িয়ে পড়তেই কাতারে কাতারে গুপ্তধন সন্ধানী ভিড় করলেন ওয়ানচিং গ্রামে।

চলতি সপ্তাহের গোড়ায় নাগাল্যান্ডের মন জেলার এই গ্রামে টিলার ওপরের জঙ্গল পরিষ্কার করার সময় মাটির নিচে বেশকিছু স্ফটিকের টুকরো খুঁজে পান কয়েকজন গ্রামবাসী। তাদের মুখ থেকে খবর ছড়িয়ে পড়ে পুরো গ্রামে। সকলেই ধরে নেন, ওই স্ফটিক নির্ঘাত হিরের টুকরো। সঙ্গে সঙ্গে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় গ্রামে। সকলেই কোদাল-বেলচা-গাঁইতি কাঁধে পৌঁছে যান টিলার উপরের জঙ্গলে। শুরু হয় মাটি খুঁড়ে গুপ্তধন উদ্ধারের চেষ্টা।এদিকে অত্যুৎসাহীরা সেই ছবি ও ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার সঙ্গে সঙ্গে হিরে আবিষ্কারের গল্প ছড়িয়ে পড়ে দাবানলের মতো। তার জেরে ওয়ানচিং গ্রামে ভিড় জমতে শুরু করে হিরে সন্ধানীদের। বাধ্য হয়ে বহিরাগতদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়ানচিং গ্রাম পঞ্চায়েত। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত পোস্টের ওপরেও জারি হয়েছে কড়া বিধি-নিষেধ। 

এ দিকে মন জেলার প্রত্যন্ত গ্রামের এই খবর পৌঁছেছে প্রশাসনের কানেও। উদ্ধার হওয়া স্ফটিকগুলো সত্যিই হিরে কি না, তা খতিয়ে দেখতে ওয়ানচিং গ্রামের উদ্দেশে শুক্রবার রওনা হয়েছেন চার ভূতাত্ত্বিক। ৩০ নভেম্বর অথবা ১ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের গ্রামে পৌঁছানোর কথা। সরেজমিনে তদন্তের পরে তারা রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা দেবেন।

মন জেলার ডেপুটি কমিশনার জানিয়েছেন, মাটির তলা থেকে উদ্ধার হওয়া স্ফটিক আদৌ হিরে কি না, তাই নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। তবে হিরে না হলেও স্ফটিকগুলো কোয়ার্টজ জাতীয় পাথরের ভগ্নাবশেষ বলে তিনি মনে করছেন। বিভিন্ন কাজে সহায়ক হওয়ায় তার মূল্যও কম নয় বলে তার দাবি। ফলে তাতে উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে স্থানীয়দের, মনে করছেন ডেপুটি কমিশনার। যদিও বিশেষজ্ঞরা অনুসন্ধান না করা পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য ভিত্তিহীন হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

অন্যদিকে নাগাল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক জি টি থং জানিয়েছেন, ‘পাথরগুলো সাধারণ কোয়ার্টজ স্ফটিক। নাগাল্যান্ডের বিভিন্ন প্রান্তে হামেশাই এই স্ফটিকের দেখা পাওয়া যায়।’ তার মতে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কেউ সরল গ্রামবাসীদের ভুল বুঝিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে। মন জেলা বা ওই অঞ্চলে এর আগে হিরের খোঁজ পাওয়া যায়নি বলেও জানান এই অধ্যাপক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

সমুদ্র সৈকতে হাঙরের আক্রমণ, প্রাণ হারালেন বৃদ্ধ

সৈকতে ছুটি কাটাতে চেয়েছিলেন। আর সেই ছুটি শেষ পর্যন্ত মৃত্যু ডেকে আনলো। কারণ হাঙরের আক্রমণে প্রাণ গেল বৃদ্ধের। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর-পূর্ব অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় ক্যাবেলা বিচে।

জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পশ্চিম উপকূলের এই ক্যাবেলা সমুদ্র সৈকত দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দারুণ পছন্দের একটি জায়গা। এদিন সেখানে ঘুরতে গিয়ে হাঙরের আক্রমণের মুখে পড়েন ওওই বৃদ্ধ। বিষয়টি দেখতে পেয়ে সৈকতে বেড়াতে আসা অন্যান্য পর্যটকরা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেও অতিরিক্ত আঘাতের কারণে শেষপর্যন্ত মারা যান তিনি। এই বিষয়ে ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ান পুলিশের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে ওই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসন।

২২ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত অস্ট্রেলিয়ার ব্রোম শহরের এই সাদা বালির সৈকতে হাঙরের আক্রমণের ঘটনা খুবই বিরল। তবে চলতি বছরে এই নিয়ে আটবার হাঙরের আক্রমণের ঘটনা ঘটেছে এই সৈকতে।

যদিও অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, জনপ্রিয় এই সৈকতটি বছরে এক-দুইবার বন্ধ করা হয়। কেননা অনেক সময় লবনাক্ত জলের কুমিরগুলি সৈকতের কাছাকাছি চলে আসায় পর্যটকদের সুরক্ষার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

বিশ্ব

লর্ড মাউন্টব্যাটেন

ভারত ভাগের নাটের গুরু ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে মতপার্থক্য দানা বেঁধে উঠলে লর্ড মাউন্টব্যাটেন পরিস্থিতির সুযোগ নেন। নির্বাহী পরিষদের সদস্যদের তীব্র মতপার্থক্যের সুযোগে তিনি ধীরে ধীরে পূর্ণ ক্ষমতা নিজের কাছে নিয়ে নেন। লর্ড মাউন্টব্যাটেন বলেন, একমাত্র ভারত বিভক্ত হলে সমস্যার সমাধান হতে পারে।

মাওলানা আজাদ লিখেছেন, লর্ড মাউন্টব্যাটেন উভয় পক্ষকে বোঝান যে পাকিস্তানের সৃষ্টি না হয়ে উপায় নেই। মাউন্টব্যাটেন কংগ্রেসের সিনিয়র নেতাদের মনে পাকিস্তান সৃষ্টির বীজ বপন করেন। আর ভারতীয় নেতাদের মধ্যে সরদার বল্লভভাই প্যাটেল মাউন্টব্যাটেনের এ ধারণা সবার আগে গ্রহণ করেন।অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, ভারতবর্ষ ভাগ করার জন্য সরদার প্যাটেল আগে থেকেই মানসিকভাবে অর্ধেক তৈরি ছিলেন। প্যাটেল ধরে নেন, মুসলিম লীগের সঙ্গে কাজ করা যাবে না। সরদার প্যাটেল একপর্যায়ে জনসম্মুখে বলেই ফেলেন, মুসলিম লীগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য তিনি ভারত ভাগ করতেও রাজি আছেন। এ কথা বলা অত্যুক্তি হবে না যে সরদার প্যাটেলই ছিলেন ভারতভাগের স্থপতি।

ভারতবর্ষ বিভক্ত করার ফরমুলা বিষয়ে সরদার প্যাটেল মনস্থির করার পর লর্ড মাউন্টব্যাটেন মনোযোগ দেন জওহরলাল নেহরুর দিকে। এ ধরনের ফরমুলার কথা শুনে প্রথমে নেহরু খুবই রাগান্বিত হন। কিন্তু লর্ড মাউন্টব্যাটেন তাঁকে ভারতবর্ষ ভাগ করার বিষয়ে ক্রমাগত বোঝাতে থাকেন। এ বিষয়ে নেহরুর রাগ প্রশমিত না হওয়া পর্যন্ত মাউন্টব্যাটেন তাঁর তৎপরতা চালাতে থাকেন। কিন্তু ভারত ভাগ করার বিষয়ে জওহরলাল নেহরু শেষ পর্যন্ত কীভাবে রাজি হলেন? মাওলানা আজাদ মনে করেন এর দুটি কারণ আছে।

প্রথমত, জওহরলাল নেহরুকে রাজি করানোর বিষয়ে মাউন্টব্যাটেনের স্ত্রীর একটি বড় প্রভাব ছিল। লেডি মাউন্টব্যাটেন ছিলেন খুবই বুদ্ধিমতী। এ ছাড়া তাঁর মধ্যে আকর্ষণীয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় ছিল যার মাধ্যমে তিনি অন্যদের আকৃষ্ট করতে পারতেন। লেডি মাউন্টব্যাটেন তাঁর স্বামীকে খুব শ্রদ্ধা করতেন এবং অনেক সময় যাঁরা প্রথমে তাঁর স্বামীর কাজের সঙ্গে একমত হতে পারতেন না, তাঁদের কাছে স্বামীর চিন্তা-ভাবনা পৌঁছে দিয়ে তাদের সম্মতি আদায় করতেন। ভারত ভাগ করার পেছনে নেহরুর রাজি হওয়ার আরেকটি কারণ ছিলেন কৃষ্ণ মেনন। এই ভারতীয় ব্যক্তি ১৯২০-এর দশক থেকে লন্ডনে বসবাস করতেন। কৃষ্ণ মেনন ছিলেন জওহরলাল নেহরুর একজন বড় ভক্ত এবং নেহরুও কৃষ্ণ মেননকে খুবই পছন্দ করতেন।

কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের সমন্বয়ে ভারতবর্ষে যখন অন্তর্র্বর্তী সরকার গঠিত হয় তখন নেহরু কৃষ্ণ মেননকে লন্ডনে হাইকমিশনার নিয়োগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কৃষ্ণ মেননের বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের আপত্তি ছিল। কারণ ১৯৩০-এর দশকের প্রথম দিকে ব্রিটেনের লেবার পার্টির একটি প্রতিনিধি দলের সদস্য হয়ে কৃষ্ণ মেনন ভারত সফর করেন।

১৯৪৬ সালের দিকে কৃষ্ণ মেনন যখন আবার ভারতে আসেন তখন লর্ড মাউন্টব্যাটেন বুঝতে পারেন যে ভারত ভাগ করার বিষয়ে কৃষ্ণ মেননের মাধ্যমে মিস্টার নেহরুকে রাজি করানো যাবে।

মাওলানা আজাদ যখন জানতে পারেন ভারত ভাগ করার বিষয়ে জওহরলাল নেহরু ও সরদার প্যাটেল মোটামুটি একমত তখন তিনি ভীষণ হতাশ হন। মাওলানা আজাদ মনে করতেন, ভারত বিভক্ত হলে তা শুধু মুসলমানের জন্যই নয়, পুরো ভারতের জন্যই খারাপ হবে। তাঁর দৃষ্টিতে ভারতবর্ষের মূল সমস্যা ছিল অর্থনৈতিক। সাম্প্রদায়িক সমস্যা কোনো বড় সমস্যা ছিল না। ভারত ভাগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিতে সরদার প্যাটেল ও জওহরলাল নেহরুকে বোঝানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেন মাওলানা আজাদ। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। ভারত ভাগের বিষয়ে সরদার প্যাটেল এতটাই অনড় ছিলেন যে তিনি অন্য কারও মতামত শুনতেও রাজি ছিলেন না।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com