আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিবেশ

হাজার বছর বয়সী গাছ: দীর্ঘ জীবনের রহস্যভেদ

গিঙ্কো গাছ বেঁচে থাকতে পারে এক হাজারেরও বেশি বছর। বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এই বৃক্ষের দীর্ঘায়ু হওয়ার গোপন কারণ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এখানে পৃথিবীর প্রাচীন কিছু গাছের কথা তুলে ধরা হলো:

গিঙ্কো বাইলোবা। আয়ু ১,০০০ বছরের বেশি
গিঙ্কো বাইলোবা। আয়ু ১,০০০ বছরের বেশি

উপরের এই গাছটির নাম গিঙ্কো বাইলোবা। এটি মেইডেনহেয়ার নামেও পরিচিত। চীনে এই গাছটি দেখতে পাওয়া যায়। এটি ১,০০০ এর বেশি বছর বেঁচে থাকতে পারে। এর দীর্ঘায়ু হওয়ার পেছনে গোপন কী কারণ আছে বিজ্ঞানীরা সেটি সম্প্রতি খুঁজে বের করেছেন।

বিজ্ঞানীদের পরীক্ষায় দেখা গেছে, এই গাছ এমন কিছু রাসায়নিক উৎপাদন করতে পারে যা তাদেরকে রোগ জীবাণু ও খরা থেকে রক্ষা করে। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই বৃক্ষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে এর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

গ্রেট বেসিন ব্রিসেলকোন পাইন। আয়ু ৪,৮০০ বছর
গ্রেট বেসিন ব্রিসেলকোন পাইন। আয়ু ৪,৮০০ বছর

উপরের ছবির এই গাছগুলোর নাম গ্রেট বেসিন ব্রিসেলকোন পাইন। ধারণা করা হয় পৃথিবীতে এখনও যেসব গাছপালা ও পশুপাখি বেঁচে আছে তার মধ্যে এটিই সবচেয়ে প্রাচীন।

সারা বিশ্বে সবচেয়ে বিখ্যাত ব্রিসেলকোন পাইন গাছটির নাম মেথুসেলাহ। ধারণা করা হয় এই গাছটির বয়স ৪,৮০০ বছরেরও বেশি।

এর দীর্ঘ জীবনের পেছনে দারুণ একটি বিষয় হচ্ছে এটি অত্যন্ত বিরুপ ও বৈরি পরিবেশেও টিকে থাকতে পারে। এসব গাছের জন্মও হয় সেরকম পরিবেশে।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া, নেভাদা এবং ইউটার উঁচু উঁচু পর্বতে এই গাছটি জন্মায়।

এরা ধীরে ধীরে বড় হয়। এক জায়গায় প্রচুর গাছ থাকে। এর ফলে তারা নিজেদেরকে পচন, নানা রকমের কীটপতঙ্গ ও ফাঙ্গাস থেকে রক্ষা করতে পারে।

ক্রিপ্টোমেরিয়া। আয়ু ৬৫০ বছর
ক্রিপ্টোমেরিয়া। আয়ু ৬৫০ বছর

উপরের গাছগুলোর নাম ক্রিপ্টোমেরিয়া। এগুলো জাপানি সেডার নামেও পরিচিত।

চীনের কিছু কিছু এলাকায় এবং দক্ষিণ জাপানে এই গাছগুলো দেখতে পাওয়া যায়।

হালকা শীতের আবহাওয়ার মধ্যে এই গাছ জন্মায়। জাপানের এরকম কিছু কিছু গাছের বয়স ৬৫০ বছরেরও বেশি বলে ধারণা করা হয়।

আর চীনে এই প্রজাতিরই কিছু গাছের বয়স প্রায় ১,০০০ বছর।

আলেরসা। আয়ু ৪,০০০ বছর
আলেরসা। আয়ু ৪,০০০ বছর

উপরের গাছগুলোর নাম আলেরসা যা প্যাটাগোনিয়ান সাইপ্রেস নামেও পরিচিত। চিলি ও আর্জেন্টিনার দক্ষিণাঞ্চলে এই গাছটি খুঁজে পাওয়া যায়।

ধারণা করা হয় যে এই প্রজাতির সবচেয়ে পুরনো বৃক্ষটির বয়স আনুমানিক ৪,০০০ বছর।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই গাছটিতে এমন এক ধরনের রস আছে যা তাদেরকে পচনের হাত থেকে রক্ষা করে। এমনকি পানিতে থাকলেও এই গাছ পচে না।

আফ্রিকান বেওবাব। আয়ু ২,০০০ বছর
আফ্রিকান বেওবাব। আয়ু ২,০০০ বছর

উপরের গাছগুলো আফ্রিকান বেওবাব গাছ। এই বৃক্ষ ২,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বেঁচে থাকতে পারে।

কিন্তু সম্প্রতিএই প্রজাতির অনেক প্রাচীন গাছ মারা গেছে। বিজ্ঞানীরা এর জন্যে জলবায়ুর পরিবর্তনকে দায়ী করছেন।

এই গাছটি নানা কাজে ব্যবহার করা হয়। এটি এমন ফল দেয় যাতে কমলার চাইতেও বেশি পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।

এর শেকড় থেকে লাল রং তৈরি করা যায় এবং এর বাকল দিয়ে ঝুড়ি ও দড়ির মতো নানা রকমের জিনিস তৈরি করা যায়।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে মন্তব্য করতে লগ ইন করুন লগ ইন

মন্তব্য এর উত্তর দিন

পরিবেশ

দেশে ছাদকৃষি, প্রবাসে বাঙালির আঙিনা কৃষি

আজকাল ছাদকৃষি ছাড়া বাসভবনকে পরিপূর্ণ ভাবতে পারেন না অনেকেই। একইভাবে বিদেশের মাটিতে পাড়ি জমিয়েও স্বপ্নের বসতবাড়িটির চারদিক সাজাতে কৃষিরই আশ্রয় নিচ্ছেন প্রবাসী বাংলাদেশি। ছাদকৃষির পথ ধরেই প্রবাসে এখন রচিত হচ্ছে বাঙালির আঙিনা কৃষি।

সিরাজগঞ্জ শহরে স্থানীয় সংসদ সদস্য হাবিবে মিল্লাতের এই বাসভবনের বয়স মাত্র এক বছর। কিন্তু তার স্ত্রী শারিতা মিল্লাতের ছাদকৃষি উদ্যোগই যেন পরিপূর্ণ করেছে এই বাড়িটিকে।

একইভাবে দেশে আশি বা নব্বই দশক থেকে ছাদকৃষিতে মজে থাকা অনেকেই, কিংবা তাদের পরবর্তী প্রজন্ম বিদেশের মাটিতে সাজাচ্ছেন আঙিনা কৃষি। কানাডা প্রবাসী জাহিদ হুসাইন ও আলিয়া রহমান দম্পতির টরেন্টোর স্কার্বোরো এলাকার আঙিনা কৃষি জানান দিচ্ছে সেকথাই।

বাংলাদেশি সব রকমের শাকসবজি আর নানারকম বিদেশি ফলের স্বাদ তারা গ্রহণ করছেন এই আঙিনা কৃষি থেকেই।

তারা বলছেন, কৃষিতে মনোনিবেশ করার ক্ষেত্রে মূল প্রেরণা টেলিভিশন অনুষ্ঠান।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ঢাকায় ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে গড়ে উঠেছে সুসজ্জিত ছাদকৃষি

ঢাকা মহানগর ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে গড়ে উঠেছে সুসজ্জিত ছাদকৃষি। নির্যাতিত নারী ও শিশুদের শুশ্রূষার ক্ষেত্রে ঐ ছাদকৃষি রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।

পুলিশ কর্মকর্তাদের তত্ত্বাবধানে সেখানে ফলছে রকমারি ফল ফসল। এদিকে কয়েকমাসের উষ্ণতায় ইউরোপ আমেরিকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন আঙিনা কৃষিতে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন

কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন
কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন

জুন, জুলাই ও আগস্ট মাস গাছের চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। তাই সঠিক স্থানে সঠিক চারা রোপণের সময় এটি। বৃক্ষমেলা কিংবা নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করা যায়। তবে ফলদ ও ওষধি গাছের চারা লাগানোর প্রতি বেশি নজর দেওয়া উচিত। এতে ফল, ঔষধ এবং কাঠ সবই পাওয়া যায়। বন্যামুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে এবং সূর্যালোক পড়ে এমন জায়গায় চারা রোপণ করা উচিত। আসুন জেনে নেই কোথায় কোন চারা রোপণ করা উচিত।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান
মসজিদ, মন্দির, গির্জা, স্কুল, কলেজ, অফিস, আদালত, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সামনে ও আশেপাশে লাগাতে পারেন। এমন স্থানে দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, তাল, খেজুর, নিম, পাম, ঝাউ, কৃষ্ণচূড়া, আম, কাঁঠাল, লিচু গাছ রোপণ করতে পারেন।

বাড়ির ছাদে
পাকা বাড়ির ছাদে টবে করে গাছের চারা রোপণ করা যায়। যেমন- কমলালেবু, পেয়ারা, কুল, জাম্বুরা, ডালিম, মেহেদী, লিচু প্রভৃতি গাছ লাগাতে পারেন।

বাড়ির দক্ষিণ পাশে
রোদ ও আলোর জন্য ছোট এবং কম ঝোপালো গাছ লাগাতে হবে। সুপারি, নারিকেল, নিম, দেবদারু, পেঁপে, পেয়ারা, লেবু, জাম্বুরা, ডালিম, মেহেদী গাছ লাগানো যেতে পারে।

কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন
কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন

বাড়ির পূর্ব-পশ্চিমে
মাঝারি উঁচু এবং মাঝারি ঝোপালো গাছ লাগাতে হবে। এতে সকাল-সন্ধ্যা বাড়ির আঙ্গিনায় আলো থাকবে। বাউকুল, আপেলকুল, সফেদা, আম্রপালি, লিচু, খেজুর, ডালিম, কলা, আতা, বেল, পেয়ারাসহ বিভিন্ন গাছ এখানে রোপণ করতে পারেন।

বাড়ির উত্তর পাশে
বড় ও উঁচু গাছপালা থাকলে ঝড়-তুফান প্রতিরোধ হয়। এখানে আম, কাঁঠাল, জাম, কামরাঙ্গা, মেহগনি, শিশু, সেগুন, হরিতকি, আকাশমণি, বাঁশ ইত্যাদি গাছ রোপণ করা যায়।

পতিত জমি
আম, কাঁঠাল, জাম, কামরাঙ্গা, মেহগনি, শিশু, সেগুন, হরিতকি, আকাশমণি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর, নিম, পাম, ঝাউ, কৃষ্ণচূড়া, বাঁশ ইত্যাদি গাছ রোপণ করা উচিত।

হাট-বাজার
ছায়দানকারী গাছ রোপণ করা উচিত। আম, কাঁঠাল, জাম, সেগুন, দেবদারু, সুপারি, খেজুর, নিম, পাম, কৃষ্ণচূড়া, বটগাছ রোপণ করা উচিত।

কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন
কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন

রাস্তার পাশে
উঁচু ও ডালপালা ছাঁটাই করা যায় এমন গাছ রোপণ করা দরকার। মেহগনি, শিশু, সেগুন, হরিতকি, আকাশমণি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর, নিম, পাম, ঝাউ, কৃষ্ণচূড়া, বাবলা, ইপিল ইপিল, শিমুল ইত্যাদি গাছ রোপণ করা যায়। গ্রামের পথের দু’ধারে বা ফিডার রোডের পাশে শিশু, নিম, দেবদারু, চম্পা, ইপিল ইপিল, পাইন্যাগোলা বা লুকলুকি, মান্দার, পালিত মাদার, পানিয়া মাদার, বাবলা, খয়ের, বকফুল, তাল, খেজুর ইত্যাদি লাগানো যেতে পারে। বড় রাস্তা বা মহাসড়কের পাশে কৃষচূড়া, কনকচূড়া, রেইনট্রি, গগন শিরীষ, রাজকড়ই, শিলকড়ই, শিশু, মেহগনি, অর্জুন, দেবদারু, সোনালু, নিম, নাগেশ্বর, আকাশমণি, বকুল, পলাশ, তেলসুর, ঝাউ, বটল পাম প্রভৃতি গাছ লাগানো যায়।

রেল লাইনের পাশে
মেহগনি, শিশু, সেগুন, আকাশমণি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর, নিম, পাম, শিমুল ইত্যাদি গাছ রোপণ করা যায়।

বাঁধের ধারে
শেকড় শক্ত এবং বিস্তৃত এমন গাছ যেমন- বট, আমড়া, বাঁশ, মেহগনি, শিশু, সেগুন, আকাশমণি, দেবদারু, নারিকেল, সুপারি, খেজুর ইত্যাদি গাছ রোপণ করা দরকার।

জমির আইল
যেসব গাছের শেকড় কম বিস্তৃত, কম ছায়াদানকারী, ডালপালা ছাঁটাই করা যায় যেমন- মেহগনি, দেবদারু ইত্যাদি গাছ রোপণ করতে হবে। জমির ভেতরেও গাছ লাগানো যায়। এ ক্ষেত্রে ইউক্যালিপটাসকে বেছে নিতে পারেন। ফসলের ক্ষেতে দূরে দূরে অল্প কিছু এরূপ গাছ লাগানো যেতে পারে। বরেন্দ্র এলাকায় এখন ধানের জমিতে মাটির ঢিবি তৈরি করে সেখানে ব্যাপক হারে আমগাছ লাগানো হচ্ছে। এমনকী জমির আইলেও অনেক গাছ লাগানো হয়। অনেক জায়গায় আইলে তালগাছ লাগিয়ে বাড়তি লাভ পাওয়া গেছে। তাল ছাড়া খেজুর, সুপারি, বাবলা, বকাইন, জিগা, কড়ই, ইউক্যালিপটাস, পালিত মাদার ইত্যাদি গাছ লাগানো যেতে পারে।

কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন
কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন

নিচু জমি
জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে এমন গাছ রোপণ করা দরকার। পিটালি, বেত, মূর্তা, বাঁশ, মান্দার, জারুল, হিজল, কদম ইত্যাদি গাছ নিচু জমিতে রোপণ করা যেতে পারে।

পুকুর পাড়
মাটি ভাঙে না এবং শোভাবর্ধন করে যেমন সুপারি, নারিকেল, নিম, দেবদারু, পেঁপে, পেয়ারা, লেবু, ডালিম ইত্যাদি গাছ লাগানো যায়।

নদীর তীর
পানি সহিষ্ণু, শক্ত মজবুত ও বড় হয় এমন গাছ রোপণ করা উচিত। যেমন- শিমুল, ছাতিম, পিটালি, বেত, বাঁশ, মূর্তা, মান্দার, জারুল, হিজল, কদম ইত্যাদি।

বিল
বিল এলাকা যেখানে বছরে দু-তিন মাস পানি জমে থাকে সেখানে হিজল, করচ, বিয়াস, পিটালী, জারুল, মান্দার, বরুণ, পলাশ, কদম, চালতা, পুতিজাম, ঢেপাজাম, রয়না বা পিতরাজ, অর্জুন ইত্যাদি গাছ লাগানো যায়।

কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন
কোন গাছ কোথায় রোপণ করবেন

চর
উপকূলীয় অঞ্চলে নতুন জেগে ওঠা চরে কেওড়া, বাইন, কাঁকড়া, গরান, গোলপাতা গাছ লাগানো যায়। তবে উপকূলে যেসব চর একটু উঁচু ও স্বাভাবিক। জোয়ারের পানি ওঠে না। সেসব চরে বাবলা, ঝাউ, সনবলই, সাদা কড়ই, কালো কড়ই, জারুল, রেইনট্রি ইত্যাদি লাগানো যায়। উপকূল ছাড়া অন্যান্য অঞ্চলে নদীর বুকে জেগে ওঠা চরে ঝাউ, লোনাঝাউ, পিটালী, করচ, পানিবিয়াস লাগানো যেতে পারে।

উপকূল
লবণাক্ততা সহ্য করতে পারে, হালকা পাতাবিশিষ্ট গাছ যেমন- সুন্দরী, ছৈলা, গরান, গেওয়া, গোলপাতা, মান্দার, কড়াই, বাবলা, নারিকেল ইত্যাদি গাছ রোপণ করা উচিত।

উঁচু পাহাড়
অনেক পাহাড়ি জমিতে কমলালেবুসহ বিভিন্ন প্রজাতির লেবু, লিচু, আম, পেয়ারা, গোল মরিচ, আদা, আনারসের সফল বিস্তার ঘটেছে। এছাড়াও তেলসুর, চাপালিশ, চিকরাশি, শিলকড়াই, গর্জন, গামার, সেগুন, ইপিল-ইপিল, বাঁশ, কাজুবাদাম প্রভৃতি কাঠের চাহিদা মেটাতে সহায়ক।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

যেভাবে চারাগাছের পরিচর্যা করবেন

যেভাবে চারাগাছের পরিচর্যা করবেন
যেভাবে চারাগাছের পরিচর্যা করবেন

অনেকেই শুধু চারা রোপণ করে চুপচাপ বসে থাকেন। পরে দেখা যায়, চারা আর চারার মতো নেই। আগাছার মতো হয়ে আছে। তাই বলতে চাই- চারা লাগিয়ে ফলের আশায় বসে থাকলে হবে না। সঠিক পরিচর্যা করতে হবে। কেননা বাগানে পরিচর্যার ফলে ২০ থেকে ৪০ ভাগ ফল বেশি উৎপাদন সম্ভব।

আসুন গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিচর্যার কথা জেনে নিন-
১. চারা রোপণের সঙ্গে সঙ্গে শক্ত কাঠি দিয়ে চারা সোজা করে বেঁধে দিতে হবে।
২. গরু-ছাগলের নাগাল থেকে রক্ষার জন্য বাঁশের খাঁচা দিয়ে চারা রক্ষা করতে হবে।
৩. চারার গোড়ায় জন্মানো অবাঞ্চিত আগাছা দমন জরুরি।
৪. মাটির আর্দ্রতার জন্য শুকনো লতাপাতা, খড়, কচুরিপানা দিয়ে চারার গোড়ায় মালচিং করতে হবে।
৫. কোনো চারা দুর্বল, রোগাক্রান্ত বা মারা গেলে ওই জায়গায় একটি নতুন সবল চারা লাগাতে হবে।
৬. চারা সোজা রাখা ও নির্দিষ্ট কাঠামো ঠিক রাখতে অবাঞ্চিত ডালপালা কেটে ফেলতে হবে।
৭. বৃষ্টি না হলে রোপণের পর ঝরনা দিয়ে পানি সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।
৮. দ্রুত বৃদ্ধিতে রোপণের একমাস পর গোড়ার একফুট দূর দিয়ে নালা করে ১০ গ্রাম হারে ইউরিয়া দিতে হবে।
৯. ফলগাছে বর্ষার আগে ও পরে বয়স এবং জাতভেদে একবার পরিমাণমতো জৈব ও রাসায়নিক সার দিতে হবে।
১০. প্রতিবছর ফল পাড়ার পর পুরনো, রোগাক্রান্ত, মরা ডালপালা ছেটে দিতে হবে।
১১. রোদ ও আলো বাতাস চলাচল বাড়িয়ে দিতে পারলে পরের বছর নতুন ডালপালায় ফুল-ফল বেশি হবে।
১২. রোগবালাই পোকামাকড় দমনে নিকটস্থ কৃষি বিভাগ, হর্টিকালচার সেন্টার বা বন বিভাগের পরামর্শ নিতে হবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

পরিবেশ

ইতিহাসে প্রথমবার অ্যান্টার্কটিকায় ২০ ডিগ্রির ওপর তাপমাত্রা

ইতিহাসে প্রথমবার অ্যান্টার্কটিকায় ২০ ডিগ্রির ওপর তাপমাত্রা
ইতিহাসে প্রথমবার অ্যান্টার্কটিকায় ২০ ডিগ্রির ওপর তাপমাত্রা

পৃথিবীর সর্বদক্ষিণে বরফাচ্ছাদিত অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। সম্প্রতি অঞ্চলটির একেবারে উত্তর প্রান্তে সেমোর দ্বীপে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।

বৃহস্পতিবার ব্রাজিলিয়ান গবেষক কার্লোস শায়েফার বার্তা সংস্থা এএফপি’কে জানান, গত ৯ ফেব্রুয়ারি মহাদেশটিতে প্রথমবারের মতো তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর রেকর্ড করা হয়েছে। ওই দিন সেখানে তাপমাত্রার পারদ উঠেছিল ২০ দশমিক ৭৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তিনি বলেন, আমরা আগে কখনোই অ্যান্টার্কটিকায় এত বেশি তাপমাত্রা দেখিনি। এর আগে সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ছিল ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

তবে এটিকে এখনই বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব বলতে রাজি নন এ গবেষক। কারণ, এটি খুবই স্বল্প সময়ের তাপমাত্রা ছিল, স্থায়ী নয়। কার্লোসের মতে, ওই এলাকায় ব্যতিক্রম কিছু ঘটছিল, এটা তার সংকেত মাত্র।

এর মাত্র সপ্তাহখানেক আগেই আর্জেন্টিনার জাতীয় আবহাওয়া পরিষেবা বিভাগ জানিয়েছিল, তারা আর্জেন্টাইন অ্যান্টার্কটিকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে। এর আগে ওই অঞ্চলের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ছিল ১৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা পাওয়া গিয়েছিল ২০১৫ সালের ২৪ মার্চ।

গত মাসে জাতিসংঘ জানিয়েছে, গত এক দশক ছিল ইতিহাসের উষ্ণতম সময়। এরমধ্যে ২০১৬ সালের তাপমাত্রা ছিল সবচেয়ে বেশি, এরপরেই উষ্ণতম বছর ছিল ২০১৯। ২০২০ সালেও সেই ধারা চলবে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা। কারণ, গত মাস এযাবৎকালের সবচেয়ে উষ্ণতম জানুয়ারি হিসেবে রেকর্ড গড়েছে।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে পৃথিবীর দুই প্রান্তের বরফ গলে যাচ্ছে। এতে উপকূলীয় দেশগুলোর বিস্তীর্ণ অঞ্চল তলিয়ে যাবে, বিপন্ন হবে প্রাকৃতিক পরিবেশ। ঘরছাড়া হবে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

© স্বত্ব দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেড দ্বারা পরিচালিত - ২০২০
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com