আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

স্বাস্থ্য

হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার
হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থি থাইরয়েড। শরীরে থাইরয়েড হরমোন বেড়ে গেলে বিভিন্ন সমস্যা হয়। পর্যাপ্ত থাইরয়েড হরমোন ছাড়া শরীরের প্রত্যেক সিস্টেম ধীর হয়ে পড়ে। অ্যানিমিয়ার মতোই থাইরয়েডের সমস্যায় ভুগে থাকেন অনেক নারী। সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এ সমস্যা বাড়তে থাকে। থাইরয়েড হরমোন শরীরের শক্তি, বাড়-বৃদ্ধি এবং বিপাক ক্রিয়ায় সাহায্য করে।

পুষ্টিবিদ রুজুতা দিয়েকরের মতে, হরমোনের ভারসাম্য রাখতে খেতে হবে এমন কিছু খাবার, যা শরীরের ভেতর থেকে হরমোন ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। জেনে নিন হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখবে যেসব খাবার-

হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার
হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

আম
থাইরয়েডের সমস্যায় আম খেতে পারেন। আম কাটার আগে আধ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে আমের মধ্যে থাকা সব জীবাণু ও রাসায়নিক পদার্থ নষ্ট হয়ে যাবে। রুজুতা দিয়েকর বলেন, থাইরয়েড থাকলে দুপুরে খাওয়ার পর আম খেলে বেশি উপকার মেলে। ম্যাঙ্গিফেরিন আমের মধ্যে থাকা এমন একটি জৈব উপাদান, যা রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়।

শুকনো নারিকেল থাইরয়েডের সমস্যা কমায় ফ্যাটি অ্যাসিড। তাই থাইরয়েড থাকলে শুকনো নারিকেল খেতে পারেন। এতে থাকা অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল উপাদান হরমোন ক্ষরণ রোধ করে। এছাড়া নারিকেলের দুধ অবসাদও কমায়। যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা রয়েছে, তারা সরাসরি নারিকেল না খেয়ে চাটনি বানিয়ে খেতে পারেন। 

হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার
হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

রাজমা
দিয়েকরের মতে, রাজমায় প্রচুর ভিটামিন আর মিনারেলস আছে। এই ডাল দেশের প্রায় সব প্রদেশের লোক খান। এর মধ্যে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। এর গুঁড়ো দিয়ে থাইরক্সিন ওষুধ তৈরি হয়। সরাসরি যারা ডাল খেতে পারেন না তারা রাজমার গুঁড়ো বা ময়দা দিয়ে রুটি, স্যুপ বানিয়ে খেতে পারেন। একই ফল মিলবে। আবার এমনি রুটি বা ভাত দিয়ে রাজমা ডাল মহা উপাদেয়।

  • হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

    হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

  • হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

    হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

  • হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

    হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

  • হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার
  • হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার
  • হরমোনের ভারসাম্য রাখবে যেসব খাবার

দৈনন্দিন

সয়াবিন তেলের যত গুণ

প্রতিদিনের রান্নায় সয়াবিন, সরিষা, অলিভ, সানফ্লাওয়ার, রাইস বার্ন তেল ব্যবহৃত হয়। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় সয়াবিন। সহজলভ্য ও দামে কম হওয়ায় সয়াবিন তেলের ব্যবহার বাড়ছেই। তেল রান্নাকে শুধু সুস্বাদুই করে না, আছে আরো নানা গুণ। জানালেন পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলো।

তেল ছাড়া রান্নার কথা ভাবাই যায় না। ভর্তা থেকে শুরু করে মাছ, মাংস, সবজি, পোলাও, তেহারি, বিরিয়ানির মতো নানা সুস্বাদু রান্নার অন্যতম উপাদান হচ্ছে তেল। শুরুতে রান্নায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হতো সরিষার তেল। ঘানিতে তৈরি হতো এই তেল। এখন নতুন প্রযুক্তি এসেছে। মেশিনে নিমেষেই সরিষা ভেঙে পাওয়া যাচ্ছে তেল।

দিন বদলের ধারায় সরিষার তেলের সঙ্গে যোগ হয়েছে সয়াবিন, অলিভ, রাইস বার্ন ও সান ফ্লাওয়ার থেকে পাওয়া তেল। তবে এত তেলের ভিড়ে এখনো এগিয়ে রয়েছে সয়াবিন তেল। প্রাচীনকাল থেকে মায়েদের রান্নাঘরে ব্যবহৃত হওয়া সরিষার তেল আজও সয়াবিনের কাছে মলিন। আশির দশক থেকে রান্নাঘরে সয়াবিনের প্রচলন শুরু। সরিষা থেকে সয়াবিনের দাম অনেক কম প্রায় অর্ধেক। আজ যে ঘরে ঘরে সয়াবিনের জয়জয়কার তার একটি বড় কারণ এটি।

সয়াবিনের এমন জনপ্রিয়তায় ভাগ বসাতে চেষ্টা করেছে অনেক তেল। মাঝে মাঝে সয়াবিনের উচ্চমূল্যের কাছে পাম তেলের চাহিদা বাড়লেও তা হুমকি হয়ে উঠতে পারেনি। সয়াবিনের বিকল্প হয়ে উঠতে পারেনি পাম তেল। সয়াবিনের এই জয়জয়কার স্বীকার করেন বিক্রেতারাও। তাদের কাছে ক্রেতারা এখন সয়াবিনই প্রথম চান।

ভোজ্য তেলের বাজারে সরিষা, সয়াবিন ও রাইস ব্র্যান অয়েল ছাড়াও আরো দুই প্রকারের তেলের চল আছে। তবে তা খুবই সীমিত। সূর্যমুখীর তেল ও জলপাই তেল বিদেশ থেকে আমদানি করেন ব্যবসায়ীরা। তবে এগুলোর দাম বেশ চড়া। সাধারণ ক্রেতাদের হাতের নাগালের বাইরে বলে এখনো অতটা চাহিদা তৈরি করতে পারেনি আমাদের দেশে।

সয়াবিন কেন জনপ্রিয়

দাম কম হওয়া ছাড়াও সয়াবিনের কিছু গুণ আছে। স্বাভাবিক তাপে সয়াবিনের তেমন ক্ষতি হয় না। তবে এ তেল ভাজাপোড়ায় বেশি সময় ধরে গরম না করাই ভালো। পৃথিবীজুড়ে সয়াবিন জনপ্রিয় উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের উত্স। সয়াবিন দিয়ে তৈরি হয় নানা পণ্য। মানব শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান অ্যামাইনো এসিড। এটিরও ভালো উত্স সয়াবিন।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

সুন্দর ত্বক পাওয়ার সহজ উপায়

সুন্দর, ঝকঝকে ও লাবণ্যময়ী ত্বক কে না চায়। সুন্দর ত্বক স্বাস্থ্যের ওপরে প্রভাব ফেলে। আর ত্বক ভালো থাকলে মনও ভালো থাকে। সুস্থ ত্বক পাওয়া কোন কঠিন বিষয় না। প্রতিদিন অল্প কিছু যত্ন নিলেই পাওয়া যাবে ঝকঝকে ত্বক।

মুখ ধোওয়া:

প্রতিদিন নিয়ম করে সকাল এবং রাতে মুখ ভালোভাবে নিজের ত্বকের জন্য উপযোগী ফেসওয়াশ দিয়ে ধুতে হবে।

ক্লিনজার:

সারাদিন মুখে অনেক ধূলাবালি জমা হয়। এ থেকে স্কিনের পোরস গুলো বন্ধ হয়ে যায় এবং পরে ব্রনের সমস্যা দেখা দেয়।  এজন্য তেল, ময়লা থেকে মুক্তি পেতে মৃদু একটি ক্লিনজার ব্যবহার করতে হবে।

ময়েশ্চারাইজার:

সুস্থ ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার অনেক জরুরি।  ভালো মানের একটি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। কখনোই শরীরের ক্রিম বা লোশন মুখে ব্যবহার করবেন না।

এক্সফলিয়েশন:

এক্সফলিয়েশন স্কিনের জন্য জরুরি। এর ফলে ত্বক থেকে মরা কোষগুলো উঠে যায় এবং ত্বক দেখতে পরিষ্কার মনে হয়।

ঘুম:

ত্বক ভালো রাখার জন্য ঘুমের বিকল্প নেই। ঘুম ভালো না হলে তার প্রভাব আপনার চেহারায় পড়বে।

ব্রণ খোঁচাবেন না:

মুখের কোন জায়গায় ব্রণ হলে কোনভাবেই খোঁচানো যাবে না। ব্রণ নিজে থেকেই মিলিয়ে যাবে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন কয়টা আপেল খাবেন?

শরীর সুস্থ রাখার জন্য ফল ও সবজি খাওয়ার বিকল্প নেই। রোজ একটি করে আপেল খেলে রোগবালাই পালাবে এটি অতি পরিচিত একটা কথা। আপেল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এ কথা সত্য। কিন্তু প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আপেল খেলে তাহলে তৈরি হতে পারে নানা সমস্যা। 

চিকিৎসকরা বলছেন, এক জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ দু’টি করে আপেল খেতে পারেন। কিন্তু তার বেশি খাওয়া ভাল নয়। কারণ আপেলের সাথে ক্ষতিকর কীটনাশক আমাদের শরীরে যায় যা মারাত্মক ক্ষতিকর।

কী কী বিপদ হতে পারে অতিরিক্ত আপেল খেলে?

ক্স বেশি পরিমাণে আপেল খেলে তাতে থাকা কীটনাশক অন্ত্রের নানা সমস্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। এমনকি অন্ত্রের ক্যানসারের আশঙ্কাও বেড়ে যেতে পারে। এতে করে পাকস্থলির ক্ষতি হতে পারে। মলদ্বারের নানা অসুখ হতে পারে এর কারণে। এর পাশাপাশি রক্তে দূষিত পদার্থের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াসহ শরীরে নানা ধরনের বিষক্রিয়া হওয়ার সমস্যা রয়েছেই।

ক্স শুধু কীটনাশক নয়, আপেল চকচকে করতে কৃত্রিম মোমও ব্যবহার করা হয় এর গায়ে। প্রাকৃতিক ভাবে আপেলের গায়ে অল্প মোম জাতীয় পদার্থ থাকে। কিন্তু সেটি বেশি দিন টিকে না। তারপরে আপেল তাজা এবং চকচকে করতে অনেকে এর গায়ে মোম এবং পেট্রোলিয়াম জেল লাগান। এগুলোও পেটে যায়। অন্ত্রে এই মোম এবং পেট্রোলিয়াম জেল জমা হয়ে ক্যান্সারসহ নানা রোগের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়।

ক্স প্রতিদিন দু’টির বেশি আপেল খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে, হজমের সমস্যা হতে পারে এবং ওজন বাড়তে পারে।

ক্স অতিরিক্ত আপেল খেলে দাঁতের ক্ষতিও হতে পারে। যাদের দাঁত বা মাড়ির সমস্যা আছে, আপেল খাওয়ার আগে তাই তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

পেঁয়াজ থেকে ছড়ানো সালমোনেলা রোগে আক্রান্ত ৬ শতাধিক মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রে ৩৭টি অঙ্গরাজ্যে পেঁয়াজ থেকে ছড়ানো সালমোনেলা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৬ শতাধিক ব্যক্তি। এ রোগে আক্রান্তের পর যুক্তরাষ্ট্রে লেবেল ছাড়া লাল, সাদা ও হলুদ পেঁয়াজ ফেলে দিতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানায়, এ সংক্রমণের একটি উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে মেক্সিকোর চিহুয়াহুয়া থেকে আমদানিকৃত এবং আইডাহোভিত্তিক একটি কোম্পানির সরবরাহ করা পেঁয়াজ। এখন পর্যন্ত ৬৫২ জন অসুস্থ হয়েছেন এবং এদের মধ্যে ১২৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

সিডিসি বলছে, প্রকৃত অসুস্থ মানুষের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। কারণ বেশিরভাগ আক্রান্তের কথা জানা যাচ্ছে না। ৩১ মে থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৬৫২ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

এক বিবৃতিতে সিডিসি জানায়, অসুস্থ মানুষদের বক্তব্য অনুসারে- অসুস্থ হওয়ার আগে ৭৫ শতাংশ মানুষ কাঁচা পেঁয়াজ খেয়েছেন কিংবা তাদের খাবারে পেঁয়াজ ছিল। অনেক অসুস্থ মানুষ একই রেস্তোরাঁয় খাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

চিহুয়াহুয়া থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ না কেনার পরামর্শ দিয়েছে সিডিসি। আর যাদের কাছে স্টিকার বা প্যাকেজিংয়ের তথ্য ছাড়া পেঁয়াজ রয়েছে সেগুলো ফেলে দিতে এবং যেখানে এগুলো রাখা হয়েছিল সেগুলো সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সালমোনেলা রোগে আক্রান্তদের বিষাক্ত খাবার খাওয়ার ছয় ঘণ্টা থেকে ছয় দিনের মধ্যে ডায়রিয়া, জ্বর ও পাকস্থলীতে ব্যথা দেখা দেয়। 

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন

দৈনন্দিন

ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে সরিষার তেল

রান্নায় যে সব উপকরণ ব্যবহৃত হয়, সে সবেরই কিছু না কিছু গুণ থাকে। যেমন রয়েছে সরিষার তেলেরও। এতে এমন কিছু উপাদান আছে, যা বিপাক হার বাড়াতে সাহায্য করে। এতে উপস্থিত ভিটমিন বি কমপ্লেক্স তাড়াতাড়ি খাবার হজম করতে সাহায্য করে। আর খাবার দ্রুত হজম হলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে থাকে।

সরিষার তেলের কড়া গন্ধের জন্য অনেকেই আজকাল তা সব সময়ে ব্যবহার করতে চান না। কিন্তু এতে আছে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। এতে হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাস্থ্য যেমন ভাল থাকে, তেমন শরীরে ভাল ফ্যাটের পরিমাণ বাড়ে। এর ফলে অতিরিক্ত ওজনবৃদ্ধিও ঘটে না। নিয়ন্ত্রণে থাকে ওজন।

ওজন নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও অবশ্য নানা গুণ আছে সরিষার তেলের। যেমন হজম ভাল হয় বলে পেট ঠিক রাখতে সাহায্য করে সরিষার তেল। পাশাপাশি, কোলেস্টেরলের মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে। তবে খেয়াল রাখা জরুরি যে, কোনও জিনিসই অতিরিক্ত ভাল নয়। সরিষার তেলও রান্নায় ব্যবহার করতে হবে মাপ বুঝে।

সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
বিজ্ঞাপন

শীর্ষ সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
© ২০২১ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। দা এগ্রো নিউজ, ফিশ এক্সপার্ট লিমিটেডের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। ৫১/এ/৩ পশ্চিম রাজাবাজার, পান্থাপথ, ঢাকা -১২০৫
ফোন: ০১৭১২-৭৪২২১৭
ইমেইল: info@theagronews.com, theagronewsbd@gmail.com